মঙ্গলবার, , ২৩ অক্টোবর ২০১৮ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

১৬ মে, ২০১৮ ১৭:৫০

‘প্রশিক্ষিত রাজনৈতিক নেতৃত্বই গণতন্ত্রের প্রধান চালিকা শক্তি’

ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের নারী ও যুব সমাবেশ

তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতি ও রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করাতে হলে অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের বাতায়ন উন্মুক্ত করতে হবে। যে কোন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে গণতন্ত্র। তরুণ প্রজন্ম আমাদের দেখানো পথেই এগিয়ে চলে। তাই তাদের মাঝে নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরি করতে হবে। তাদেরকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের আলোকে পরিপূর্ণ করে তুলতে হলে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ একজন কর্মীর দক্ষতা বৃদ্ধি করে। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের  মাধ্যমে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান যথাযথভাবে রাজনীতি ও দেশের কাজে লাগাতে হবে এবং তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে প্রশিক্ষিত রাজনৈতিক নেতৃত্বই গণতন্ত্রের প্রধান চালিকা শক্তি।

বুধবার (১৬ মে) নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের হল রুমে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় ও সিলেট মহানগর বিএনপির উদ্যোগে 'রাষ্ট্র, গণতন্ত্র, রাজনীতি ও দলের গঠনতন্ত্র' বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত নারী ও যুব সমাবেশ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মশালায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের রাষ্ট্র, গণতন্ত্র, রাজনীতি ও দলের গঠনতন্ত্রের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর বিএনপির সহসভাপতি সালেহ আহমদ খসরু। মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের রাজনৈতিক ফেলো মুর্শেদ আহমদ মুকুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের রিজিওনাল ম্যানেজার সুদীপ্ত চৌধুরী ও ডেপুটি রিজিওনাল ম্যানেজার রাহিমা বেগম।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি অঙ্গ ও সংগঠনের মধ্য থেকে লোকমান আহমদ, নজরুল ইসলাম, আব্দুল কাইয়ুম, মিনারা হোসেন, ফাতেমা জামান রুজি, তানিয়া রহমান, নাসির উদ্দিন রহীম, রিয়াজ উদ্দিন ইমরান, সৈয়দ মিনহাজ, মাহফুজ আহমদ, সাফকাত আহমদ মুন, শাহান মাহমুদ খান, সাফিয়া খাতুন মনি, রেহানা বেগম, ইহবুবা আক্তার ইভা ও ইমন আহমদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালেহ আহমদ খসরু বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বিএনপি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গণতন্ত্রকে লালন পালন করে আসছে। শহীদ জিয়া অনুধাবন করেছিলেন রাজনীতি হতে হবে মানুষের কল্যাণের জন্য। তাই তিনি ১৯ দফা কর্মসূচি প্রণয়নের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সুনির্দিষ্ট কর্ম পরিকল্পনা, কর্মসূচি, সুশিক্ষিত কর্মী বাহিনী গঠনের জন্য সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।

তিনি আরো বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করতে হবে। ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যালের প্রশিক্ষণ থেকে লব্ধ জ্ঞান তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। তাহলে দেশ জাতি ও সমাজ উপকৃত হবে। রাজনীতিতে আসবে গুনগত পরিবর্তন। তবে সবকিছুর পূর্বে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে গণতন্ত্রকে মুক্ত করার উপর জোর দিতে হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত