রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

০৬ মে, ২০১৯ ১৮:৪১

সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তপন বিকাশ

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, সিলেট কার্যালয়ের উপ-মহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) তপন বিকাশ তঞ্চঙ্গাঁ সিলেট চেম্বার অব কমার্সের নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন।

সোমবার (৬ মে) বিকাল চারটায় চেম্বার বোর্ড রুমে এই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।


এসময় উপ-মহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) তপন বিকাশ তঞ্চঙ্গাঁ বলেন, সরকারের শ্রম আইন অনুযায়ী কলকারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সমূহে শ্রমিকের নিরাপত্তা বিধান ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরনে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। আমরা ব্যবসায়ী ও কলকারখানা মালিকদের সাথে সুসম্পর্ক রেখে শ্রমিকের কল্যাণে কাজ করতে চাই।

তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বে শ্রমিকদেরকে যেরকম মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে, আমাদের দেশে সেভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। শ্রমিকদেরকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হলে দেশে যেরকম উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে সেরকম বহির্বিশ্বেও বাংলাদেশের সুনাম বাড়বে। তিনি তার দায়িত্বকালে শ্রমিকের অধিকার রক্ষা ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে সিলেট চেম্বারের সহযোগিতা কামনা করেন।

সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, সিলেটের ব্যবসায়ীরা শান্তিপ্রিয় এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে আমরা ইতোপূর্বে অধিদপ্তরের সাথে যৌথ উদ্যোগে একাধিক সভা আয়োজন করেছি। কিছুদিন পূর্বে এব্যাপারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে সিলেট চেম্বারের সাথে আলোচনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

তিনি বলেন, সিলেটের ব্যবসায়ীরা এখনও শ্রম আইন সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। তাই তিনি আইন প্রয়োগের পূর্বে ব্যবসায়ীদের এসম্পর্কে অবগত করার আহবান জানান। এছাড়াও তিনি যেকোন উৎসবকালীন সময়ে দোকানপাট সমূহকে সাপ্তাহিক বন্ধের ব্যাপারে ছাড় দেওয়ার অনুরোধ জানান।

সিলেট চেম্বারের সহ সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন বলেন, সিলেটে শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা তেমন একটা নেই, এখানকার ব্যবসায়ীরা মূলত ট্রেডিং ব্যবসার উপর নির্ভরশীল। তাই তিনি শ্রম আইনের বিষয়গুলি সিলেটের প্রেক্ষাপটে বিবেচনার অনুরোধ জানান।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেট চেম্বারের সহ সভাপতি মোঃ এমদাদ হোসেন, পরিচালক জিয়াউল হক, চন্দন সাহা, ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, শ্রম পরিদর্শক শিউলি বিশ্বাস ও মোঃ আরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া।           

আপনার মন্তব্য

আলোচিত