শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০ ইং

ক্রীড়া প্রতিবেদক

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:৫৫

বিপিএলে সিলেট: এক টুর্নামেন্ট, ৪ ভিন্ন নাম

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এবার সপ্তম আসরে এসে নাম নিয়েছে বঙ্গবন্ধু বিপিএল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে এবার বিসিবির পৃষ্ঠপোষকতায় হতে যাচ্ছে বিশেষ এই বিপিএল।

জাঁকজমক আয়োজনে ইতোমধ্যেই পর্দা ওঠেছে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিনে মাঠে উপস্থিত ছিলেন। এখন অপেক্ষা ব্যাট-বলের লড়াইয়ের। ১১ ডিসেম্বর মাঠে গড়াচ্ছে উদ্বোধনী ম্যাচ যেখানে অংশ নিচ্ছে সিলেট থান্ডার ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

সাত আসরে চলমান এই বিপিএলে সিলেটের নামে এবারসহ চারটি নামের দল অংশ নিচ্ছে। ২০১২ সালে প্রথম আসরে দলের নাম ছিল সিলেট রয়্যালস।

২০১২ বিপিএলে সিলেট রয়্যালস দলের অধিনায়ক ছিলেন পিটার ট্রেগো এবং কোচ ছিলেন স্টুয়ার্ট ল। প্রথম আসরে গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি সিলেটের নামে অংশ নেওয়া দলটি।

২০১৩ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম সিলেট রয়্যালসের অধিনায়কের দায়িত্ব পান, আর কোচ হন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ফিল্ডিং কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন। ওই মৌসুমে সিলেটের নামের দলটি সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছায়।

প্রথম ও দ্বিতীয় মৌসুমে খেলা সিলেট রয়্যালস বিপিএল থেকে বাদ পড়লে ২০১৫ সালে মৌসুমে নতুন মালিকানায় নতুন নাম নিয়ে দলটি গঠিত হয়। আলিফ গ্রুপ দলের নাম পরিবর্তন করে রাখে সিলেট সুপারস্টার্স। দলের অধিনায়ক ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও কোচ সারোয়ার ইমরান। ওই মৌসুমে সিলেটের নামের দলটি ৬ দলের মধ্যে ৫ম হয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়।

বিপিএলের চতুর্থ আসরে নিষিদ্ধ ছিল সিলেট নামের দল।

২০১৭ সালের বিপিএল আসরে সিলেট সিক্সার্স হিসাবে সিলেটের নামের একটা দলের আত্মপ্রকাশ হয়। ফ্রাঞ্চাইজটির স্বত্বাধিকারী ছিল সিলেট স্পোর্টস লিমিটেড। ওই মৌসুমে ৭ দলের মধ্যে ৫ম হয়ে বিদায় নেয় সিলেট সিক্সার্স।

২০১৯ মৌসুম বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসরে ওয়াকার ইউনুসকে দলের প্রধান কোচ হিসাবে এবং ডেভিড ওয়ার্নারকে অধিনায়ক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হলেও ইনজুরির কারণে ওয়ার্নার বিদায় নিলে অলক কাপালি নেন দলের অধিনায়কের দায়িত্ব। সেবার সিলেট সিক্সার্স ৬ষ্ঠ অবস্থানে থেকে বিদায় নেয়।

এবারের বিপিএল ৭ম আসরের জন্য গিবানি ফুটওয়্যারের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে দলটিকে সিলেট থান্ডার নামে নামকরণ করা হয়। এবারের দলে নেই তেমন কোনো বড় তারকা। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ মিঠুন আর নাঈম হাসানদের মতো দেশীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গড়েছে সিলেট। সঙ্গে আছেন জনসন চার্লস এবং জীবন মেন্ডিসের মতো বিদেশি তারকারা।

কোচ হিসেবে আছেন সাবেক প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান হার্সেল গিবস। সেই সঙ্গে আছেন টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সারোয়ার ইমরান।

স্কোয়াড : মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল ইসলাম অপু, সোহাগ গাজী, রনি তালুকদার, নাইম হাসান, দেলোয়ার হোসেন, মনির হোসেন, রুবেল মিয়া, এবাদত হোসেন।

বিদেশি : শেরফান রাদারফোর্ড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), শফিকউল্লাহ শাফাক (আফগানিস্তান), নাভিন-উল-হক (আফগানিস্তান), জীবন মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা), শেলডন কটরেল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), মোহাম্মদ সামি (পাকিস্তান), জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), আন্দ্রে ফ্লেচার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) এবং ক্রিশমার সান্টোকি (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত