মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯ ইং

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক

০২ এপ্রিল, ২০১৯ ১৯:০৬

মোকাব্বির কেন হুদা স্বার্থ বলি দিবেন?

বারবার মত পরিবর্তনের পর অবশেষে মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন সিলেট-২ আসনের গণফোরাম থেকে নির্বাচিত সাংসদ মোকাব্বির খান। তাঁর শপথ নিয়ে চলছে নানামূখী আলোচনা। শপথ নেওয়ায় নিজের দল গণফোরাম আর জোটের শরীকদলগুলো মোকাব্বির খানের বিরুদ্ধে প্রতারণারও অভিযোগ এনেছে।

মোক্কাবির খানের শপথ নিয়ে মঙ্গলবার লেখক ও সাংবাদিক আরিফ জেবতিক ফেসবুকে লিখেন-

সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগের ২টা গ্রুপই শক্তিশালী এবং একেবারে উঁচু মহলে তাঁদের প্রভাব আছে। দুটো গ্রুপই 'আমারে নমিনেশন না দিলেও ঐ গ্রুপে দেয়া যাবে না'- এরকম কঠোর অবস্থানে থাকে। তাই এই আসনটি আওয়ামী লীগ ব্যালেন্স করা শুরু করেছে। তাঁরা নিজেদের প্রার্থী না দিয়ে এটা জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়, এতে করে দুই গ্রুপই শান্ত থাকে। অন্যদিকে এই আসনে বিএনপি গড়ে উঠেছিল ইলিয়াস আলীর একক চেষ্টায়, সুতরাং ইলিয়াস আলী এবং তাঁর পরিবারের প্রতি দুর্বল মানুষের এখানে অভাব নেই। একদিকে আওয়ামী লীগের নিষ্ক্রিয়তা অন্যদিকে ইলিয়াস আলী নিখোঁজের ইমোশন-এই দুই সুযোগে এখানে মোকাব্বির খান একেবারেই ঘটনাচক্রের এমপি। সত্যিকারের নির্বাচন হলে মোকাব্বির এখানে দুইশ ভোট পেতেন কী না আমার সন্দেহ আছে।

সুতরাং পড়ে পাওয়া এই চৌদ্দ আনায় মোকাব্বির খান এমপি হিসেবে শপথ নিয়ে নিজেরটা ভালোই বুঝেছেন। ৫ বছর সুযোগ সুবিধা আর নানাবিধ ভাতা, ভিআইপি মর্যাদা, রাজউকের গ্যারান্টিড প্লট, করমুক্ত গাড়ি এসব তিনি একেবারেই ফাও পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, সেটা বাদ দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হতো না।

দিন শেষে পলিটিক্স সবাই নিজের স্বার্থের জন্যই করে, মোকাব্বির কেন হুদা স্বার্থ বলি দিবেন? তিনি তো জীবনে এর চাইতে ভালো সুযোগ আর পাবেন না। আগামীর কোনো নির্বাচনেই তার কোনো সুযোগ নেই। ওয়ানটাইম সুযোগটা কাজে লাগানোই তাই বুদ্ধিমানের কাজ হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত