আজ সোমবার, , ২০ আগস্ট ২০১৮ ইং

লন্ডন প্রতিনিধি

০৭ আগস্ট, ২০১৮ ১৬:০১

শেখ কামালের জন্মবার্ষিকীতে লন্ডনে মুক্ত আলোচনা সভা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাজ্য যুব মহিলা লীগ আয়োজনে এক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৭ আগস্ট) পূর্ব লন্ডনের একটি ভেন্যুতে এ মুক্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রথমেই ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধিকার আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

সংক্ষিপ্ত জীবন কাহিনী পাঠ করেন যুক্তরাজ্য যুব মহিলা লীগের সহসাধারণ সম্পাদক শাহিন লিনা এবং তানাকা নাসরিন পিংকি। ক্ষণজন্মা সঙ্গীত সংগঠক শহীদ শেখ কামালকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানার স্মৃতিচারণমূলক লেখা পাঠ করেন নার্গিস সুলতানা।  

যুব মহিলা লীগ নেত্রী সালমা আখতার আলমের সভাপতিত্বে এবং যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজিয়া স্নিগ্ধার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল আলী। আলোচনার প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নইমুদ্দিন রিয়াজ।

বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ইমিগ্রেশন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট এম.এ. করিম, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের নিগার, যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আঞ্জুমান আরা আঞ্জু, হুসনা মতিন, যুক্তরাজ্য যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমেদ খান।

মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ সংগ্রামী আদর্শবাদী কর্মী ও সংগঠক হিসেবে ৬৬ এর স্বাধিকার আন্দোলন, ৬৯ এর গণআন্দোলন ও ৭১ এর অসহযোগ আন্দোলনে শহীদ শেখ কামালের অগ্রণী ভূমিকা তুলে ধরেন।

আলোচকরা বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় হয়েও শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির প্রতি শেখ কামালের যে ভালবাসা, টান, শ্রদ্ধা ছিল তা বিশ্বে বিরল। শেখ কামাল ভালো গান গাইতেন, চমৎকার সেতার বাজাতেন, অভিনেতা হিসেবেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুপরিচিত ছিলেন। ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। গড়ে তুলেছিলেন স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ক্রীড়া ক্ষেত্রে শহীদ শেখ কামালের অবদান নিয়ে আলোচনা করেন। যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠন এবং পুনর্বাসনে আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রতিষ্ঠা করা সে সময় দেশের যুব সমাজকে একটি দিক নির্দেশনা দিয়েছিল এবং হতাশ হয়ে অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছিলো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মুক্ত আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন ৭৪/৭৫ এর জাতীয় ছাত্রলীগ ঢাকা কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, যুক্তরাজ্য যুবলীগের সহসাধারণ সম্পাদক জামাল আহমেদ খান, যুক্তরাজ্য যুবলীগের সহসাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ, লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এহসান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আবদুল বাসির, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি খালেদ জয়, বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরামের তাওহীদ ফিতরাত, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জসীম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট লন্ডন শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম অকিব, রহিমা রহমান, লেখক ও সাংবাদিক জুয়েল রাজ, ব্যারিস্টার মনিরুল ইসলাম, শাহ বেলাল, মেহেদি হাসান, দোলন, সোহেল, জাকির, মুনিরা মলি, কামাল, সুফিয়ান, মৃধা, মাসুদ, আতিক, যুব মহিলা লীগের মাহমুদা মনি।

মুক্ত আলোচনায় তাঁরা অংশ নিয়ে শেখ কামালের জীবনের আলোকিত দিক, তাঁকে নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছে খুনিদের পৃষ্ঠপোষকরা এসব নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রকাশনার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত