মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯ ইং

বড়লেখা প্রতিনিধি

১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ১৬:০২

মনোনয়নবঞ্চিত সোয়েবে একাট্টা বড়লেখা আওয়ামী লীগ

আসন্ন বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদের সমর্থনে একাট্টা বড়লেখা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

১০ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র থেকে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণার সাথে সাথেই নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

কেন্দ্র ঘোষিত দলীয় প্রার্থী বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুন্দরকে প্রত্যাখ্যান করে ওই দিন দুপুরে ছাত্রলীগের উদ্যোগে পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা হয়।

ওই দিন রাতে মনোনয়ন বঞ্চিত সোয়েব আহমদের সমর্থনে তার বাড়িতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এলাকার প্রবীণ মুরব্বি আব্দুল মতিন।

সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের শতশত নেতাকর্মীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেন সোয়েব আহমদ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর জেহীন সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সোয়েব আহমদ।

বক্তব্যে সোয়েব আহমদকে মনোনয়ন না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নেতাকর্মীরা বলেন, ‘তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের প্রাণ। তৃণমূলকে উপেক্ষা করে সংগঠন টিকতে পারবে না। জেলা আওয়ামী লীগের নেতারাও আমাদের সাথে প্রতারণা করেছেন। কাউন্সিলের কথা বলে পরে তৃণমূলের নেতাদের মতামত নেননি। অদৃশ্য কালো টাকার মাধ্যমে আপনারা মনোনয়ন বিক্রি করেছেন। যোগ্য নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করা হয়নি। আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সোয়েব আহমদকে জয়ী করে প্রমাণ করে দেব প্রার্থী বাছাইয়ে কি পরিমাণ ভুল ছিল।’

বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘আপনারা আসুন, দেখে যান। বিচার করুণ। কি ভুল করেছেন আপনারা। জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে একজন প্রার্থীকে আমাদের উপর চাপায়ে দিয়েছেন। আমরা কিন্তু গ্রহণ করছি না। প্রত্যাখ্যান করলাম। আগামী ১৮ মার্চ জনগণ আপনাদের ব্যালটের মাধ্যমে এর প্রমাণ দেখাবে।’

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ছয়দুল ইসলাম, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক হিফজুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর আব্দুল মালিক জুনু, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু আহমদ হামিদুর রহমান শিপলু, দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আজির উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক নিয়াজ উদ্দিন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মাহতাব উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক নজব উদ্দিন, পৌর যুবলীগের সভাপতি জসীম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক নোমান আহমদ, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুন নুর, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি তানিমুল ইসলাম তানিম, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আহমদ, সুজানগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল ইসলাম লাল, সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল মজিদ নিকু, জেলা পরিষদ সদস্য আজিম উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা আমির উদ্দিন, দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুভ্রত কুমার দাস শিমুল, উপজেলা আনজুমানে আলইসলাহ্ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আহমদ জুয়েল, উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মহি উদ্দিন আদনান, জেলা যুবলীগ সদস্য মুজিবুর রহমান জয়নাল, দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মুক্তাদির সওদাগর, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফ উদ্দিন, তাঁতী লীগ নেতা মহিউদ্দিন গুলজার, সাবেক ইউপি সদস্য বেলাল উদ্দিন, তালিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা শাহাব উদ্দিন, ফরিদ উদ্দিন মাস্টার, বাদল আহমদ, সাবেক ইউপি সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত কান্তি দাস, সদর ইউপি সদস্য সৈয়দ লুৎফুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা সমির উদ্দিন কটই, ইউপি সদস্য ফয়জুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য সরফ উদ্দিন নবাব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইয়াছিন আলী, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শহীদ খান, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক সেলিম আহমদ খান, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আশিক উদ্দিন, নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খয়রুল আলম নুনু, সাবেক ইউপি সদস্য সুনাহর আলী, বর্ণি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুন নূর প্রমুখ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত