আজ বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ আর বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্ব

 প্রকাশিত : ২০১৭-১২-০৩ ১৫:৩৮:৪৯

লেখক : মোনাজ হক

৩ ডিসেম্বর ১৯৭১, এদিনে ভারত পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে ভারতীয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা'র উপস্থিতিতে পাকিস্তানি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল্লাহ খান নিয়াজী এক দলিলে দস্তখত করে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।

বিজয়ের মাস এই ডিসেম্বর। আনন্দ আর আবেগ দিয়ে ভরা মুক্তিযুদ্ধনামা লিখে স্মৃতিচারণ করে চলছে বাঙালিজাতি ৪৬ বছর ধরে। আমরা আনন্দে বিহ্বলিত হই স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পেরে, একই সাথে দুঃখে ভারাক্রান্ত হই ৩০ লক্ষ শহীদের কথা মনে করে। কিন্তু ভেবে দেখেছেন কি কখনো ১৬ ডিসেম্বর '৭১ এর পরে একমাত্র পতাকা ছাড়া বাঙালি জাতি আর কী পেয়েছে?
এই পর্যায়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপের অবস্থার কথা চিন্তা করুন, ১৯৪৫ এর পরে ধ্বংসস্তূপ থেকে এক এক করে কি করে আবার ইউরোপের দেশগুলো গড়ে উঠলো ৪ টি মিত্রশক্তির প্রত্যক্ষ প্রভাবে, এই মিত্রশক্তির দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং ফ্রান্স। একা কোনো দেশ করেনি, মিত্রশক্তি যেমন যুদ্ধ করেছে সমষ্টিগতভাবে তেমনি ইউরোপের বিনির্মাণ ও করেছে যৌথভাবে, তাতে ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যয়ভার ও মিত্রশক্তির প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হয়।

জুলাই ৭ থেকে আগস্ট ২, ১৯৪৫ পর্যন্ত পটসডাম কনফারেন্সে বিজয়ী শক্তিগুলো একত্র হয়েছিল। পটসডাম কনফারেন্সের যে সমস্ত চুক্তি গৃহীত হয়, যা অবশেষে ইউরোপের, বিশেষ করে জার্মানির, ভবিষ্যতকে নির্ধারণ করে। সেই কম্প্যারেটিভ আলোচনায় পরে আসছি আগে দেখে নেই ১৬ ডিসেম্বরে পর বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত বিজয় বাঙালিদেরকে কতটুকু দিয়েছে।

ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস, ৯ মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষের মাসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মিত্র শক্তি ভারত তার সশস্ত্র যুদ্ধ মুক্তিবাহিনীর সাথে একত্রে শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, এবং মাত্র ১৩ দিনের মধ্যেই শত্রুকে পরাজিত করেছিল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ ঘোষণার আগে ৮ মাস ধরে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছেন বিশ্বনেতাদের সাথে। ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক, লন্ডন, মস্কো, প্যারিস, পিকিং ছুটে বেড়িয়েছেন তিনি, তাদেরকে বর্ণনা করেছেন ১ কোটি শরণার্থীর ভারতে আশ্রয় এর কথা, পাকিস্তানি সৈন্যদের দ্বারা প্রতিদিন সংঘটিত বাঙালি হত্যাযজ্ঞ ও নারী ধর্ষণের কাহিনী।

ভারত পাকিস্তানের সাথে লড়াই শুরু করে ৩ ডিসেম্বরে, শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিক্সনের কাছ থেকে বাঙালিদের হত্যার বিরুদ্ধে সমর্থন ও সহানুভূতি লাভ করতে ব্যর্থ হন, তখন তিনি অবশেষে একটি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং ৯ আগস্ট তারিখে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে একটি 'শান্তি এবং সহযোগিতার চুক্তি' স্বাক্ষর করেন। সেই চুক্তির আওতায় সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের সিদ্ধান্তের পক্ষে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বার বার ভেটো দেয়। এমনকি ৩ ডিসেম্বরে ভারত পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করার পরে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি অধিবেশনে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন, ভারতকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয় তখন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন তার বিপরিতে ভেটো দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মিত্রশক্তির পরিচয় দিয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পটসডাম কনফারেন্স এরআগেও যুদ্ধ চলাকালীন সময়ই 'তেহরান কনফারেন্স' ২৮ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর, ১৯৪৩ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে স্তালিন, রুজভেল্ট এবং চার্চিল যুদ্ধ শেষে ইউরোপের পুনর্গঠন ও মিত্র শক্তির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন ও একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়াও যুদ্ধ শেষ হবার কিছু আগে 'জালটা কনফারেন্স' অনুষ্ঠিত হয় ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ সালে, তাতেও স্তালিন, রুজভেল্ট এবং চার্চিল একত্র হন। এখানে এই চুক্তিগুলো নিয়ে উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হলো এধরণের একটা বিশ্বযুদ্ধের পর যেখানে ১৬ মিলিয়ন মানুষ জীবন দিয়েছে পুরো ইউরোপকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে তখন কোন দেশের একার পক্ষে সম্ভব ছিলো না তা পুনর্নির্মাণ করা।

১৬ ডিসেম্বরের পরেই প্রকারান্তরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দায়িত্ব মুজিবনগর সরকারের হাতে চলে যায়। ২২ ডিসেম্বরে মুজিবনগরে সরকার, যারা সেসময় ভারতে থেকে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ, মন্ত্রী মনসুর আলী, এএইচএম কামরুজ্জামান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কর্নেল মো. মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী ঢাকা ফিরে এসেছেন।

২২ ডিসেম্বর মুজিবনগর সরকারের সকল সদস্য ঢাকায় ফিরে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন প্রথম মন্ত্রীসভা রদবদল করে মুস্তাককে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করেন, কারণ যুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় মুস্তাক তার পররাষ্ট্র সচিব মাহবুবুল আলম চাষীর মাধ্যমে ওয়াশিংটন দূতাবাসের প্রতিনিধিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা চালিয়ে যেতে বলেছিলে যেন পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ না করে একটি কনফেডারেটস রাষ্ট্রের সমঝোতা করা যায়, সে ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তাজউদ্দিনের সাথে তার সম্পর্ক ভালো ছিলো না। তাই প্রথমেই তিনি তাঁর মন্ত্রীসভার প্রয়োজনীয় রদবদল করলেন।

বঙ্গবন্ধু ফিরে এলেন পাকিস্তানের কারাগার থেকে লন্ডন হয়ে ঢাকায় ১০ জানুয়ারি, তারআগে কয়েক ঘন্টার জন্যে দিল্লিতে যাত্রা বিরতিতে ইন্দিরা গান্ধীকে বললেন, "কবে ফিরে নেবেন আপনার সৈন্য বাংলাদেশ থেকে"? ইন্দিরা গান্ধী জবাবে বলেছিলেন "আপনি যখন চাইবেন তখনি ফিরেয়ে আনা হবে"। যদিওবা বঙ্গবন্ধু জানতেন দেশটি ধূলিসাৎ করেছেন ৯ মাসে পাকিস্তানি বোমা, ৯৩ হাজার সৈন্য ভারতে যুদ্ধবন্দি আছে, ৩০ লক্ষ বাংলাদেশি শহীদের পরিবার কোনো ক্ষতিপূরণ পায়নি, যুদ্ধাপরাধীরা ওঁত পেতে আছে যে কোনো সময় আবার হত্যাযজ্ঞ চালাতে পারে।

কেমন ছিল সেদিনের বাংলাদেশ কী ঘটেছিল ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারির বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর? সেই ১৯৬৮ থেকেই ঢাকা ছিলো উত্তাল প্রতিবাদি এক শহর, ১১ দফার আন্দোলনের মাধ্যমে আইয়ুব খানকে ক্ষমতাচ্যুত করা, ৬৯ এর গণ আন্দোলন, ৭০এর নির্বাচন, যুদ্ধ শুরুর কিছুদিন আগেও ঢাকা শহর ছিল সভা-সমাবেশ ও মিছিলের শহর। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি দিনই ছিল ঘর ছেড়ে পথে নেমে আসার দিন। বাঙালিদের জীবনে ঘর এবং রাজপথ ওই দিনগুলোতে একই সুতোয় গাঁথা হয়ে গিয়েছিল। ঢাকার রাজপথগুলো তখন মানুষে মানুষে হয়ে উঠত উত্তাল প্রতিবাদের মেলা। সময়টা ছিল বাঙালিদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সন্ধিক্ষণ।

নেতা ফিরে এলেন, বিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশে ৯ মাসের কারাবাস থেকে। অর্থ নেই, খাদ্য নেই, কলকারখানা ধ্বংস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস, রাস্তাঘাট ধ্বংস, চিকিৎসাসেবা সীমিত, গণহত্যায় ৩০ লক্ষ প্রাণ দিয়েছে।

আবার ফিরে আসি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরবর্তী ইউরোপ দৃশ্যপটে, জুলাই ৭ থেকে আগস্ট ২, ১৯৪৫ পর্যন্ত পটসডাম কনফারেন্সে বিজয়ী শক্তিগুলো একত্র হয়েছিল। 'পটসডাম চুক্তি'টি চারটি মুল নীতিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল যা ভবিষ্যতে পরাজিত জার্মানিকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করলেও নতুন জার্মান জাতিকে শায়েস্তা করার জন্যে ব্যবহার করা হয়নি। জার্মানিকে দুভাগ করা হয়, সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রাশিয়ার নেতৃত্বে পূর্ব জার্মানি এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স এর নেতৃত্বে পশ্চিম জার্মানি।

৪ টি বছর সময় লেগেছিল অবকাঠামো বিনির্মাণ, অর্থনৈতিক সমাধান, নাৎসি হত্যাযজ্ঞের বিচার, ১৪ মিলিয়ন মানুষ যারা জীবন দিয়েছিল তাদের পরিবারবর্গের প্রত্যাবাসন করান, জার্মান রাষ্ট্র গঠনে ও পুর্বইউরোপের দেশগুলির অস্তিত্ব খুঁজে পেতে সহায়তা, যাতে বিপুল অর্থ আর লোকবল প্রয়োজন ছিলো। বঙ্গবন্ধু নিশ্চয়ই জানতেন এসব, কিন্তু তবুও কেনো মিত্রশক্তি (ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন) ছাড়াই ভঙুর বাংলাদেশটার অর্থনীতি, ভৌগলিক সীমারেখা, সৈন্যবিনিময়, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, রাজাকারদের বিচার, পাকিস্তানের সাথে দেনাপাওনার মীমাংসা ছাড়াই, এমনকি দেশের অন্যান্য যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দলের অংশগ্রহণ ছাড়াই বাংলাদেশটা এককভাবে পরিচালনা করার দায়িত্ব নিলেন? যুদ্ধপরবর্তী চুক্তি সমূহ যে কতটা জরুরি বিশেষ করে এই ধরণের বিশাল হত্যাকাণ্ডের পর তা আমরা এখন উপলব্ধি করছি।

'পটসডাম চুক্তি', 'তেহরান চুক্তি' 'জালটা চুক্তি' হয়েছে বলেই আজও তা কার্যকর, এইতো সেদিন পোল্যান্ড দাবি করে বসলো তাদেরকে এক ট্রিলিয়ন ডলার যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যেহেতু বাংলাদেশের সাথে মিত্রশক্তির (ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন) কোনো চুক্তি নেই কাজে কাজেই ক্ষতিপূরণের দাবি বাংলাদেশ এক হাজার বার করলেও তার কোনো গুরুত্ব নেই, অথচ ২৩ বছর পাকিস্তানের সাথে একই ব্যাংক ব্যবস্থা ও টাকশাল ছিল সেসময়ের পাকিস্তানের স্বর্ণ মজুতের পরিমাণ ছিল প্রায় একহাজার মেট্রিক টন রিজার্ভ ব্যাংকের টাকার হিসেবের অর্ধেক ও বাংলাদেশ পায়নি।

যদিওবা ১৬ ডিসেম্বরে পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণের দলিল তিন প্রস্থে প্রস্তুত করা হয়েছিল। একটি প্রস্থ ভারত সরকার এবং দ্বিতীয় প্রস্থ পাকিস্তান সরকারের নিকট সংরক্ষিত আছে। বাংলাদেশ সরকারের প্রাপ্য দলিলটি বাংলাদেশে নেই। শুধুমাত্র যে টেবিলে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছিল, শোনা যায় টেবিলটি নাকি ঢাকা ক্লাব থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল, সেই টেবিলটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ৩৭ সংখ্যক প্রদর্শনী কক্ষে সংরক্ষিত আছে। ওটাই একমাত্র বাংলাদেশের বিজয় দিবসের স্মারক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জাদুঘরে। আমার ছেলেমেয়েরা যখন তাদের মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে চায় তখন বলি ঐ তো টেবিলটা রয়েছে, এছাড়া আমরা আর তো কিছু পাইনি।

এব্যাপারে আমার আরও ২ খণ্ডের সমীক্ষা চলবে তাতে শিমলা চুক্তি, ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দি বিনিময় এবং বাংলাদেশ কতটুকু পেয়েছে ইত্যাদি আর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরবর্তী ইউরোপের সাথে মুক্তিযুদ্ধোত্তর ঘটনার কম্পারেটিভ সমীকরণ থাকবে।

মোনাজ হক, সম্পাদক, আজকের বাংলা, জার্মানি।

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ১৭ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ২৭ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৩৫ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান এনামুল হক এনাম ২৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৩ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩০ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান কাসমির রেজা খুরশীদ শাম্মী ১০ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৩ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৫৬ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ১৭ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ১৮ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩১ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৪ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ৭৭ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম মুহম্মদ জাফর ইকবাল ৮৮ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ৫৬ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম রাজেশ পাল ১৫ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৩ শাশ্বতী বিপ্লব শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৩ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৭ সাব্বির হোসাইন সাহাদুল সুহেদ

ফেসবুক পেইজ