বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ১২:৪৫

ইডেনের সাবেক অধ্যক্ষ হত্যার ঘটনায় মামলা

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীন হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় দুই গৃহকর্মীসহ তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন নিহত নারীর স্বামী ইসমত কাদির গামা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপির) রমনা বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিনজনকে ধরতে তৎপরতা চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এর আগে সকালে মারুফ হোসেন সরদার জানান, এ হত্যার ঘটনায় তার দুই গৃহকর্মী স্বপ্না ও রেশমাকে আটকের জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে।

তদন্তের স্বার্থে এখনই তৃতীয় ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। ওই ব্যক্তি স্বপ্না ও রেশমাকে ওই বাসায় কাজে দিয়েছিলেন।

মারুফ হোসের সরদার বলেন, ‘আমাদের সন্দেহের তির ওই দুই গৃহকর্মীর দিকেই। ওই ঘটনার পর বিকেল পাঁচটার দিকে তারা পালিয়ে যায়। এর পরই তাদের ধরার জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছি। গতকাল সারা রাতই অভিযান চলে। আশা করছি, দ্রুত তাদের আটক করা সম্ভব হবে।’

এ ঘটনায় মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন জানিয়ে উপকমিশনার জানান, তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হতে পারে। এই ঘটনাটি পুলিশ ছাড়াও র‌্যাব ছায়াতদন্ত করছে।

পলাতক দুই গৃহকর্মী হলেন স্বপ্না ও রেশমা। স্বপ্নার বয়স আনুমানিক ৩৬, রেশমার বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। স্বপ্নার বাড়ি ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও রেশমার বাড়ি কিশোরগঞ্জে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ দুজনকে ধরতে পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তৎপরতা চালাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, রোববার বিকেলে নিজের বাসায় খুন মাহফুজা চৌধুরী পারভীন। এলিফ্যান্ট রোডের সুকন্যা টাওয়ারের বাসায় থাকতেন তিনি। এ ঘটনার পর তার বাসার দুই গৃহকর্মী স্বপ্না ও রেশমা পালিয়ে যান। পুলিশ খুনি হিসেবে প্রাথমিকভাবে তাদের সন্দেহ করছে।

মাহফুজা চৌধুরীর স্বামী ইসমত কাদির গামা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। মাহফুজা চৌধুরী ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। সুকন্যা টাওয়ারের ১৫ ও ১৬ তলায় দুটি ফ্ল্যাটে (ডুপ্লেক্স) এই দম্পতির বহুদিনের সংসার। ওপরের অংশটিতে তারা থাকেন। নিচতলায় রান্নাঘর, গৃহকর্মীদের আবাস। তাদের দুই ছেলের একজন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক, আরেকজন ব্যাংকে চাকরি করেন বলে জানান স্বজনেরা। তারা এখানে থাকেন না। বাড়িতে তিনজন গৃহকর্মী ছিলেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত