সোমবার, , ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

সিলেটটূডে ডেস্ক

১১ জুলাই, ২০১৮ ১৬:২৯

বাদলের মুক্তির বিষয়ে কোর্ট নয় সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে

বাদল ফরাজীর মুক্তির বিষয়ে কোর্ট নয় সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট। কোনো অপরাধ না করেও ভারতের কারাগারে দশ বছর বন্দী জীবন কাটিয়েছেন বাদল ফরাজী। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিয়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

বুধবার (১১ জুলাই) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চে এবিষয়ে রিট আবেদন করা হলে তা ‘উত্থাপিত হয়নি মর্মে’খারিজ করে দেয়া হয়।  

আদালত বলেন, ভারতের আদালতের রায়ে দেখা যাচ্ছে ওই দেশে একটি  হত্যা মামলায় বাদল ফরাজীকেই সাজা দেয়া হয়। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি সরকার তার বিষয়ে পজেটিভ। সরকার পদক্ষেপ নিয়ে বাদল ফরাজীকে তিহার জেল থেকে এদেশের জেলে নিয়ে এসেছে। সরকার যেহেতু উদ্যোগী হয়ে বাদলকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে, সেহেতু সরকারই তার মুক্তির পদক্ষেপ নেবে। এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা দেওয়া ঠিক হবে না।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ কাওছার ভারত থেকে বাদলের দেশে ফেরার বিষয়টি গত রোববার হাইকোর্টের নজরে আনলে তাদের রিট আবেদন করতে বলা হয়। সে অনুযায়ী আজ হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করেন।

রিট আবেদনে বলা হয়, বাদল ফরাজী ‘ভুল বিচারের’ শিকার হয়ে ভারতে দশ বছর কারাভোগ করেছেন। তিনি ‘নির্দোষ হওয়ার পরও’ দেশে ফিরিয়ে এনে তাকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়েছে, যা সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৬ ও ৪৪ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন।

এজন্য বাদল ফরাজীকে কারামুক্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের প্রতি আদালতের নির্দেশনা ও রুল আবেদন করা হয়। স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন  সচিব, পররাষ্ট্র সচিব ও পুলিশ প্রধানকে  বিবাদী করা হয়।

২০০৮ সালে ৬ মে দিল্লির অমর কলোনিতে এক বৃদ্ধাকে খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় বাদলকে। তবে বাদল তার দুই মাসেরও বেশি সময় পর ১৩ জুলাই ভারতে ঢুকেছিলেন বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে উঠে আসে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাদল সিং নামে এক ব্যক্তিকে খুঁজছিল পুলিশ। তাকে ধরতে সীমান্তে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। আর তখনই বেনাপোল চেকপোস্ট হয়ে টুরিস্ট ভিসায় ভারতে ঢুকেই গ্রেপ্তার হন বাংলাদেশের বাদল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত