মঙ্গলবার, , ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০২:০১

হবিগঞ্জে মহাজোটের প্রার্থিতা নিয়ে জেলা জুড়ে ধূম্রজাল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জ জেলার সব আসনেই মহাজোটের প্রার্থিতা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধূম্রজাল। কে থাকছেন আর কে বাদ পড়ছেন এ নিয়ে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, একই আসনে আওয়ামীলীগের একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী থাকা ও মহাজোটের শরীক জাতীয় পার্টির সাথে আসন ভাগা-ভাগি সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন অর্থাৎ ২৮ নভেম্বরের পূর্বে এ জটিলতার চূড়ান্ত অবসান নাও হতে পারে।

জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন হবিগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামীলীগের ব্যানারে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করায় জেলার সব আসনেই মহাজোটের প্রার্থী জটিলতা আরও দ্বিগুণ হয়েছে। এ অবস্থায় একদিকে, হতাশা আর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র জেলার জাপা নেতা-কর্মীদের মধ্যে। অন্যদিকে, নিজের প্রার্থিতা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন জেলার একাধিক সাংসদসহ আওয়ামীলীগের শক্তিশালী প্রার্থীরা। তবে উভয় দলের নেতা-কর্মীরাই চেয়ে রয়েছেন নিজেদের দলের ও মহাজোটের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি।

নির্বচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জ-১ আসনে মহাজোটের প্রার্থী মনোনয়ন জটিলতা চরম আকার ধারণ করেছে। জেলায় ৬ জন প্রার্থী এখন সর্বত্রই আলোচিত। এরা হলেন, হবিগঞ্জ-১ আসনে জাপার এম.এ মুনিম চৌধুরী বাবু এমপি, আওয়ামীলীগের অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া এমপি (সংরক্ষিত আসন), আওয়ামীলীগের শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী ও জাপার আতিকুর রহমান আতিক এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামীলীগের অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী এমপি ও আওয়ামীলীগের ড. ফরাসউদ্দিন।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পূর্বে ওই ৬ জনের ৪ জনকেই বিদায় নিতে হবে (প্রার্থী হিসেবে) নির্বাচনী মাঠ থেকে। তবে বাদ পড়া ৪ জনের কোন ১ জনকে জেলার অন্যকোন আসনে প্রার্থী করা হতে পারে বলেও গুঞ্জন রয়েছে। আর এ কারণেই জেলার সবকটি আসনে মহাজোটের প্রার্থিতা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধূম্রজাল। এ অবস্থায় নিজ নিজ কর্মী-সমর্থকরা রয়েছেন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। কেন্দ্রে নেতারা (প্রার্থী) চালাচ্ছেন জোর লবিং। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে তোলপাড়। কর্মী সমর্থকরা তাদের নেতার ছবিসহ ব্যানার ফেস্টুনের ছবি আপলোড করছেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে।

এনিয়ে সংবাদকর্মীদের সাথে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি মহাজোটের কোন প্রার্থী। সবাই কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের দিকেই চেয়ে আছেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত