বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯ ইং

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:৪৫

হবিগঞ্জ শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ডাস্টবিন স্থাপন

হবিগঞ্জ পৌরএলাকার জনবহুল স্থানগুলোতে বসানো হয়েছে লোহার ডাস্টবিন। 'আমাকে ব্যবহার করুন' গায়ে লেখা লোহার তৈরি বিশেষ ধরনের ডাস্টবিন এখন শোভা পাচ্ছে হবিগঞ্জ পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে। হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান চলমান পরিচ্ছন্নতা অভিযান আরো বেগবান করতে লোহার ডাস্টবিন স্থাপন করার উদ্যোগ নেন।

হবিগঞ্জ পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক ভাবে ১০০টি ডাস্টবিন বসানোর পরিকল্পনা হয়ে। বর্তমানে হবিগঞ্জ শহরের শহরের রাস্তাঘাট ও মার্কেটগুলোর সামনে প্রায় ৫০টি লোহার বিশেষ ধরনের ডাস্টবিন ইতিমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে। হবিগঞ্জ পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিদিন ডাস্টবিন গুলো থেকে ট্রাকে করে বর্জ্য তুলে নেন। হবিগঞ্জ পৌরসভার জলাবদ্ধতা দূরীকরণের লক্ষ্যে অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োজিত করার মাধ্যমে বর্তমানে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

সরজমিনে দেখা যায়, হবিগঞ্জ পৌরসভায় স্থাপনকৃত ডাস্টবিনগুলো ব্যবহার করতে শুরু করেছেন পৌর নাগরিকরা। এতে করে বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে রাস্তাগুলো পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠছে। তবে কিছু কিছু এলাকায় নাগরিকদের অসচেতনতাও লক্ষ্য করা গেছে। কয়েকটি এলাকায় এখনো ডাস্টবিনের বাইরে ও পাশের ড্রেনেও ময়লা ফেলতে দেখা যায়।

এই ডাস্টবিনগুলো ব্যবহার করতে পৌরসভার নাগরিকদেরে আরো সচেতনা হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন পৌর মেয়র। তাই মেয়র বিভিন্ন সভা সেমিনারে সকলকে ডাস্টবিন ব্যবহারের আহবান জানান।  ডাস্টবিনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা হয়কিনা এ বিষয়ে নিজে তদারকি করেন। এমনকি রাতে কাজ শেষ হওয়ার পরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পর্যবেক্ষন করেন।  

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন ‘আমি নির্বাচিত হওয়ার আগে পৌরবাসীকে কথা দিয়েছিলাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করে তোলবো। সে অঙ্গিকার পূরণ করার জন্য আমি আমার পরিষদকে সাথে নিয়ে ইতিমধ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বেগবান করেছি। দিনে ও রাতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ছাড়াও বড় ড্রেন পরিষ্কারের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। শহরকে পরিচ্ছন্ন করার একটি অংশ এই ডাস্টবিন স্থাপন।’

মেয়র মিজানুর রহমান মিজান আরো বলেন, ‘বাসা-বাড়ী ও দোকানপাটের বর্জ্য নিয়মিত সিডিসি’র ভ্যানগাড়িতে দিয়ে নেওয়া হয়। রাস্তাঘাটে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে ডাস্টবিন অথবা নির্ধারিত স্থানে ফেলে শহরকে আরো পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর হবে। এক্ষেত্রে সবার আন্তরিক সহযোগিতা এবং সচেতনতা প্রয়োজন।  পৌরবাসী সাথে থাকলে হবিগঞ্জ শহরকে আরো পরিচ্ছন্ন এবং আরো সুন্দর করে তোলা সম্ভব হবে।’

আপনার মন্তব্য

আলোচিত