বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ ইং

সিলেটটুডে ডেস্ক

০৭ জুন, ২০১৯ ২৩:৫০

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি

সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের বিশেষ বর্ধিত সভা

দেশে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে সিলেট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ।

শুক্রবার সিলেট নগরীর বন্দরস্থ ব্রহ্মময়ী মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন সিলেট জেলা শাখার বিশেষ বর্ধিত সভায় পরিষদের এক বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই দাবি জানান বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিলেট বিভাগীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা। তিনি ইসলামী ফাউন্ডেশনের মতো হিন্দু ফাউন্ডেশন করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

তিনি আরও বলেন, দেশে নতুন করে হিন্দু নির্যাতনের হাতিয়ার হিসাবে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে ধর্মীয় অনুভূতি আঘাতের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো সিলেটের ওসমানী নগর উপজেলার নিজ বুরুঙ্গা শিবু মেম্বারের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও শিশু মহিলা নির্যাতন করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য পূজা পরিষদ ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে আপাতত বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে রক্ষা পায়। এঘটনায় যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সিলেট জেলার ট্রাষ্টির বিভিন্ন কার্যকলাপের উপর অসন্তোষ প্রকাশ করে অবিলম্বে এ ট্রাষ্টিকে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

জেলা শাখার সহ সভাপতি অধ্যক্ষ ভাস্কর চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রঞ্জন ঘোষের সঞ্চালনায় সভায় আলোচনায় অংশ নেন জেলা শাখার সহ সভাপতি গোপিকা শ্যাম পুরকায়স্থ চয়ন, অধ্যাপক রজত কান্তি ভট্টাচার্য, প্রচার সম্পাদক বিমল কান্তি দে, সহ গণসংযোগ উজ্জ্বল চন্দ, সহপূজা বিষয়ক সম্পাদক বিজয় ধর, জেলা কমিটির সদস্য রঙ্গের কুমার দাস, জ্যোতিশ পাল, মঞ্জু লাল দাস, সুভাষ পাল ছানা,প্রতাপ চন্দ্র দাস তালুকদার, বালাগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি রজত চন্দ্র দাস ভুলন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা শাখার সভাপতি মন মোহন দেবনাথ, জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি নিপেন্দ্র চন্দ্র দাস, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি নীলেন্দু ভূষণ দে অনুপ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি নরেশ চন্দ্র দাস, বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি অজিত পাল, বিয়ানীবাজার উপজেলা শাখার সভাপতি সুজিত চক্রবর্তী, গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক রজত কান্তি দাস, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক নন্দন কান্তি পাল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক হিমেল দাস, বিশ্বনাথ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার আচার্য, জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দুলাল দেব, জকিগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় বিশ্বাস, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার দেবনাথ, লিটন, সাংবাদিক তপনসহ প্রমুখ। শুরুতে পবিত্র গীতা পাঠ করেন জেলা শাখার সদস্য প্রতাপ চন্দ্র দাস তালুকদার।

সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় কেন্দ্রীয় পূজা পরিষদ কমিটির নির্দেশনা মোতাবেক প্রত্যেক উপজেলা থেকে গীতা প্রতিযোগিতায় জুলাইয়ের মধ্য শেষ করে জেলা কমিটির কাছে বিজয়ীদের তালিকা প্রেরণ করতে হবে। সিলেটের প্রত্যেক উপজেলায় যে সমস্ত মঠ, মন্দির সংস্কার কাজ হওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে যে তালিকা এসেছে উক্ত তালিকার অন্তর্ভুক্ত মঠ মন্দিরের সংস্কার কাজ তত্ত্বাবধানের জন্য স্ব স্ব উপজেলা কমিটিকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাছাড়াও তিনটি উপজেলার সম্মেলনের তারিখ পুনঃ নির্ধারণ করা হয়। তারিখগুলো হচ্ছে- ২১ জুন কোম্পানীগঞ্জ, ২৮ জুন গোয়াইনঘাট ও ১৯ জুলাই বিশ্বনাথ উপজেলা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত