শনিবার, , ২০ এপ্রিল ২০১৯ ইং

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:১০

নগরীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, বিএনপি নেতার দোকান ভাঙচুর

সিলেট নগরীর জেল রোড এলাকায় ছাত্রলীগের একটি মিছিল থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের তিন নেতা আহত হন। হামলার পর মিছিলকারীরা জিন্দাবাজার পয়েন্টে এসে মহানগর বিএনপি সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিমের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায়। এসময় জিন্দাবাজার পয়েন্টে কয়েকটি মোটরসাইকেল ও জল্লারপাড়ে একটি প্রাইভেটকার ভাঙচুর করে তারা।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন খানের অনুসারী বলে জানা গেছে। ছাত্রলীগের ওই মিছিল থেকে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বিধান কুমার সাহার নামে স্লোগান দেওয়া হচ্ছিলো। হামলাকারীরা ছাত্রলীগের কাশ্মীর গ্রুপের অনুসারী বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

আহতরা হলেন- স্বেচ্ছাসেবক লীগ কামরুল আই রাসেল গ্রুপের কর্মী আসগর ও লিটন। তাদেরকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, নগরীর জেলরোড এলাকায় হোটেল ডালাসের পাশে কামরুল আই রাসেলের নেতৃত্বে আফতাব গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীরা বসতেন। সম্প্রতি তাদের ওই জায়গায় বসতে বাধা দেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লিগের সহ-সভাপতি পীযুষ কান্তি দে। বাধা না মানায় শুক্রবার রাতে এই হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক কামরুল আই রাসেল বলেন, ‘আমরা নেতাকর্মীদের নিয়ে জেলরোড এলাকায় ছিলাম। এমন সময় আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়। এতে আমাদের তিন কর্মী আহত হয়েছেন। এদের একজনের নাম গোলজার আহমদ। আহতদের ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলার পর কাশ্মীর গ্রুপের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র মিছিল সহকারে জিন্দাবাজার পয়েন্টে এসে দুটি মোটর সাইকেলে হামলা চালায়। এরপর জিন্দাবাজার পয়েন্টে অবস্থিত বদরুজ্জামান সেলিমের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তারু মিয়ার দোকানে ভাঙচুর করে। এরপর জল্লারপাড় এলাকায় একটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করে তারা।

হামলায় দোকানের মালামাল ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ সেলিম মিয়া বলেন, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া একটি পক্ষ জিন্দাবাজারে একটি দোকান ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত