আজ সোমবার, , ২০ আগস্ট ২০১৮ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

১৮ জুলাই, ২০১৮ ১৩:৫১

সিলেটে ‘গোয়েন্দা নজরদারি বাড়বে’

আসন্ন সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে একটি খসড়া পরিপত্র ইসি সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে। খসড়ায় রাজশাহী ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের জন্য একই প্রস্তাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনাসহ খসড়া পরিপত্র ইসি সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

খসড়া পরিপত্রে বলা হয়েছে, জঙ্গি তৎপরতা ও গুজব রটানো রোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। চলমান আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের যৌথ সভা করতে হবে। রিটার্নিং অফিসারের সার্বিক সমন্বয়ে ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানান, আগামী ৩০ জুলাই সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বৈঠকের পর ইসির প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভোটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়।

এখন নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন পেলেই এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি হবে।

জাতীয় নির্বাচনের আগে তিন সিটির এই নির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখছে নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচন সামনে রেখে ২৮ থেকে ৩১ জুলাই মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, নির্বাহী-বিচারিক হাকিমসহ মোবাইল-স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ইসির চাহিদা অনুযায়ী রাখা হয়েছে।

তিন সিটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বৈঠকের বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সোমবার বলেছিলেন, “সংশ্লিষ্টরা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের। কমিশন যেভাবে চায় সেভাবে সব ধরনের সহায়তা করবেন তারা।”

ভোটের পরিবেশ শান্ত ও ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ যাতে বজায় থাকে সেজন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অহেতুক হয়রানি না করার নির্দেশনা রয়েছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, “বিনা ওয়ারেন্টে কখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না- তা বলা হয়নি। স্বাভাবিকভাবে কোনো এলাকায় আমলযোগ্য অপরাধ যদি হয় তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারবে। ফৌজদারি কার্যবিধির যে অপরাধগুলো হয় তাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারবে। আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাউকে অহেতুক নির্বাচনকেন্দ্রিক হয়রানি যেন না করা হয়। কোনো আতঙ্ক সৃষ্টি যেন না করা হয়।”

গত বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা ভোট সামনে রেখে জঙ্গি তৎপরতা ও সহিংসতা যাতে মাথাচাড়া দিতে না পারে সে দিকে নজর রাখার ওপর ‍গুরুত্বারোপ করেন।

তবে সিলেট কিংবা বরিশালের চেয়ে বিশেষ করে রাজশাহীতে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

এবারের সিসিক নির্বাচনে র‍্যাবের ২৭ টি এবং বিজিবির ১৪ টি টিম কাজ করবে বলে জানা যায়। তবে এই পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সংখ্যা বাড়তে পারে।

প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ জুলাই নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৮ জুলাই মধ্যরাত থেকেই বন্ধ হচ্ছে প্রচারণা। সেই সাথে ২৭ জুলাই থেকে নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত