শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০ ইং

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:৪৬

তুহিন হত্যা মামলা ডিবিতে স্থানান্তর

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আলমপুরের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থী তানভির হোসেন তুহিন (১৮) হত্যা মামলা গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রোববার (৮ ডিসেম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোগলাবাজার থানার এসআই দীপন চন্দ্র সরকার বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

এর সত্যতা নিশ্চিত করে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে এসেছে। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) মামলার ডকেট আমি সমঝে নিয়েছি।’ এছাড়া তথ্য প্রযুক্তি ব্যাবহার করে আসামীদের অবস্থান নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে বলেও জানান বাংলাদেশ পুলিশের এ কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ জুলাই (বুধবার) দুপুর দেড়টার দিকে জুতা চুরির অভিযোগ এনে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আলমপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে তানভির হোসেন তুহিনকে মারধর করে তারই সহপাঠীরা। সেসময় একটি কাঠের টুকরো দিয়ে তার মাথায় আঘাত করায় গুরুতর আহত হয় সে। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

তুহিন হত্যার ঘটনায় নিহতের চাচা নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে কামরান, আবু তায়েফসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর পরই ২৪ জুলাই তায়েফ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২৫ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দুপুরে তায়েফকে সিলেট মহানগর হাকিম সাইফুর রহমানের আদালতে হাজির করলে সে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।

এরপর ২৬ জুলাই (শুক্রবার) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে কামরুল ইসলাম (১৬) ও ফারুক আহমদ হৃদয়কে (১৫) আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৯) সদস্যরা। র‌্যাব পরদিন ২৭ জুলাই (শনিবার) দুইজনকে সিলেটের মোগলাবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। তবে প্রধান আসামি কামরান এখনও পলাতক রয়েছে।

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আলমপুরের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থী তানভির হোসেন তুহিন (১৮) গোলাপগঞ্জ উপজেলার পলিতাফর গ্রামের মানিক মিয়ার একমাত্র ছেলে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত