রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ইং

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:১৩

শোক দিবসে শাবি প্রক্টরের হাসিমাখা ছবি, সমালোচনা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের সময় সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জহীর উদ্দিন আহমদের হাসিমাখা ছবি নিয়ে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৫ অগাস্ট সকাল থেকে ক্যাম্পাসে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন বিভাগসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন। এসময় ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ ও কর্মচারীদের সাথে আলাদা আলাদা তিন গ্রুপের সাথে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের সময় প্রক্টর জহীর উদ্দিন আহমেদেকে হাসিমুখে ম্যুরালের সামনে ছবি তুলতে দেখা যায়।

ঈদ-উল-আযহার ছুটি শেষে ১৮ অগাস্ট ক্যাম্পাস খোলার পর প্রক্টরের এমন হাসিমাখা ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

প্রক্টর জহীর উদ্দিন আহমেদ ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তচিন্তা চর্চায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষকদের প্যানেলের’ সাথে শিক্ষক রাজনীতি করে আসছেন।

মুহিবুর রহমান মুহিব নামে একজন তার ফেসবুক ওয়ালে লেখেন, “প্রক্টর মুখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দেখান। কিন্তু তিনি বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কি আসলেই ধারণ করেন?? ধারণ করলে কীভাবে জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে দাঁত কেলিয়ে হাসেন??

অনুজ কান্তি দাস নামে সিলেট মহনগর ছাত্রলীগের সাবেক এক সদস্য তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন, “হাসি আনন্দে জাতীয় শোক দিবস পালনে তারাই শ্রেষ্ঠ। লজ্জা থাকা দরকার। ”

ধীমান চন্দ নামে একজন ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ’ নামে ফেসবুক গ্রুপে লেখেন, “১৫ অগাস্ট জাতীয় শোক দিবস। ফুল দিতে গিয়ে শাবি প্রক্টর হাসছেন। আমার মনে হয় না তিনি পড়াশোনা করে শিক্ষক হইসেন।”

ছাত্রলীগ নেত্রকোনা জেলা শাখার এক সদস্য লিখেছেন, “তিনি শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের সামনে গিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসছেন। মনে হচ্ছে এটা কোন বিয়ের অনুষ্ঠান।”

এ ব্যাপারে প্রক্টর জহীর উদ্দিন আহমেদের বক্তব্য নিতে তাকে ফোন দেয়া হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত