সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ ইং

ওয়েব ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ ০০:৫৪

জিকা ভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের দাবি

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী আলোচিত জিকা ভাইরাসের টিকা তৈরির দাবি করেছেন ভারতের হায়দরাবাদের একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের দাবি, তাঁরা দুটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন। এই প্রথম ভাইরাসটির টিকা তৈরির দাবি উঠল।

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনডিটিভি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গোটা বিশ্বের নামী প্রতিষ্ঠানগুলো যখন জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির কথা ভাবছে, ঠিক সেই মুহূর্তে হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিনটি তৈরি করে পেটেন্ট করার কথা জানিয়েছে।

ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. কৃষ্ণা এলা বলেন, ‘প্রায় নয় মাস আগে খুব সম্ভবত আমরাই বিশ্বে প্রথমবারের মতো জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পেটেন্টের আবেদন করেছিলাম।’

জীবিত জিকা ভাইরাস আনুষ্ঠানিকভাবে আমদানি করে হায়দরাবারের এই প্রতিষ্ঠানটি এখন দুটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছে। তবে তা প্রাণী বা মানুষের ওপর প্রয়োগ করতে আরও দীর্ঘ সময় লাগবে।

কৃষ্ণা এলা বলেন, এই বিষয়ে তিনি সরকারের সমর্থন চেয়েছেন। এ ছাড়া ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর) সহযোগিতার জন্য এগিয়ে এসেছে। তিনি আরও বলেন, চার মাসে তাঁর প্রতিষ্ঠান জিকা ভাইরাসের ১০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে। এই ভ্যাকসিন তৈরি ও সরবরাহে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ও আইসিএমআরের মহাপরিচালক সৌম্য স্বামীনাথান বলেন, ‘আমরা মাত্রই এ বিষয়ে জানতে পেরেছি। বিষয়টি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।’

জিকা ভাইরাসের সঙ্গে অস্বাভাবিক ছোট আকৃতির মাথা নিয়ে শিশুর জন্ম নেওয়ার সম্পর্ক রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্রাজিলে সম্প্রতি এমন শিশুর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এ কারণে বিশ্বে জনস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। লাতিন আমেরিকার প্রায় ২০টি দেশে জিকা ভাইরাসের বিস্তারের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া এডিস মশার কামড়ে জিকা ভাইরাস ছড়ায় বলে বলা হচ্ছে। কিন্তু তা যৌন সংসর্গের মাধ্যমেও ছড়ানোর বিরল ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত