রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ ইং

বানিয়াচং প্রতিনিধি

১০ মে, ২০১৯ ২০:০৭

বানিয়াচংয়ের সেই নাহিদার পাশে আওয়ামী লীগ নেতা

হবিগঞ্জের বানিয়াচং সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ (গোল্ডেন) পেয়েছিলো নাহিদা আক্তার। কিন্তু এমন ফল অর্জন করলেও তার মুখে হাসি ফোটেনি। দরিদ্র পরিবারের মেয়ে হওয়ায় কলেজে ভর্তি হয়ে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়ে নাহিদাসহ তার পবিারর। পরিবারের পক্ষে নাহিতার পড়ালেখার ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব ছিলো না।

অবশেষে মেধাবী নাহিদা মুখে হাসি ফোটাতে পাশে দাঁড়ানোর আগ্রহ দেখিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও বানিয়াচং শরীফ উদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের প্রধান পৃষ্টপোষক ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল। তিনি বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ আসনের (হবিগঞ্জ-২) সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম এডভোকেট শরীফ উদ্দিন আহমেদ’র পুত্র।

তাঁর বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত পাঠাগারের মাধ্যমে মেধাবী নাহিদা আক্তারের আগামী দুই বছরের লেখাপড়ার খরচ বহন করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন। নাহিদাকে নিয়ে গত বুধবার সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকম-এ প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই প্রতিবেদকের সাথে যোগাযোগ করেন তিনি। তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত মরহুম শহীদ উদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের মাধ্যমে নাহিদার লেখাপড়ার খরচ চালানো হবে বলে আওয়ামী লীগের এই নেতা নিশ্চিত করেছেন।

এরপর বৃহস্পতিবার (৯মে) বিকাল বেলা শরীফ উদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের সদস্যরা নাহিদার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবাবারের সাথে কথা বলে বিষয়টি তাদেরকে জানিয়ে এসেছেন।  

আওয়ামী লীগ নেতা ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল জানান, ‘আমার বাবা বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৯৬ সালে তিনি মারা যাওয়ার পর আমরা অসহায় হয়ে পড়েছিলাম তখন। চিন্তায় পড়েছিলাম আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে। আমার বয়স তখন ১২ কি ১৩ ছিল। তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের খাওয়া-দাওয়াসহ লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে নেয়ার ঘোষণা করেছিলেন। তখন আমার মা মাঝেমধ্যে ঢাকায় গিয়ে এসব নিয়ে আসতেন। সুতরাং আমি অসহায়ের কষ্ট বুঝি। আমি চাই কোনো মেধাবী যেন টাকার অভাবে তার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে না যায়।'

তিনি আরো জানান- আগামী দুই বছরের নাহিদার পড়ালেখার যাবতীয় খরচ আমার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত শরীফ উদ্দিন আহমেদ পাঠাগারের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে।। কয়েকদিনের মধ্যেই এই আর্থিক অনুদান তুলে দেবেন বলে জানিয়েছেন ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল।

এই নিয়ে নাহিদা বলে, আমি কলেজে ভর্তি হতে পারবো কিনা সেই চিন্তাঢ ছিলাম। কিন্তু এখন সেই খবরটি জানতে পেরে নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু হলো।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত