আজ মঙ্গলবার, , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

স্পোর্টস ডেস্ক

১১ জুলাই, ২০১৮ ০২:০৭

বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্স

রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠেছে ফ্রান্স। দুরন্ত বেলজিয়ামকে থামিয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠল দিদিয়ের দেশমের দল।

বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্যামুয়েল উমতিতির একমাত্র গোলে বেলজিয়ামকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০০৬ সালের পর আবারও ফাইনালে উঠলো ফ্রান্স। আর সেমিফাইনালে উঠার সান্ত্বনা নিয়ে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের অপেক্ষায় মাঠ ত্যাগ করলো বেলজিয়াম।

সেন্ত পিটার্সবার্গ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই বল দখল আর আক্রমণের এগিয়ে থাকা বেলজিয়াম গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল ১৫তম মিনিটে। কেভিন ডে ব্রুইনের পাসে ডি-বক্স থেকে এদেন আজারের কোনাকুনি শট দূরের পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। দুই মিনিট পর অপর প্রান্তে ব্র্রেইস মাতুইদির শট আস্থার সঙ্গে গ্লাভসে নেন গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়া।

পরের মিনিটে আবারও ডি-বক্স থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন আজার। ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারানে কোনোমতে মাথা লাগানোয় বল ক্রসবারের উপর দিয়ে যায়।

২২তম মিনিটে দুর্দান্ত সেভে বেলজিয়ামকে গোলবঞ্চিত করেন উগো লরিস। কর্নার থেকে বল পেয়ে ডি-বক্স থেকে টবি আল্ডারভাইরেল্ডের আচমকা শট ফেরান ডানে ঝাঁপিয়ে।

৩৯তম মিনিটে দারুণ সেভে ফ্রান্সকেও গোল করতে দেননি কর্তোয়া। কিলিয়ান এমবাপের বাড়ানো বল ধরে বাঁজামাঁ পাভার্দের কোনাকুনি শট ঠেকান পা বাড়িয়ে।

গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটাও ছিল বেলজিয়ামের। কিন্তু প্রথম সুযোগেই গোল পেয়ে যায় ফরাসিরা। ৫১তম মিনিটে অঁতোয়ান গ্রিজমানের কর্নারে লাফিয়ে উঠে হেডে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান বার্সেলোনার ডিফেন্ডার উমতিতি।

চার মিনিট পর এমবাপের দারুণ ব্যাকহিলে বল পেয়ে শট নিয়েছিলেন অলিভিয়ে জিরুদ। তবে গোলের দেখা পাননি আর্সেনালের এই ফরোয়ার্ড।

বদলি হিসেবে নেমেই ড্রিস মের্টেন্স সমতা ফেরানোর দ্রুত দুটো সুযোগ তৈরি করেছিলেন। ৬১তম মিনিটে তার কাছ থেকে বল পেয়ে ঠিকমতো ভলি নিতে মারেননি অনেকটা ফাঁকায় থাকা ডে ব্রুইনে। আর চার মিনিট পর মের্টেন্সের ক্রসে মারোয়ান ফেলাইনির হেড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে যায়।

৮১তম মিনিটে আক্সেল উইতসেলের বাঁক খাওয়া শট ফিরিয়ে আবারও ফ্রান্সের ত্রাতা লরিস।

যোগ করা ছয় মিনিটে গ্রিজমান আর কোরোঁতাঁ তোলিসোর দুটো শট ঠেকিয়ে ব্যবধান বাড়াতে দেননি কোর্তোয়া।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত