বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

০৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:৩৬

আবরার হত্যায় গ্রেপ্তারদের ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০ আসামিকে আদালতে পাঠিয়ে দশদিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ডিএমপির লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কামাল হোসেন জানান, যে দশজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, দ্বিতীয় বর্ষ), সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, দ্বিতীয় বর্ষ), সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, চতুর্থ বর্ষ), উপসমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল (বায়ো মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, তৃতীয় বর্ষ), সদস্য মুনতাসির আল জেমি (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, দ্বিতীয় বর্ষ), মো. মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ (ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, তৃতীয় বর্ষ) এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির ও একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না।

আবরারকে হত্যার ঘটনায় তার বাবা বরকতুল্লাহ সোমবার চকবাজার থানায় যে ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন, তাতে এই দশজনের নামও রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাতজনের নাম ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের তালিকাতেও আছে। এরা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মুহতাসিম ফুয়াদ, মেহেদী হাসান রবিন, অনিক সরকার, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, ইফতি মোশাররফ সকাল ও মুনতাসির আল জেমি।

এই হত্যাকাণ্ডের পর সোমবার রাতে ১১ জনকে স্থায়ীভাবে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের কথা জানায় ছাত্রলীগ।

এ ঘটনায় দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্য কমিটিও গঠন করেছে ছাত্রলীগ।

মঙ্গলবার ভোরে আবরারের লাশ কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখনা দুই দফা জানাজার নামাজ শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার গ্রামের বাড়িতে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত