শুক্রবার, , ১৬ নভেম্বর ২০১৮ ইং

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:২৭

সিলেটে শ্রেষ্ঠ করদাতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৩৫ জন

সিলেট কর অঞ্চলে এবার শ্রেষ্ঠ করদাতার পুরস্কার পাচ্ছেন ৩৫ জন। এর মধ্যে বিভাগের চার জেলায় দীর্ঘমেয়াদী কর প্রদানকারী ১০ জন, সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী ১৫ জন, সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী ৫ জন নারী, সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী ৪০ বছর বয়সের নীচে ৫ জন তরুণ করদাতাকে সম্মাননা প্রদান করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

বুধবার (০৭ নভেম্বর) বিকেলে সিলেট কর অঞ্চলের কর কমিশনার আবু হান্নান দেলওয়ার হোসেন নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আগামী ১২ নভেম্বর সকাল ১০টায় নগরীর রিকাবীবাজার মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে সিলেট সিটি করপোরেশন এবং জেলাভিত্তিক সর্বোচ্চ ও দীর্ঘমেয়াদী করদাতাদের সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হবে।

তিনি জানান, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজম্ব বোর্ডের সদস্য (লিগ্যাল ও ইনফোর্সমেন্ট) সিরাজুল ইসলাম। পরদিন ১৩ নভেম্বর সকাল ১০টায় একই স্থানে করমেলার উদ্বোধন করবেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। মেলা চলবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। একই সঙ্গে সিলেট বিভাগের ৪টি জেলায় এবং ৫টি উপজেলার একটিতে ২দিন ও অপর ৪টিতে ১ দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ মেলা শুরু হবে।

 তিনি বলেন, আয়করে প্রবৃদ্ধি, দেশ ও দলের সমৃদ্ধি’ স্লোগানে এবার অনুষ্ঠিতব্য মেলায় বিভিন্ন বুথে ইটিআইএন রেজিস্ট্রেশন ও রি-রেজিস্ট্রেশন, রিটার্ন গ্রহণ, অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য আইডি ও পাসওয়ার্ড প্রদান এবং কর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পরামর্শ প্রদান করা হবে।

মেলায় করদাতারা যাতে সহজে কর পরিশোধে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ও সঞ্চয়ী বুথ স্থাপন ছাড়াও ভ্যাট বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের জন্য মেলায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষেরও একটি বুথ থাকবে। সেই সঙ্গে মিডিয়াঙ্গনের জন্যও একটি বুথ থাকবে বলেন তিনি।

কর কমিশনার আবু হান্নান দেলওয়ার হোসেন আরো বলেন, রাজস্ব হলো জাতীয় অর্থনীতির প্রাণ। সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রক্ষা, সরকারের বাজে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য রাজস্ব উৎপাদন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। রাজস্ব গুরুত্ব হলেও আমাদের দেশে নানা কারণে কর প্রদান সংস্কৃতি পুরোপুরি গড়ে উঠেনি। ফলে রাজস্ব আহরণে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জনগণকে কর প্রদানে উৎসাহিত করার পাশাপাশি কর প্রদান পদ্ধতি সহজীকরণে ২০১০ সাল থেকে আয়কর মেলার প্রবর্তন করে। এর সুফল হিসেবে সারা দেশে রাজস্ববান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বৃদ্ধি পেয়েছে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম কর কমিশনার এজেডএম নুরুজ্জামান, উপ কর কমিশনার সদর দপ্তর (প্রশাসন) কাজল কুমার সিংহ ও কর অঞ্চল সিলেটের কর্মকর্তাগণ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত