রবিবার, , ১৮ নভেম্বর ২০১৮ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

২০ আগস্ট, ২০১৮ ১৮:৫৭

কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানসহ ৩১ শিক্ষার্থীর জামিন

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানসহ ৩১ জনের জামিন মঞ্জুর করেছেন ঢাকার আদালত।

সোমবার (২০ আগস্ট) একাধিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিমের একাধিক আদালত তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানসহ ২২ জন শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলার আসামি। বাকিদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা দায়ের হয়েছিল। অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, ফারুক হোসেন, এ পি এম সুহেল, সাখাওয়াত হোসেন রাতুল প্রমুখ।

যদিও সোমবার সকালে তাদের সাতজনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন আদালত।

আদালতে শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম, মশিউর রহমান ও জসিম উদ্দিনের পক্ষের আইনজীবী জায়েদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সকালে সাতজনের জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

তিনি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভিসির বাসা ভাঙচুর, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা ও আইসিটি আইনে দায়ের করা তিন মামলায় তাদের জামিন আবেদন করা হয়। এর মধ্যে শাহবাগ থানার আইসিটি আইনে ও ভিসির বাসা ভাঙচুরের মামলায় রাশেদের জামিন আবেদন করা হয়। ভিসির বাসা ভাঙচুরের মামলায় জামিনের আবেদন করা হয় সুহেল, মশিউর ও জসিমের।

জায়েদুর রহমান আরো জানান, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেয়ার ঘটনায় করা মামলায় জামিনের আবেদন করা হয় ফারুক ও তরিকুলের। এ ছাড়াও ভাঙচুর ও আইসিটি আইনের মামলায় জামিনের আবেদন করা হয় রাতুলের।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এছাড়া বাকি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়া, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, নাশকতার অভিযোগ ছিল।

গত ৮ এপ্রিল কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে দায়িত্বরত পুলিশকে মারধর, কর্তব্যে বাধা, পুলিশের ওয়াকিটকি ছিনতাই ও ভিসির বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার অভিযোগে ১০ এপ্রিল শাহবাগ থানায় চারটি মামলা হয়। এর মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করে। আর ভিসির বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র সিকিউরিটি অফিসার এসএম কামরুল আহসান বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করেন। তবে চার মামলায় আসামিদের নাম ও সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। এ ছাড়াও কোটা নিয়ে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটা মামলা করে।

শাহবাগ থানায় দায়ের করা ২০ নম্বর মামলার আসামিরা হলেন- মাসুদ আলম মাসুদ, আবু সাঈদ ফজলে রাব্বী, রাকিবুল হাসান, রাশেদ খান, আতিকুর রহমান, সাইদুর রহমান। ২২ নম্বর মামলার আসামি সোহেল ইসলাম, মাসুদ সরকার, জসিম উদ্দীন, আবু সাঈদ, আলী হোসেন, রাকিবুল হাসান, মশিউর রহমান, জসিম উদ্দিন আকাশ, মাসুদ আলম মাসুদ। ২৩ নম্বর মামলার আসামি সাখাওয়াত হোসেন, ফারুক হোসেন, তরিকুল ইসলাম, মাসুদ আলম মাসুদ, রাকিবুল হাসান, আবু সাঈদ, ফজলে রাব্বী। ১ (৭) নম্বর মামলার আসামি রাশেদ খান। রমনা থানায় দায়ের করা মামলার আসামি ইউসুফ চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম তৌহিদ, আলমগীর হোসেন, মাহবুবুর রহমান আরমান ও সাখাওয়াত।


আপনার মন্তব্য

আলোচিত