শুক্রবার, , ২৬ এপ্রিল ২০১৯ ইং

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

১৫ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:৩৪

নুসরাত হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে হিউম্যান ফর হিউম্যানের মানববন্ধন

ফেনীর সোনারগাজী পৌর এলাকায় ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে নগরীতে মানববন্ধন করেছে হিউম্যান ফর হিউম্যান বাংলাদেশ।

একই সাথে সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্টে সোমবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজারে মাদকবিরোধী বক্তব্য দেয়ায় মসজিদের ইমামকে নির্যাতনের প্রতিবাদও জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।

হিউম্যান ফর হিউম্যান বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আরশদ নোমান ইচ্ছারস্বরীর সভাপতিত্বে ও জাগরণ ইসলামী সাংস্কৃতিক দলের প্রধান পরিচালক হাফিজ মাওলানা আব্দুল করিম দিলদারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক সরকার, মাওলানা আসলাম হোসাইন রহমানি, মাদানি কাফেলা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, জামেয়া দারুল কোরআন সিলেটের শিক্ষক মাওলানা মতিউর রহমান, জাময়ো নাজাতুল উম্মাহ’র প্রিন্সিপাল মাওলানা তোফায়েল, ঝরণারপাড় মসজিদের খতিব মাওলানা বাহা উদ্দিন বাহার, হিউম্যান ফর হিউম্যান এর যুগ্ম সম্পাদক মুফতি সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা ফয়েজ উদ্দিন, মাওলানা ক্বারি হেলাল আহমদ, আজকের সোনার বাংলা সম্পাদক মো. রেজাউল হক এলএলবি, ছাত্রনেতা জিবান, সাজ্জাদ হোসেন রুমন, জাবেদ হোসাইন চৌধুরী, সুলতান মাহমুদ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফেনীতে আলিয়া মাদারসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন হয়রানী ও নিষ্ঠুর ভাবে অগ্নিদগ্ধ করে হত্যার ঘটনা পৃথিবীর সকল বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। এ পাশবিক হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যেন এ বিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের জঘন্যতম অপরাধ করার দুঃসাহস না দেখায়।

বক্তারা বলেন, অপরাধীরা বারবার বিনা বিচারে পার পাওয়ায় এ ধরনের ভয়াবহ অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। নুসরাত হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা সরকারের দায়িত্ব। এ মামলায় কোন প্রকার গাফলতি দেশবাসী বরদাশত করবে না।

নেতৃবৃন্দ বলেন- সিরাজ উদ্দৌলা শিক্ষক নামের কলঙ্ক। তার ফাঁসি না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তার এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে দেশের আলেম সমাজসহ সাধারণ মানুষ হতাশ হয়েছে। যারা ব্যক্তিজীবন ও সামাজিক জীবনে ইসলামের নবী মোহাম্মদ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর সঠিক আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারে না তাদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া অনুচিত। এরা শিক্ষক নামে অযোগ্য। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- কক্সবাজার মসজিদে মাদক বিরোধী বক্তব্য দেয়ায় নব্বই ভাগ মুসলমানদের দেশের একজন ইমামকে এভাবে নির্যাতন মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে নুসরাত হত্যাকারী ও ইমাম নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত