রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ ইং

বিনোদন ডেস্ক

০১ মে, ২০১৯ ১৭:০৪

অ্যাভেঞ্জারস: এন্ডগেমের রেকর্ড

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা ভিড় জমিয়েছে সিনেমা হলগুলোয়, ডিজনির অ্যাভেঞ্জারস: এন্ডগেম নিয়ে তুমুল উন্মাদনা চলছে গেল সপ্তায় ছবিটির মুক্তির পর থেকেই। গত শুক্রবার মুক্তি পাওয়া ওয়াল্ট ডিজনির এ সুপারহিরো ছবি ডজনখানেক দেশে বক্স অফিসের সব রেকর্ড ভেঙে এরই মধ্যে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয় করে ফেলেছে।

‘এন্ডগেম’ আমেরিকা ও কানাডায় নজিরবিহীন ৩৫০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে শুধু বৃহস্পতিবার রাত থেকে রোববার পর্যন্ত—এ খবর দিচ্ছে ডিজনি। ৩ ঘণ্টার ধুন্ধুমার অ্যাকশনের এ ছবিতে ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে আয়রন ম্যান, থরসহ আরো কিছু সুপারহিরোর।

‘এন্ডগেম’ রেকর্ড করেছে চীন, ব্রাজিল, ফ্রান্স, মিসর, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ আরো ৪৪টি দেশের বাজারে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার এক চীনেই আয় হয়েছে ৩৩০ মিলিয়ন ডলার, গত বুধবার ছবিটি মুক্তি পেয়েছে এখানে।

সফল ও ঐতিহাসিক এ সপ্তাহ ডিজনিকে প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। সামনের মাসগুলোয় ডিজনির আরো কিছু ব্লকবাস্টার ছবি মুক্তি পাবে, এর মধ্যে আছে: দ্য লাইন কিং এবং টয় স্টোরি ৪।

অথচ একদিন আগেই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল এ বিতর্কে যে, ‘এন্ডগেম’ আদৌ ৩০০ মিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ছুঁতে পারবে কিনা। ছবিটি ৩০০ মিলিয়নের সীমা তো ছাড়িয়েছেই, উপরন্তু ঘরের বাজারেই এক বছরের পুরনো ২৫৭ দশমিক ৭ মিলিয়নের রেকর্ডও টপকে গেছে। আগের রেকর্ডটি ছিল অ্যাভেঞ্জারস: ইনফিনিটি ওয়ার ছবিটির।

বিস্ময়কর হলেও সত্যি, দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হলগুলো তাদের টিকিট বিক্রি ও ছবি প্রদর্শনীর সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় থিয়েটার চেইন এএমসি এন্টাটেইনমেন্ট জানাচ্ছে, কিছু কিছু জায়গায় ৭২ ঘণ্টাই হলগুলো খোলা রাখা হয়েছে, টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়।

‘আমরা ধারণাই করতে পারিনি, রাত ৩টায় দর্শক আনন্দের সঙ্গে ৩ ঘণ্টার দীর্ঘ সিনেমা দেখতে হাজির হয়ে যাবে’, বলেছেন কমসোরের জ্যেষ্ঠ মিডিয়া অ্যানালিস্ট পল ডেরাগারাবেদিয়ান। ‘আমরা সম্পূর্ণ অনাবিষ্কৃত এক অবস্থার মুখোমুখি হয়েছি।’

লন্ডন সাবওয়ের স্টেশনে এক লিফলেটে বলা হয়েছে, এন্ডগেমের কাহিনী নিয়ে আলাপ করে অন্যের ছবি উপভোগের আনন্দ মাটি করবেন না। এ সতর্কবাণী-সংবলিত পোস্টারের ছবি টুইটারে প্রকাশ করেছেন ডিজনির প্রধান নির্বাহী বব আইগার।

চীনে কোনো কোনো দর্শককে এ ছবির জন্য ৫০০ ইউয়ান কিংবা প্রায় ৭৪ দশমিক ১৪ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ গুনতে হয়েছে কালোবাজারিদের কাছ থেকে টিকিট কিনতে। এমনিতে চীনে এ ছবির টিকিটমূল্য ৬৪ ইউয়ানের মতো গড়ে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত