আজ মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ইং

উপমহাদেশে নামকরণে ধর্ম ও অনুদার রাজনীতি

আলমগীর শাহরিয়ার  

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনেকেই ধীরে ধীরে দেশান্তরী হচ্ছেন। আগে পাড়ি দিতেন ইন্ডিয়ায়, এখন শিক্ষিত শ্রেণি রুট বদলে পাড়ি দিচ্ছেন ইউরোপ আমেরিকায়। পেছনে বাপ দাদার পৈত্রিক ভিটে মাটির সঙ্গে এদেশে কালের সাক্ষী হয়ে পড়ে থাকে তাদের ধর্ম, সংস্কৃতি ও জীবনাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ভূগোল বা অঞ্চলের নাম। আজকাল সেগুলোও সচেতনভাবে মুছে ফেলা হচ্ছে, নিশ্চিহ্ন করা হচ্ছে। ব্যক্তি জীবনে ধর্মের মর্মবাণী, নীতি ও নৈতিকতার চর্চা অবহেলিত থাকলেও ভিন ধর্মে বিদ্বেষ, হিন্দুয়ানি হুজুগ তোলে নামের ইসলামীকরণে আমাদের অঞ্চলে নব্য বাঙালি মুসলমানের মনোযোগে কোনো ঘাটতি নাই। বরং সকল সবল আগ্রহই লক্ষ্য করা যায়। অথচ কয়েক প্রজন্ম পূর্বেই এরা সকলে ধর্মান্তরিত হয়েছেন।

মক্কা ও মদিনায় হজরত মুহম্মদ (সা:)-এর নেতৃত্বে ইসলামের বিজয়ের পর পৌত্তলিক ধর্মাবলম্বীদের নাম বদলিয়ে ইসলামীকরণের নয়া কোনো তোড়জোড় আমরা দেখি না। কেননা, সচরাচর একটি জনপদে ধর্ম বদলাতে পারে, শাসক ও রাজনীতির বদল ঘটতে পারে। কিন্তু উপনিবেশের কিছু ব্যতিক্রম উদাহরণ বাদে ভাষা ও সংস্কৃতি সহজে বদলায় না। প্রজন্ম পরম্পরায় অব্যাহত থাকে।

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পীকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর পৈতৃক বাড়ি দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দুর্গাপাশা গ্রামে। গতবছর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের এক বন্ধুর পিতৃবিয়োগের খবর পেয়ে তার শোকার্ত পরিবারকে দেখতে যেয়ে জানলাম আমাদের ছোটবেলা থেকেই শোনা নাম দুর্গাপাশা গ্রামকে এখন দরগাপাশা হিসেবে ডাকা ও লেখা শুরু হয়েছে। অথচ পুরনো কাগজপত্রেও দুর্গাপাশাই লেখা আছে। আশেপাশের লোকমুখে এখনো দুর্গাপাশা ডাকই শোনা যায়। এভাবে নাটোরের সিংড়ায় ‘কালিগঞ্জ’ নামের এলাকাটি হয়ে গেছে আলিগঞ্জ। পিরোজপুরে ‘ইন্দুরকানি’ এখন জিয়ানগর। ঝিনাইদহের ‘কালিগঞ্জ’ স্টেশনের নাম বদলে হয়ে যায় মোবারকগঞ্জ। ‘জয়দেবপুর’ বদলে হয়ে যায় গাজীপুর। কুড়িগ্রামের রাজারহাটের ‘জগবন্ধু’ হয়ে যায় সেলিমনগর। লক্ষ্মীপুর জেলা সদরের ‘পোদ্দারহাট’ হয়ে যায় ইসলামগঞ্জ, ‘নাগেরহাট’ ইমামগঞ্জ। তৎকালীন পূর্ববঙ্গের শিক্ষা বিস্তারে প্রজাহিতৈষী হিন্দু জমিদার অপরিমেয় দানে গড়া মুরারি চাঁদ কলেজকে ডাকা হয় এমসি, ব্রজমোহনকে ডাকা হয় বিএম। ব্রিটিশ উপনিবেশের বাই প্রোডাক্ট হিসেবে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে যে বিভাজন, বিদ্বেষ বিষ ছড়িয়ে গেছে তা আজো আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে। বাংলাদেশের মত ধর্মের ছদ্মাবরণে ভারতেও ইতিহাস মুছে দেবার নানা সাম্প্রদায়িক সচেতন প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে।

সেখানে বিভিন্ন শহরের নাম গেরুয়াকরণের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। বরাক উপত্যকার দরগাকোণাকে রূপান্তর করা হয় দুর্গাকোণায়। দিল্লিতে আওরঙ্গজেব রোডের নাম পরিবর্তন এবং হরিয়ানায় গুরগাঁওয়ের পরিবর্তনের পর এবার আহমদাবাদ, হায়দ্রাবাদ, আওরঙ্গাবাদের মতো শহরের নাম পরিবর্তন করার দাবি তুলেছে হিন্দুত্ববাদী কট্টর সংগঠন আরএসএস। ইতোমধ্যে ভারতের ঐতিহাসিক এলাহাবাদ (আল্লাহবাদ) শহরের নাম পাল্টে দিয়েছে দেশটির উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের কট্টর ধর্মান্ধ বিজেপি সরকার। এখন এর নাম রাখা হয়েছে প্রয়াগরাজ। গত মঙ্গলবার(১৬ অক্টোবর) ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রস্তাব অনুযায়ী মুসলিম নাম এলাহাবাদ পাল্টে হিন্দু নাম প্রয়াগরাজ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্য দিয়ে মুছে গেল ভারতে দীর্ঘ মুসলিম শাসন ও মুঘলযুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম, স্মৃতিচিহ্ন। রবীন্দ্রনাথের অতিপ্রাকৃত ছোটগল্প ‘নিশীথে’ জমিদার দক্ষিণাচরণ বাবু ভীষণ অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে যে বায়ু পরিবর্তনে ‘এলাহাবাদ’ গেলেন সে এলাহাবাদকে আগামী প্রজন্ম আর খুঁজে পাবে না।

এটা একটা সাম্প্রদায়িক খেলা। দেশে দেশে এই নয়া সাম্প্রদায়িকতাকে ‘প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতা’ বলেও বোদ্ধারা মন্তব্য করেছেন। এই খেলাতেই বিভাজিত হয়ে আছে আমাদের অন্দর বাহির। সরল বিশ্বাসী মানুষেরা সেখানে অসহায় ক্রীড়নক। ভারতে বিজেপি সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় না শুধু রীতিমত উসকে দিচ্ছে। ভারতে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে সাম্প্রদায়িক এই হুজুগ এখন খুব কাজ দিচ্ছে।

এসবের পেছনে আছে ধর্মীয় ভাবাবেগের চেতনা ও রাজনীতি। যেমন দুর্গাপাশা গ্রামে স্থানীয়দের জিজ্ঞেস করে সেখানে খুঁজে পাইনি কোন পীর ফকিরের দরগা। ‘লালসালু’ উপন্যাসের মত অন্তত যার ভিত্তিতে দুর্গাপাশাকে দরগাপাশায় রূপান্তরিত করার একটা যুক্তি খুঁজে পাওয়া যেত। উল্টো সেখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় আনন্দ উৎসব পূজা অর্চনার তীর্থ হিসেবে কালের সাক্ষী হয়ে আছে শতবর্ষী পুরনো মন্দির।

আহমদ ছফা ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ গ্রন্থে লিখেছিলেন, “বাঙালি মুসলমান সমাজ স্বাধীন চিন্তাকেই সবচেয়ে ভয় করে। তার মনের আদিম সংস্কারগুলো কাটেনি। সে কিছুই গ্রহণ করে না মনের গভীরে। ভাসা ভাসা ভাবে, অনেক কিছুই জানার ভান করে, আসলে তার জানাশোনার পরিধি খুবই সংকুচিত। বাঙালি মুসলমানের মন এখনো একেবারে অপরিণত। সবচেয়ে মজার কথা এ কথাটা ভুলে থাকার জন্যই প্রাণান্তকর চেষ্টা করতে কসুর করে না।”

একই কথা প্রযোজ্য ভারতবর্ষের কট্টর হিন্দু সম্পর্কেও। তাদের মনের আদিম সংস্কারগুলো আজো কাটেনি। কাটলে চার পাঁচশ বছর পর দেবতার দোহাই দিয়ে অন্য বিশ্বাসী মানুষদের দেবতার নাম মুছে দেবার জন্য কেউ উঠেপড়ে লাগে না। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার যে ভারতের সেক্যুলার, উদার গণতান্ত্রিক, বহুমাত্রিক পরিচয়কে সংকটের মুখে ফেলে দিয়েছে তা বলাই বাহুল্য। ভারতে সাম্প্রদায়িক অনুভূতির রাজনীতি এখন তুঙ্গে। স্মরণ করা যেতে পারে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ২৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতের উগ্রবাদী হিন্দুত্ববাদী দল শিব সেনাকে সমর্থন জানিয়ে সমাজবাদী পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা আজম খানের মন্তব্য। তিনি বলেছিলেন শিব সেনা যদি মুঘল স্থাপত্য তাজমহল ধ্বংস করে এর উপর শিব মন্দির নির্মাণ করতে চায়; তাহলে তিনি এর খননকাজে সহায়তা করবেন। তাজমহল বাবরীর মত কোনো মসজিদ নয় পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি প্রেমের সমাধি। বিশ্বে ভারতের পরিচয়কে তুলে ধরে। তবু এতো আক্রোশ! কোন ধর্মান্ধ প্রেরণায়?

অন্যদিকে, বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় না দিলেও অনেক ক্ষেত্রে সরকার বিরোধী শক্তির আঁতাতের ভয়ে সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে আপস করছে। আর দেশের প্রধান বিরোধী দল তো সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রাজনীতির মাঠে প্রকাশ্যে আশকারা ও পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছেই। এভাবেই এখানে দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক শক্তি ভেতরে ভেতরে শক্তি সঞ্চয় করে চলেছে। ধর্ম পরিচয়ে সৃষ্ট পাকিস্তান ভেঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষায় সৃষ্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল সব ধর্ম, মত, পথ ও বর্ণের মানুষের জন্য সমানাধিকারের একটি বাসযোগ্য দেশ আমরা গড়ে তুলব। কোনো বিশেষ ধর্ম, মত ও বিশ্বাসের মানুষের প্রতি আমাদের পক্ষপাত থাকবে না। রাষ্ট্র হবে সবার। কিন্তু সত্যি তা কী আমরা করতে পেরেছি? এ উপমহাদেশে ধর্মবিদ্বেষের রাজনীতি শেষ হবে কবে? এ দেশে গ্রাম, গঞ্জ, বাজার, জনপদের স্বাভাবিক বিবর্তনের বাইরে নামের সচেতন সাম্প্রদায়িকীকরণ চলছে অনেকদিন ধরে।

ইসলামের উদার প্রগতিশীল চিন্তার ধারক আল্লামা ফরীদ ঊদ্দীন মাসঊদ প্রশ্ন তুলেছেন, রুস্তম, সোহরাব নাম রাখা গেলে রাম, লক্ষণ নামে অসুবিধে কী? তিনি তাঁর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক লেকচারে বলেছেন, যদি “রুস্তম” “কায়সার” “সোহরাব” এই সব নাম ইসলামে রাখা জায়েজ হয়। তাহলে “লক্ষণ” “রাম” এসব নাম রাখাও জায়েয হবে। ‘হাতেম তাই’ নাম রাখা জায়েজ হয় তাহলে ‘মধুসূদন’ নাম রাখা ও জায়েয হবে। ইরানিরা যখন মুসলমান হলো তারা তাদের ঐতিহ্যকে ছাড়েনি। তিনি নানা প্রাসঙ্গিক যুক্তি দিয়ে আরও বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতা আমাদের মেধাকে নষ্ট করে দিয়েছে। এই নামগুলো শুনলেই মনে হয় যে এগুলো হিন্দুদের একচেটিয়া সম্পদ। যদি হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কবি ইমরুল কায়েসের মত একজন ‘নষ্ট’ কবির কবিতা ও তিনি একত্রিত করতে পারেন, তাহলে আমরা কালিদাসের কবিতা পড়ালে অসুবিধা কোথায়? পাকিস্তান আন্দোলন ইসলাম ও ইসলামী মানসিকতার এত ক্ষতি করেছে যে বাগদাদের হালাকু খাঁর আক্রমণে যে ক্ষতি হয়েছিল সংস্কৃতির ক্ষেত্রে তার চেয়েও মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে এই পাকিস্তান আন্দোলনে। এরাই আমাদেরকে সাম্প্রদায়িক বানিয়েছে। (সূত্র: অক্ষরবিডি.কম)। রক্ষণশীল মুসলিম সমাজে দেশবরেণ্য একজন বিজ্ঞ আলেমের এমন উদার ও যৌক্তিক ব্যাখ্যায় ভাবনার অনেক খোরাক আছে। আমাদের বদ্ধ চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করতে পারে।

দেশে দেশে কালে কালে সংখ্যাগরিষ্ঠের দাপটে, দখলে সংখ্যালঘুরা অসহায় বোধ করেছেন। দেশ ছেড়েছেন। রোহিঙ্গারা ছেড়েছেন মায়ানমার, মুসলমানরা ভারত, হিন্দুরা মুসলমান অধ্যুষিত পাকিস্তান আর বাংলাদেশ। ১৯৫১ সালে যে আদমশুমারি হয় বাংলাদেশে তাতে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২২ শতাংশ। ১৯৭৪ সালের আদমশুমারিতে এটা নেমে আসলো ১৪ শতাংশে। আর সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে এটা নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৫ শতাংশে। আমরা কী এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম-যেখানে ভিন ধর্মের মানুষেরা নিজেদের অনিরাপদ ভেবে নীরবে দেশ ছাড়বেন!

বৈচিত্র্যই একটি সমাজের সৌন্দর্য। তাই নিউইয়র্ক, লন্ডন এসব শহরকে বিশ্বের রাজধানী বলা হয়। বছর কয়েক আগে বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত সীমান্ত জনপদ লালমনিরহাট ঘুরতে যেয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নজির দেখে অভিভূত হয়েছিলাম। মনে হয়েছিল এটাই শত সহস্র বছরের বাংলাদেশ। লালমনিরহাট সদরের কালিবাড়ী এলাকায় একদম কাছাকাছি, একই উঠোনে মিলেমিশে আছে মসজিদ মন্দির। অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রকৃষ্ট উদাহরণ লালমনিরহাটের এই দৃশ্য। এভাবে শত শত বছর ধরে পাশাপাশি বাড়ির কেউ গেছে মসজিদে, কেউ গেছে মন্দিরে নির্বিঘ্নে, নির্বিবাদে। শাঁখের ধ্বনি আজানের সুরে গেছে মিশে। লালমনিরহাটের এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃশ্য হয়ে উঠুক গোটা বাংলাদেশ, ধর্মবিদ্বেষে বিভাজিত এই উপমহাদেশের চিত্র।

আলমগীর শাহরিয়ার, কবি ও প্রাবন্ধিক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫১ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৪ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১১৬ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ