শনিবার, , ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

শাবি প্রতিনিধি

১০ অক্টোবর, ২০১৮ ১৭:৫৪

তারেকের ফাঁসি দাবি শাবি ছাত্রলীগের

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার রায়কে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে মামলার অন্যতম আসামি তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়ে অসন্তোষ জানিয়ে তার ফাঁসির দাবি জানান তারা ।

বুধবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে আদালতের রায় ঘোষণার পর শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে এই আনন্দ মিছিল বের করেন।

শাবি ছাত্রলীগের মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুডকোর্ট থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান খানের সঞ্চালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম, সিনিয়র ছাত্রলীগ নেতা মুশফিকুর রহমান, আলী হাসানসহ শাখা ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

শাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, আমরা আদালতের রায়ে শ্রদ্ধা জানাই। তবে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের ফাঁসির রায় আমরা চাই। তার ইন্ধনেই এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল।

উল্লেখ্য, ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ১৪ বছর আগে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে নৃশংস গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় এসেছে আদালতে।

ঢাকার এক নম্বর দ্রুত  বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন বুধবার সকালে আলোচিত ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের দুই মামলায় এই রায় ঘোষণা করেন।

খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এছাড়া এ মামলার আসামি ১১ সরকারি কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শোভাযাত্রায় গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন কয়েকশ নেতাকর্মী।

সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান আজকের প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তার শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ মোট ৪৯ জনকে এ মামলার আসামি করা হয়েছিল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত