মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪৭

বিশ্বনাথে সরকারি জায়গার গাছ কেটে চলছে দালানকোঠা নির্মাণ!

সিলেটের বিশ্বনাথের লামা টুকের বাজারে মাকুন্দা নদী তীরের বড় একটি মেহগনি, একটি রেইনট্রি ও ছোট একটি আকাশী গাছ কেটে সরকারি জায়গা দখল করে প্রকাশ্যে পাকা দালানঘর নির্মাণ করছেন সিনএজি চালিত অটোরিকশা চালকরা। সেখানে ১৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থের সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে তারা ওই তৈরি করছেন পাকা দালান।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) ভোর ৬টায় গাছ কেটে নদী তীরে ফেলে রেখে দিয়ে নদীর উপর স্থাপন করা বড় ব্রিজের গোড়ায় তারা এ পাকা দালানের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে সরকারি জায়গায় পাকা দালানকোঠা নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বৃহস্পতিবার বিকেলেই বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে  ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে পৃথক দুটি স্মারকলিপি দিয়েছেন দিলালপুর গ্রামের চাঁন মিয়া।

তিনি তার স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন, বিশ্বনাথের দৌলতপুর ইউনিয়নের মৌলভীরগাঁও মৌজার ৫৩ নাম্বার জেএলের ২৮৮ নাম্বার দাগের নদী তীরের (খড়ই, মেহগনি ও কদম) ৪টি গাছ কেটে দালানকোঠা নির্মাণ করছেন বাজারের সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকারা। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন টুকের বাজারের পার্শ্ববর্তী ছাতকের সুতারখালি গ্রামের ফয়জুর রহমান, আনিছ আলী, মইন উদ্দিন, রজাক আলীসহ ১০জন সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে টুকের বাজার গেলে কথা হয় বাজারের দখলদার অটোরিকশা চালক ফয়জুর রহমান, আনিছ আলী আনছার আলী, লোকমান মিয়া ও দিলোয়ার হোসেনের সঙ্গে। গাছ কাটা ও দালানকোঠা নির্মাণের সত্যতা স্বীকার করে তারা বলেছেন, লামা টুকেরবাজার উত্তরপাড়া অটোটেম্পু, অটোরিকশা চালক শ্রমিক জোটের  (রেজি নং ২০৯৭) অফিস বানাতেই তারা দালানঘর নির্মাণ করছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা-তুজ-জোহরা বলেন, ওসমানীনগর উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকায় স্মারকলিপি তিনি পাননি।

তবে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল স্মারকলিপি পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত