বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ইং

বানিয়াচং প্রতিনিধি

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:২৪

যুবলীগে সন্ত্রাসীদের স্থান নেই

বানিয়াচং উপজেলা যুবলীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় এমপি মজিদ খান

হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান এমপি বলেছেন, যুবলীগ একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক সংগঠন। কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা কোনো সন্ত্রাসী যুবলীগে স্থান পাবেনা। দেশের ও দলের যে কোনো প্রয়োজনে যুবলীগ কর্মীরা সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। সকল ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের দেশ এই বাংলাদেশ। রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে প্রতিহিংসা নয়।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে এগারটায় বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজ মিলনায়তনে উপজেলা যুবলীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বানিয়াচং ৪নং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেখাছ মিয়ার সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া ও শাহজাহান মিয়ার যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ও জেলা যুবলীগের সংগ্রামী সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সহসভাপতি আব্দুর রউফ মাসুক, সজল রায়, উপ-দপ্তর সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি রায় টিটু, সহ-সম্পাদক সবুজ আহমেদ ও ইমতিয়াজ জাহান শাওন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মজিদ খান আরো বলেন- যুব মেধা ধারণ,লালন এবং এর বিকাশ ই হলো যুবলীগের অন্যতম লক্ষ্য। যুবরাই সমাজের মুল চালিকা শক্তি। যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে তারা দেশ জাতির শত্রু। তাদের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে যুবলীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীসহ সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন-উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান রেখাছ মিয়া ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব রায়ের উপর সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িতদের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দাবি জানান। কারণ সন্ত্রাসীদের কোনো দলীয় পরিচয় নেই।

জেলা যুবলীগের সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম বলেন-যুবলীগে কোন্দল সৃষ্ঠিকারীদের স্থান নেই। যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী যুবলীগকে আজ অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। যুবলীগ কারো হুমকি-ধামকিতে ভয় পায়না।

বর্ধিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ছায়েব আলী,সহসভাপতি আনসার আলী,মনিরুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া,সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ আহমেদ,প্রচার সম্পাদক মাহমুদ আখঞ্জি,সহ-অর্থসম্পাদক খেলু মিয়া ও ১৫টি ইউনিয়নের সভাপতি,সেক্রেটারিসহ থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ। বক্তারা আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে বানিয়াচং উপজেলা যুবলীগের ওয়ার্ড,ইউনিয়ন কমিটি সম্পন্ন করে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের জন্য উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সামনে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সম্মেলনে একের অধিক মন্ত্রীকে নিয়ে আসার আশ্বাস প্রদান করেন এমপি মজিদ খান।

পরে যুবলীগ সভাপিতি রেখাছ মিয়া ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব রায় চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল হলরুম থেকে শুরু হয়ে গ্যানিংগঞ্জ বাজার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই জায়গায় এসে শেষ হয়। বর্ধিত সভায় উপজেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ইউনিয়ন যুবলীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত