আজ শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ছাত্রী হল ও সান্ধ্য আইন

আজমিনা আফরিন তোড়া  

কথা হচ্ছিলো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসে, নারী জাতির একাল সেকাল নিয়ে। নারী জাতের উন্নতি বিকাশ আর গৃহবন্দী হবার গল্প নিয়ে। আমাদের কাছে যা গল্প, ইতিহাসে তা বাস্তব। মানুষ যাযাবর জীবন ছেড়ে কৃষি নির্ভর সমাজ ব্যবস্থা দাঁড় করালো। একটা সময় ব্যক্তি মালিকানার ব্যাপার-স্যাপার চলে আসল। তখন থেকেই মূলত সম্পদ ও সম্পত্তির উত্তরধিকারের লালন-পালনের সুবিধার্থে আমাদের এই উপমহাদেশে শুরু হল নারীকে ঘরের ভেতর রাখার চেষ্টা। নারীর প্রধান কাজ গৃহকর্ম , সন্তান উৎপাদন আর লালন-পালন, এটাই এক সময় হয়ে উঠলো লোকসমাজের ধারণা।

 মানুষ প্রাণীটা জন্ম সূত্রে স্বাধীন। তাকে নতুন করে স্বাধীনতা দেবার কিছু নেই, হোক সে নারী আর পুরুষ। তবু এখানে মায়েদের পর্দার আড়ালে রাখা হয় কখনো জোরপূর্বক, কখনো বা নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে। এই অপচেষ্টা কেবল সমাজের সাধারণ স্তরেই চলে না, চলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মত জায়গাগুলিতেও যেখানে কিনা দেশের সর্বোচ্চ বুদ্ধিজীবীদের বসবাস।  

সান্ধ্য আইন। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হল সম্পর্কে ন্যুনতম ধারণা রাখেন তারা এই সান্ধ্য আইন কি তা বলতে পারবেন। এই সান্ধ্য আইন হল ছাত্রীদের হলে প্রবেশ করার লাস্ট লিমিট। বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে এই আইনের সময় সীমা আবার ভিন্ন। কোথাও রাত ৯ টা, কোথাও ১০, কোথাও বা সন্ধ্যা ৭.৩০।শীতকাল আসলে এই নিয়ম আবার হেরফের হয়। সময় এগিয়ে সূর্য ডুবলেই মুরগী ঘরে তোলার মত করে হলে তোলা হয় মেয়েদের।  বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী যে কিনা নিজের ভালো মন্দ খুব ভালোভাবেই বোঝেন তাকে ঢুকতে হয় প্রশাসনের মেপে দেয়া, নির্ধারণ করে দেয়া একটা নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর। একবার হলে ঢুকে গেলে কোন ছাত্রীই প্রয়োজনে ,অপ্রয়োজনে হল থেকে বের হতে পারবেন না। এই ই হল সেই সান্ধ্য আইন।

আমার সময় মেপে দেয়া, আমার আকাশের সীমানা মেপে দেয়া। যেন আমার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর আকাশ দেখতে মানা, টং এর চা খেতে খেতে খেতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়া মানা, প্রয়োজনীয়- অপ্রয়োজনীয় কাজে বাইরে থাকা মানা। কোন দিন যদি ভুলে ভালে দেরী হয়েও যায় তবে গায়ে জ্বালা ধরানো অপমান সহ্য করতে হবে, কখনো হলের গার্ডের, কখনোবা প্রক্টোরিয়াল বডির। একজন স্নাতক শ্রেণীর ছাত্রীর সাথে কোন ভাষায় কথা বলতে হয় তা অর্ধ শিক্ষিত গার্ডদের সাথে সাথে আমাদের মহামান্য শিক্ষকরাও যেন ভুলে যান কেবল বোধহয় নারী হবার অপরাধে।

অবাক করা কথা হল আমাদের সমাজ,পরিবার এমন কি ওই হলে থাকা শতকরা ৭০ জন মেয়ের  এই সান্ধ্য আইন নিয়ে কিছু বলার নেই। যেন মেয়েরা সন্ধ্যায় সন্ধ্যায় ঘরে ফেরার বস্তু। না ফিরলেই যেন ব্যাতিক্রম, যেন পাপ হয়ে যাবে! কই, ছাত্র হলে তো এমন ভাবে নির্দিষ্ট সময় মেপে দেয়া হয় না! মেয়েদের নিরাপত্তার কথা বলে বলে ঘরে ঢোকানো হয়। যেন ছেলেরা খুব নিরাপদ এই জনপদে। অথচ নগণ্য এই আমার কানে তো প্রতিনিয়তই ছিনতাই এর ঘটনা কানে আসে যা কিনা ছেলেদের সাথেই ঘটে। মেয়েদের নিরাপত্তা জরুরি হলে কেন কর্তৃপক্ষ ছেলেদের নিরাপত্তার দিকেও সুনজর দেন না? কেন তারা ছেলেদের  সাড়ে সাতটায় হলে ফিরতে বলেন না। কেন তাদের হলের দরজা সারা রাত খোলা থাকে!  অধিকার যদি সমান ই হবে তবে ছাত্রদের ক্ষেত্রে কেন তারা দরদ অনুভব করেন না? তবে কি তাদের সোনার ছেলেদের কথা তারা আদতেই ভাবেন না! না ভেবে থাকলে তো বৈষম্য করা হয়ে গেলো! মেয়েদের জোরপূর্বক হলে ঢোকানোর চাইতে ভাববার সবচেয়ে জরুরী বিষয় হল সায়ত্বশাসিত বিশ্ববিদ্যলয়ের মাটিতে এমন জায়গায়ই কেন থাকবে যেখানে ছাত্রছাত্রীরা অনিরাপদ!    

যে কোন নীতি, হোক তা রাষ্ট্র,সমাজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের, নির্ধারণ করা হয় জনগণের কল্যাণে। সান্ধ্য আইন থাকায় ছাত্রীদের কি কল্যাণ বয়ে আনে, আর ছাত্রদের কি অকল্যাণ হয় তা আমার জ্ঞানীগুণী শিক্ষকরাই ভালো বলতে পারবেন।  

সেই শিশু বয়স থেকেই মেয়েদের শেখানো হয় তাদের নির্ধারিত সীমানা। পুরুষের সাথে ভিন্ন পোশাক, ভিন্ন খেলনা, এমন কি উপাসনার জায়গা পর্যন্ত ভিন্ন করে দেয়া হয়। এমন কি পাঠ্য পুস্তক পর্যন্ত আলাদা। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে মেয়েদের গার্হস্থ্য শিক্ষা আর ছেলেদের জন্য কৃষি শিক্ষা। যদিও কোন কোন স্কুলে মেয়েদেরও কৃষি শিক্ষা পড়ানো হয়, তাও তা কেবল গার্হস্থ্য বিজ্ঞান পড়ানোর শিক্ষকের অভাব থেকে। তবে ভুল করেও কোন স্কুলে ছেলেদের সিলেবাসে গার্হস্থ্য পড়ানো হয় না। যেন গার্হস্থ্য, মানে গৃহ কর্ম ব্যাপারটা মেয়েদের একলার কর্ম! শিশু বয়স থেকেই মেয়েদের বোঝানো হয়, “তুমি আলাদা, দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক”। আর ছেলেদের শেখানো হয় তাদের শ্রেষ্ঠত্ব। কিশোর বয়সের মাঝেই ছেলেরা রপ্ত করে ফেলে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের অভিনব কায়দা। একই সাথে মেয়েদের শেখানো হয় কত প্রকারে নিজেকে গুটিয়ে রাখতে হয়। সে শিক্ষা কেবল পরিবারেই চলে না, বিদ্যালয়ের গন্ডি থেকে পাঠ্যপুস্তকের পাতায় পর্যন্ত এ শিক্ষা দেয়া হয়।

উদাহরণ স্বরূপ এনসিটিবি কর্তৃক প্রকাশিত অষ্টম শ্রেণীর গার্হস্থ্য বই থেকে  কয়েক টি লাইন হুবহু তুলে দিচ্ছি-
যৌন নিপীড়ন থেকে নিজেকে রক্ষার উপায়-
১. বাড়িতে কখনোই একা না থাকা
২. অন্যকে আকর্ষণ করে এমন পোশাক না পরা
৩. পরিচিত কিংবা অপরিচিত ব্যাক্তি গায়ে হত দিলে তাকে এড়িয়ে চলা বা পরিত্যাগ করা
৪. মন্দ স্পর্শ টের পেলে তা সাথে সাথে বাবা মা কে জানানো
৫. পাড়ার বখাটে দলের হয়রানিতে সরাসরি প্রতিক্রিয়া না করে কৌশলে উপেক্ষা করা।
যেমনঃ জুতা দেখানো, চড় দেখানো ,গাল মন্দ না করে বুদ্ধির সাথে পরিস্থিতি সামলানো।

কি হাস্যকর সমাজ আমাদের! কি বিশাল জ্ঞানী গুণী মানুষেরা ভাবছেন আদতে এভাবেই যৌন নিপীড়ন এড়ানো সম্ভব এবং উচিৎ। তারা ভুলেই গেছেন তনু আর রূপার কথা যাদের কিনা পোশাক ছিলো সমাজের চোখে খুবই শালীন। যেখানে কিনা টিজিংয়ের শিকার হওয়ার সাথে সাথে প্রতিবাদ করার কথা শেখানো উচিৎ সেখানে আমরা আমাদের সন্তানদের শেখাচ্ছি চুপ করে থাকা, কৌশল অবলম্বন করা। কেউ গায়ে হাত দিলে তার শাস্তির ব্যবস্থা না করে কেবল এড়িয়ে চলা। ধর্ষকামীকে নারীর প্রতি সহানুভূতিশীল করে না তুলে, মেয়ে নয়- মানুষ হিসেবে পরিচিত না করিয়ে বরং নারীকেই শেখানো হচ্ছে তোমার পোশাক ভুল, তোমার চলা ফেরা ভুল,পিঠ সোজা করে হাঁটা ভুল। দুঃখের কথা হল এই বইটি রচনা করেছেন  ৬ জন নারী এবং সম্পাদনা করেছেন আরো ২ জন নারী যারা কিনা সকলেই তথাকথিত উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত সার্টিফিকেটধারী। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ নারীর মজ্জাতেও এমন ভাবে ঢুকে গেছে নারী নিজেই পাঠ্য বইয়ের পাতায়ও হিতাহিত বোধ হারিয়ে ফেলেছেন। অথচ পুরুষ হিসেবে নারীকে কি করে সম্মান করতে হবে, কি করে মানুষ হিসেবে কাঁধে কাধ মিলিয়ে চলতে হবে, আশে পাশের কোন নারীকে লাঞ্ছিত হতে দেখলে তৎক্ষনাৎ কি পদক্ষেপ নিতে হবে তা নিয়ে পাঠ্য পুস্তকে তো কোন পাঠ নেই! বাস্তব জীবনেও আমার ছেলে সন্তানটিকে আমরা তা ক’জনই বা শেখাই।

শৈশব , কৈশোর পেরিয়ে যেই বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারত বাস্তব অর্থেই মুক্ত চিন্তার জায়গা সেখানেও কি না আমাদের বেঁধে ফেলা হচ্ছে সান্ধ্য আইনের জালে, নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে। দেশের মোট ৩৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের  কেবল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এই সান্ধ্য আইন প্রথা থেকে বেরিয়ে আসতে  পেরেছে। বেরিয়ে আসার পথ টা সহজ ছিলো না। যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে কিনা শততম ধর্ষণ উদযাপন করা হয় মহা আড়ম্বরে, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরাই কি না রীতিমত আন্দোলন করে বন্ধ করে এই সান্ধ্য আইন নামের প্রহসন। যে ক্যাম্পাসে একজন ধর্ষক উন্মুক্তভাবে ধর্ষণকে রীতিমত উৎসব ভেবে উদযাপন করে, একজন মেয়ের কাছে এর চেয়ে অনিরাপদ স্থান আর কি-ই বা হতে পারে! তবুও সেখানে দিন বদলেছে, ছাত্রী হলের গেট সেখানে এখন সারা রাত উন্মুক্ত থাকে। যার যখন খুশী হলের বাইরে বা ভেতরে আসা যাওয়া করতে পারে এবং তাতে করে ছাত্রীদের নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যাই হয় না। অথচ শহর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন প্রচুর গাছপালা আর জংলায় ঘেরা  একটা জায়গা, যেখানে কি না নিত্য নতুন অপকর্ম হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। অথচ তাদের প্রশাসন কি শক্ত হাতেই না তা সামাল দিচ্ছে। বুঝি না, কেন জ্ঞানী মাথায় এটা ঢোকে না যে- সন্ধ্যায় খেদিয়ে সব মেয়েকে হলে ঢোকালে ক্যাম্পাস হবে জনমানব শূণ্য, আর তাতেই ঘটবে নিরাপত্তাজনিত সমস্যা। জনবহুল রাস্তার চাইতে নির্জন সুনসান রাস্তাতেই অপকর্ম ঘটে ঢের বেশী।

আরো একটা ব্যাপার উল্লেখ করা জরুরী বলে মনে করছি। সিলেটে অবস্থিত শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৯২ এর দিক থেকে। তো বিশ্ববিদ্যালয় যখন চালু হল, দেখা গেলো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েরা নিত্য প্রয়োজনে পাশের এলাকা মদিনা মার্কেটে যায় বাজার করতে। কিন্তু ওই সময় এই এলাকার কিছু গোড়া লোকের কাছে এ এক নতুন দৃশ্য। এবং তাদের মতে মেয়েরা ঘরে থাকার জিনিস, বাইরে ঘোরাঘুরি করার নয়। তারা এই ঘটনার বিরোধিতা করত মেয়েদের গায়ে থুতু ছিটিয়ে, অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিত আর নাউযুবিল্লাহ, আসতাগফিরুল্লাহ বলতে থাকত। অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনা সত্য। অথচ আজ এসে সেই মদিনা মার্কেট এলাকায় রাত ১১ টাতেও মেয়েদের বাজার করতে দেখা যায়। যদি সেদিনকার মেয়েরা দমে গিয়ে ঘরে বসে থাকত তবে কিন্তু আজকের এ পরিবর্তন আসত না! পরিস্থিতি মেনে না নিয়ে নিজ অবস্থানে থেকে বৃ্দ্ধাঙুলি দেখানোর ফলেই আজ অবস্থার এ পরিবর্তন। সবটাই আসলে অভ্যাস আর অভ্যস্ততার ব্যাপার। লোক কটু কথা বলবে বলে, ছিনতাই হবে বলে ঘরের কোণার বসে থাকা কোন সমাধানের কাজ হতে পারে না। বরং সমাজকে অভ্যস্ত করতে হবে পুরুষদের মত মেয়েরাও অনায়াসেই রাত বিরাতে ঘরের বাইরে থাকতে পারে, এই ঘটনায়। আর সমাজের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হবার কারণে আমাদের উপরই এই দায়িত্ব বর্তায় বলে মনে করি।

অতএব প্রিয় প্রশাসন, প্রয়োজনে নিরাপত্তা কর্মী সংখ্যা বাড়ান। এবং মেয়েদের হলে তোলার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করুন। শাসন করলেও করুন পিতার মত,কাঠগড়ার আসামীর মত নয়।

আজমিনা আফরিন তোড়া, সাবেক শিক্ষার্থী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০৬ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৭ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১২৪ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ