রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ ইং

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক

২৯ মার্চ, ২০১৯ ০০:৫০

বিন্ডিং প্ল্যান পাস করাতে সবাই টাকা খায়

ঢাকায় একের পর এক অগ্নিকতান্ডের ঘটনা ঘটেই চলছে। বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার বনানীতে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকান্ডে এ পর্যন্ত ৯জন মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এফআর টা্ওয়ার নামের বনানীর ওই ভবনটি নকশা লঙ্ঘন করে নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজউক চেয়ারম্যান। প্রতিটি অগ্নিকান্ড বা দুর্ঘটনার পরই এমন অভিযোগ ওঠে।

লেখক ও স্থপতি শাকুর মজিদের অভিযোগ সংশ্লিস্ট কর্মকর্তারাই অর্থের বিনিময়ে নকশা লঙ্ঘন করে গড়ে ওঠা এসব ভবনকে অনুমোদন দেন।

বৃহস্পতিবারের অগ্নিকান্ডের পর শাকুর মজিদ ফেসবুকে লিখেন-

আমাদের একটা ১০ তলার উপরের বিন্ডিং এর প্ল্যান পাস করাতে পরিবেশ, ফায়ার ফাইটিং সহ ১৩ টা দপ্তরের অনুমোদন লাগে। প্ল্যান পাস করাতে এই বিভাগের সবাই টাকা খায়। টাকা না দিলে প্ল্যান পাস করে না। পরে বিল্ডিং হবার পর এই বিভাগের দায়িত্ব থাকে, প্ল্যান অনুযায়ী বিল্ডিং হলো কী না তা দেখে সার্টিফিকেট দেয়া। এই সার্টিফিকেট পেলে ইউটিলিটি কানেকশন হবে, না হলে হবে না। কিন্তু রাজউক, পরিবেশ, সিভিল এভিয়েশন, ফায়ার ফাইটিং, এই বিভাগের লোকেরা টাকা খেয়ে ইউটিলিটি কানকশন দিয়ে দে। ৯ তালার উপরের দালানে ফায়ার এস্কেপ সিড়ি থাকতেই হয়। প্ল্যানে তাই থাকে। দালান বানানোর পর তা কেন থাকে না, এবং এটা না থাকার কারনে তারা কেন ইউটিলিটি কানেকশন দিল তার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। এই ব্যবস্থা অতি দ্রুত নেয়া হোক। ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি দিয়ে কোন কাজ হবে না। তদন্তকারিদেরও কেনা যায় অল্প টাকায়। এর জন্য সাধারনদের মধ্য থেকে লোক নিয়ে কমিটি হোক। সরসের মধ্যে ভূত থাকলে ভূত সরবে না।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত