শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯ ইং

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ জুলাই, ২০১৯ ১৬:০১

সিলেটে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ এ ছেলেরা

ফাইল ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হারে সিলেট বোর্ডে এগিয়ে আছে মেয়েরা। আর জিপিএ-৫ এ এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন।

সিলেট বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এবারের পরীক্ষায় ৬৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ মেয়ে পাস করেছে। অপরদিকে ছেলেদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ।

আবার এ বছর সিলেট বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০৯৪ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৬৪৪ জন ছেলে এবং ৪৫০ জন মেয়ে।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সিলেটে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৪৪ জন, মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯ জন।

সিলেট জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭৭২ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে ৪৭৯ ও মেয়ে ২৯৩ জন। হবিগঞ্জের ৮৭ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এদের মধ্যে ৪৫ জন ছেলে এবং ৪২ জন মেয়ে।

মৌলভীবাজারে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০৭ জন। এর মধ্যে ১১০ জন ছেলে এবং ৯৭ জন মেয়ে। সুনামগঞ্জ জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ২৮ জন। এর মধ্যে ১০ জন ছেলে এবং ১৮ জন মেয়ে।

সিলেটে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার গতবার পাশের হার ছিল ৬২ দশমিক ১১ আর এবার এবার পাসের হার ৬৭ দশমিক ৫। আর গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ৮৭৩ জন শিক্ষার্থী। এবার সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯৪ জনে।

এ বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৬ হাজার ২৫১ জন। এদের মধ্যে ছেলে ৩৪ হাজার ৬৪৯ জন এবং মেয়ে ৪১ হাজার ৬০২ জন।

অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছে ৫১ হাজার ১২৪ জন। এদের মধ্যে ছেলে ২২ হাজার ৪৯০ জন এবং মেয়ে ২৮ হাজার ৬৩৪ জন।

সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ২৪৬ জন। গত বছর এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন।

সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার বেড়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। আর পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৮ হাজার ২৪ জন।

প্রসঙ্গত, ১ এপ্রিল চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১১ মে। এরপর ১২ মে থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২১ মে শেষ হয়। দেশের দুই হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে এবার উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত