আজ শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ইং

আগে আদর্শগত অবস্থান

ইমতিয়াজ মাহমুদ  

ধনী দরিদ্রের ব্যবধান, বিত্তবানের হাতে দিনে দিনে আরও বেশি বিত্ত জমা হওয়া এসব নিয়ে সম্প্রতি কিছু নাটকীয় পরিসংখ্যান আপনারা দেখেছেন। এ নিয়ে আমার বন্ধুদের অনেকের আচার ধরণের সুস্বাদু মশলাদার মন্তব্যও দেখেছি এখানে সেখানে। কেবল ফেসবুক গণমাধ্যম এসবে না, সামনাসামনিও শুনেছি অনেকের কথা। আমি বিশেষ কিছু বলি না, কেননা এসব পরিসংখ্যান নয়া দেখতে পাচ্ছি বটে, কিন্তু পরিণতি যে এইরকম হবে, অর্থনীতি যে এখানে এসে ঠেকবে সেকথা কি আমরা আগে থেকেই জানতাম না? জানতাম তো। অল্প স্বল্প যা কিছু বইপত্র প্যাম্ফলেট লিফলেট ইত্যাদি পড়েছি তাতে তো টাই জানতাম। এখন পরিণতি সামনে আসছে মাত্র।

আমার কাছে বরং হাসি পায় যেটা দেখে সেটা হচ্ছে যে আমাদের সাথে যারা রাজনীতি করতেন একসময় এদের অবস্থা দেখে। আমি তো দেখেছি আমার চেয়ে বেশি পড়াশুনা করা, কড়া বিপ্লবী, কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি পড়িয়েছেন এইরকম বিশাল পণ্ডিতরাও কী সকরুণ মূর্খতার সাথে নিজের বিদ্যাটুকুও গুলে খেয়ে আওয়ামী লীগের পেছনে লেজুড় হয়ে দাঁড়িয়েছে গত কয়েক বছরে। আমার এইসব সাবেক নেতাদেরকে দেখলে আমার মনে বিস্ময় জাগে- বন্ধুরা, আপনারা এখনো কী মোহে, কী আকাঙ্ক্ষায় 'বিকল্প নাই' 'মন্দের ভালো' ইত্যাদি বলে মুখে ফেনা তুলছেন?

ধনী আরও ধনী হওয়া, জাতীয় অর্থনীতির যতটুকু বৃদ্ধি সেটা কিছু বিত্তবান আর তাঁদের উচ্ছিষ্টভোজী স্তাবক সেবাদাস আমলার হাতে জোর হওয়া আর আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থন বা তাদের সাথে মিত্রতার সম্পর্ক কী? তরুণ বন্ধুরা, আপনাদের জন্যে এটা একটু বুঝা দরকার। কেননা আপনারা দেখবেন যে কিছুসংখ্যক সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতাকর্মী আওয়ামী লীগ নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা অস্পষ্ট কথাবার্তা নিয়ে আপনাদের সামনে আসবে, কিছু পেরিফেরিয়াল রাজনৈতিক আচরণ বা ইস্যুভিত্তিক অবস্থান নিয়ে প্যাঁচ মারা ধরনের কথা বলবে, তারপর বলবে যে আওয়ামী লীগের সাথে মৈত্রী বজায় রাখাটাই নাকি সঠিক রাজনৈতিক লাইন।

আবার আরেকদল আসবে চীনপন্থি, সাবেক চীনপন্থি, ভাসানিপন্থী আর রাজাকার ও জাসদ টাইপের কথা নিয়ে- যে কোন অবস্থাতেই আওয়ামী লীগ ও ভারতের বিরোধিতা করতে হবে। ওদের কথা হচ্ছে যে কেবল আজকে আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করলেই হবে না, অতীতে আওয়ামী লীগের সাথে মিত্রতা সেটাকেও ভুল বলতে হবে। অতীতের সকল অর্জনকেও সমালোচনা করতে হবে ইত্যাদি। এই সূত্রটা অনেকে স্বাধীনতা পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় এবং আমাদের অর্জনকে নানাভাবে খাটো করে দেখাতে চায়।


এরা দুই দলই ভুল। কেন ওদের দুই দলকেই ভুল বলছি সে কথা সংক্ষেপে বলছি। মুল লাইনটা আগে বলে নিই। ১৯৯৬-এর আগে পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাথে আমাদের ঐক্য ও মিত্রতা সেটা ঠিক ছিল, পলিসি বা নীতির কথাই বলছি, ১৯৯৬ পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু ১৯৯৬-এর কিছুদিন আগে আগে আওয়ামী লীগ ও নীতি পরিবর্তন করে বাজার অর্থনীতি ও সাম্প্রদায়িকতার পক্ষে নৈতিক অবস্থান গ্রহণ করে। সুতরাং এর পরে আওয়ামী লীগের সাথে আর আপনার নৈতিক মিত্রতা থাকতে পারে না।

স্বাধীনতার প্রশ্নে এবং স্বাধীনতার পর পর আওয়ামী লীগের সাথে আমাদের মৈত্রীর কারণ কী? এটা আগে ভালোভাবে জানুন। তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি ও অন্যান্য অনেক দেশেরই কমিউনিস্ট ও সোশ্যালিস্ট পার্টিগুলি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কিছু জাতীয়তাবাদী নেতা ও দলের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ কী? কারণটা ছিল সদ্যস্বাধীন ও নতুন অর্থনীতিগুলি যেন বাজার অর্থনীতির পথে না যায় বা ঐসব অর্থনীতি যেন তথাকথিত বাজারের অদৃশ্য হাতের নিয়ন্ত্রণে চলে না যায় সেটা নিশ্চিত করা। আমাদের এখানে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর দল আওয়ামী লীগের পথও ঐটাই ছিল- দেশের অর্থনীতি বাজারের অদৃশ্য হাতে ছেড়ে না দেওয়া।

বাজার অর্থনীতির সমস্যাটা কী? বাজারের অদৃশ্য হাত অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে এর মধ্যে দোষের কী আছে? এর মধ্যে দোষটা হচ্ছে যে একটি অবিকশিত নয়া অর্থনীতিকে বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়া মানে আসলে সাম্রাজ্যবাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া। এর ফলে দেশে ছোট একটা ধনী গোষ্ঠীর বিকাশ হয়তো হবে, একটা মধ্যবিত্ত কনজুমার গোষ্ঠীও গড়ে উঠবে, কিন্তু দরিদ্র আরও দরিদ্র হবে। আর আপনার অর্থনীতির চালিকাশক্তি বা নিয়ন্ত্রণ কখনই আপনার নিজের হাতে থাকবে না।


তাহলে উপায় কী? সদ্য স্বাধীন একটা দরিদ্র দেশের তো পুঁজি থাকে না, শিল্প কারখানা থাকে না, কৃষিও অনেক সময়ই থাকে অবিকশিত অবস্থায়। এইরকম একটা অর্থনীতিকে আপনি সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে বা আন্তর্জাতিক পুঁজির নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ থেকেও মুক্ত রাখবেন আবার সেই সাথে ধনী দরিদ্রের ব্যবধানও বাড়তে দেবেন না, আবার বিকাশও করবেন এটা কি সম্ভব? হ্যাঁ, এটা সম্ভব। বিকাশের অপুঁজিবাদি ধারা একটা আছে- এটা ঠিক সমাজতন্ত্র নয় বটে, কিন্তু পরিকল্পিত অর্থনীতি- যেখানে বাজারের উপর রাষ্ট্রের কিছু নিয়ন্ত্রণ থাকে আর বাজারে সরকারি সেক্টরের উপস্থিতিও থাকে।

আপনাদের মনে থাকবার কথা, বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার আগে থেকেই এ পথেই থাকার নীতি গ্রহণ করেছিল। স্বাধীনতার পরেও একই নীতিতেই ছিল। ফলে আমাদের দেশের কমিউনিস্ট ও সমাজতন্ত্রী মুল দলগুলি আওয়ামী লীগের মিত্র হয়েছিল। সে পথে দেশের বিকাশ কেন হয়নি, সে পথে ঠিকঠাক মতো চেষ্টাটা হয়েছিল কিনা, সরকারের কী কী ভ্রান্তি ছিল এসব আলোচনা এখানে করছি না- এখানে শুধু আমি আওয়ামী লীগের সাথে তখনকার কমিউনিস্ট ও সমাজতন্ত্রীদের মৈত্রীর নৈতিক ভিত্তিটা বলছি।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পৃথিবীর অনেক লেফট লিবারেল জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলই ওদের নীতি পরিবর্তন করে। ব্রিটেনের লেবার পার্টিও ৯২-৯৩ সনের দিকে বাজার অর্থনীতির নীতি গ্রহণ করে। সেইসময় আমাদের দেশে আওয়ামী লীগও ওদের পুরনো নীতি পালটে বাজার অর্থনীতির নীতি গ্রহণ করে। আওয়ামী লীগ সংশোধনগুলি কোন বছর করেছিল সেটা ভুলে গেছি, তবে ১৯৯৬ সনের নির্বাচনে ওরা এই নীতি নিয়েই নেমেছিল এবং সরকার গঠনের পড় ট্রেড লিবারালাইজ করা সহ বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল যেটা আমাদের দেশের আজকের অর্থনৈতিক নীতির ভিত্তি। এই অর্থনৈতিক নীতির প্রশ্নে কিন্তু আওয়ামী লীগ আর জামায়াত আর বিএনপি এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই।


তাহলে ১৯৯৬ সনের পরে আপনার কি আর আওয়ামী লীগের সাথে মৈত্রীর কোন সুযোগ আছে? আপনি যদি সমাজতন্ত্র চান, বৈষম্যমুক্ত সমাজ চান, সেক্যুলার হয়ে থাকেন তাইলে কি আপনার পক্ষে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করার কোন সুযোগ আছে? না, নাই। আমি তো এটাও বলবো যে আপনি যদি শুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নীতির পথেও চলতে চান, তাইলেও আদর্শগতভাবে আর আপনার পক্ষে আওয়ামী লীগ সমর্থন সম্ভব না। কোন কোন ইস্যুতে ঐক্য হতে পারে, কিন্তু আদর্শগত ঐক্য, সে কী করে হবে?

হ্যাঁ, আপনি নীতি পরিবর্তন করে ওরা যেটাকে বাজার অর্থনীতি বলে সেটা গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু সেটা যে দেশের জন্যে ভালো হচ্ছে না সে তো দেখতেই পাচ্ছেন। কারণ তাইলে আপনার নিজের নিয়ন্ত্রণে নিজের অর্থনীতি থাকবে না, দেশি পুঁজিরও বিকাশ হবে না, লুটপাটের মচ্ছব হবে আর দুর্নীতি হবে। এটা তো এখন দৃশ্যমান। ধনী আরও ধনী হবে, দরিদ্রের হাল আরও খারাপ হবে। আপনাদের মধ্যবিত্ত যারা কিছু লোক লুটেরাদের উচ্ছিষ্ট পাবে, ওরা নিজেরা কিছুদিন আরামে থাকবে। কিন্তু বেকারত্ব বাড়বে, পাবলিক ফাইনান্সে কোন ভারসাম্য থাকবে না। ফলে কিছুদিনের মধ্যেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় হবে। মরবেন সকলে।

বাংলাদেশের আর ইন্ডিয়ার পরিসংখ্যান তো দেখছেনই কদিন ধরে। আরও দেখবেন। অতীত থেকে একটা উদাহরণ দিই। চিলি। আলেন্দেকে হত্যা করে মিলিটারিরা ক্ষমতা নেয়, পিনোশের স্বৈরাচার চলেছে অনেকদিন। আলেন্দের অপুঁজিবাদি নীতির বদলে পিনোশে লিবারেল বাজার অর্থনীতি গ্রহণ করে। মিলতন ফ্রিডম্যানের চ্যালারা, শিকাগো স্কুল বলতো ওদেরকে, ওদের পরামর্শ গ্রহণ করে পিনোশে। ফলাফল ছিল কি জানেন? চিলি প্রথম দিকে খুব 'উন্নয়ন' করে, আমাদের এখানে এখন যা হচ্ছে সেরকম। বিশ বছর পরই দেখা গেল চিলি পড়েছে এক বিশাল গাড্ডায়- তিরিশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছিল চিলিতে।


আমি সংক্ষেপে বলছি- কেন বলছি এইসব কথা? তরুণ বন্ধুরা আপনাদের মধ্যে যারা পড়াশুনা করেন চিন্তাভাবনা করেন, আপনারা একটু বিস্তারিত পড়ে দেখেন। আমরা যারা বুড়ো হয়ে গেছি, আমরা আপনাদেরকে ঐটুকু ধরিয়ে দিতে পারি, কিন্তু কেবল বুড়োদের অভিজ্ঞতায় আপনি সামনের বিপদ থেকে দেশকে রক্ষা করতে পারবেন না। আপনাদেরকেই একটা পথ বের করতে হবে। ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দেখেন, বেকারত্বের হার বাড়ছে প্রতিদিন, উচ্চশিক্ষিত ছেলেমেয়েদের চাকরী কমে আসছে। প্রতিবছর ২০ লাখের মতো মানুষ যুক্ত হচ্ছে শ্রম বাজারে। কীভাবে সামলাবেন? কোটা আন্দোলন বা ঐ ধরনের ফালতু জিনিস দিয়ে?

এসব করে একজনের জায়গায় আরেকজন চাকরী পাবেন- সমস্যার তো সমাধান হবে না, সামনের ভয়াবহ বিপর্যয় তো থাকতে পারবেন না। এজন্যে তরুণরা আগে আদর্শগত অবস্থানটা ঠিক করেন, সেখান থেকেই পথ বের হবে। আমি আশাবাদী, আমাদের তরুণরা ঠিকই আমাদের জন্যে পথ বের করে নিতে পারবে।

ইমতিয়াজ মাহমুদ, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ইমেইল: [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫১ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৫ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১১৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ