সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯ ইং

বড়লেখা প্রতিনিধি

০৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১৭:৩৮

বড়লেখায় গীতিনাট্য ‘দুর্গতিনাশিনী দুর্গা’য় মুগ্ধ দর্শক

তখন মধ্যরাত। মঞ্চায়িত হচ্ছে গীতিনাট্য দুর্গতিনাশিনী দুর্গা। দুর্গার হাতে যখন অসুর দমন হয়, তখন শ্রোতা-দর্শক সবার মধ্যে পিনপতন নীরবতা। অসুরের বিরুদ্ধে, অকল্যাণের বিরুদ্ধে দুর্গা তখন সবার চোখে প্রতিরোধ ও কল্যাণের প্রতীক হয়ে ওঠেন। সোমবার (৭ অক্টোবর) মহানবমীর রাতে এ আয়োজনটি ছিল মৌলভীবাজারের বড়লেখা সদরের হাটবন্দ শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে।

গীতিনাট্য দুর্গতিনাশিনী দুর্গা দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন দর্শকরা। গীতিনাট্যের দর্শক ছালেহ আহমদ জুয়েল জানালেন, মানুষ যে অন্যায় ও অকল্যাণের বিরুদ্ধে এবং তাঁদের সমর্থন যে ন্যায়ের পক্ষে। এই বার্তা দিয়েছে গীতিনাট্যটি। সকলকে অনুপ্রাণিত করেছে। মুগ্ধ করেছে।

শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে মহানবমীর রাত ৯টায় ‘দুর্গে, দুর্গে দুর্গতিনাশিনী...মহিষাসুর মর্দিনী’ গানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির এলাকায় সন্ধ্যা থেকে ভক্ত শ্রোতাদের ভীড় জমে। গভীর রাত পর্যন্ত আনন্দের সাথে সেখানে সময় কাটালেন দর্শকরা। মধ্যরাতে শুরু হয় গীতিনাট্য দুর্গতিনাশিনী দুর্গা। শেষ হয় গভীর রাতে। অনুষ্ঠান চলাকালে মন্দির প্রাঙ্গণে দর্শকদের মাঝে ছিল পিনপতন নীরবতা। নজরুল একাডেমি বড়লেখার শিল্পীরা এই গীতিনাট্য পরিবেশন করে। গীতিনাট্যটি পরিচালনা করেন নজরুল একাডেমি বড়লেখার নৃত্য পরিচালক দেলোয়ার হোসেন দুর্জয়।

আয়োজকদের একজন লিটন পাল বলেন, ‘আমরা প্রতি বছর অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠান চলে। এবার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন গান, নাটক পরিবেশন করে। মানুষের উপস্থিতি ছিল অনেক। মানুষের উপস্থিতি আমাদের উদ্বুদ্ধ করেছে। অনুপ্রাণিত করেছে।’

এর আগের দিন এখানে গান পরিবেশন করে শ্রীমঙ্গলের টিউনস ব্যান্ড দল ও বড়লেখার ব্যান্ডদল ব্ল্যাক হোলসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন। উল্লেখ্য, এবার বড়লেখা উপজেলায় মোট ১৫৩টি মন্ডপে পূজা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত