আজ সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

বাংলাদেশ-ভারত সম্প্রীতি ও বিশ্ব প্রেক্ষাপট

ফকির ইলিয়াস  

ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফর করে গেলেন। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা চমকে দিয়েছে বাংলাদেশের মানুষকে। যারা বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তারাও অবাক হয়েছেন শ্রী মোদির নানা কৌশল ও কথা শোনে। নরেন্দ্র মোদি তার ভাষণে বলেছেন- বাংলাদেশের মানুষের মহানুভবতা ও উষ্ণতায় আমি মুগ্ধ এবং সম্মানিত। অগণিত মানুষের শুভেচ্ছায় আমি প্রথম বাংলাদেশে এসে সমৃদ্ধ হয়েছি। বাংলাদেশ ও ভারত কেবল প্রতিবেশী নয়, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ভাষা এবং আবশ্যিকভাবে ক্রিকেট ভক্তের জন্য দুই দেশ অভিন্ন।



দুই দেশের মধ্যে বাস চলাচল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মানুষ এর ফলে সহজে চলাচল ও ঘনিষ্ঠভাবে মিলতে পারবে। আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে সফল যাত্রী হিসেবে এগুতে চাই। এ জন্যই ভারতের যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি তা বাংলাদেশেরও ভবিষ্যৎ হিসেবে কামনা করি। আমরা আমাদের রাজনৈতিক আলোচনা ও যোগাযোগ যত গভীর করব ততই অর্থনীতি সুসংহত হবে। জনগণ সংযুক্ত হবে ও জাতি সমৃদ্ধ হবে। এ জন্য আঞ্চলিক সংযোগ বাড়াতে চাই।’



নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে মোদি বলেছেন, ‘পানিবণ্টন একটি মানবিক ইস্যু। উভয় দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকা এতে প্রভাবিত হয়। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, রাজ্য সরকারগুলোর সহায়তা নিয়ে তিস্তা ও ফেনী নদীর স্বচ্ছ সমাধানে পৌঁছাতে পারব। অনেক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২০২১ ও ২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শেখ হাসিনা সফল হবেন। বাংলাদেশের সফলতা এই অঞ্চল ও সারাবিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্যই আমাদের অংশীদারিত্বই আমাদের সফলতা। আমরা প্রচুর সম্ভাবনার মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি। আমরা পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের অবস্থান থেকে বন্ধুত্বের চেতনায় সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করব। আমরা অর্থনৈতিক বন্ধনে বাণিজ্য ও পরিবহন চুক্তি নবায়ন করেছি। বাণিজ্য বাড়াতে উপকুলীয় নৌচলাচল চুক্তি সই হয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল, বর্ডার হাট, সমুদ্র সহায়তা, অর্থনৈতিক সহায়তার নতুন যুগের সূচনা করবে। বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেব।’



নরেন্দ্র মোদির এবারের এই সফরের সময় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, উপক‚লীয় জাহাজ চলাচল ও দুই রুটে বাস চলাচলের বিষয়ে চারটি চুক্তিসহ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মোট ২২টি চুক্তি, প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। অনেকেই বলছে এগুলো নাকি গণমানুষকে জানানো হচ্ছে না। আমার কথা হচ্ছে- তাহলে মিডিয়া এগুলোর বিবরণ দিচ্ছে কিভাবে?



চুক্তিগুলো আবারো পড়া যাক: 

১. ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দলিল ও তার ২০১১ সালের প্রটোকল বিনিময়
২. ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ধরন-সংক্রান্ত চিঠিপত্র ও তার ২০১১ সালের প্রটোকল বিনিময়
৩. দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি (নবায়ন)
৪. ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উপক‚লীয় নৌপরিবহন চুক্তি
৫. অভ্যন্তরীণ নৌপথে ট্রানজিট এবং বাণিজ্যের প্রটোকল (নবায়ন)
৬. মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের (বিআইএস) মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি
৭. ঢাকা-শিলং- গৌহাটি পথে বাস চলাচলের চুক্তি ও তার প্রটোকল
৮. কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা পথে বাস চলাচলের চুক্তি ও তার প্রটোকল
৯. দুই দেশের কোস্টগার্ডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)
১০. মানব পাচার রোধের লক্ষ্যে এমওইউ
১১. চোরাচালান ও জাল নোটের বিস্তার প্রতিরোধের লক্ষ্যে এমওইউ
১২. বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের নিউ লাইন অব ক্রেডিট (এলওসি) স¤প্রসারণের এমওইউ
১৩. বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে ব্লু ইকোনমি এবং সামুদ্রিক সহযোগিতার এমওইউ
১৪. চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের এমওইউ
১৫. সার্কের আইইসিসির (ইন্ডিয়া এনডাউমেন্ট ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ) অধীনে একটি প্রকল্পের জন্য এমওইউ
১৬. ভারতীয় ইকোনমিক জোন নিয়ে এমওইউ
১৭. ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় প্রকল্পের এমওইউ
১৮. বাংলাদেশ-ভারত শিক্ষা সহযোগিতার (গ্রহণ/এডাপশন) আগ্রহের বিবৃতি
১৯. আখাউড়ায় বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) এবং ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেডের (বিএসএনএল) মধ্যে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ ইজারার চুক্তি
২০. বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতের কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক এন্ড ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চের মধ্যে বঙ্গোপসাগর নিয়ে সমুদ্রবিদ্যা গবেষণার এমওইউ
২১. বাংলাদেশের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতের জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এমওইউ এবং
২২. বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এবং ভারতের লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশনের (এলআইসি) মধ্যে সম্মতিপত্র হস্তান্তর।



গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হচ্ছে, ভারত-বাংলাদেশের কোস্টগার্ডের মধ্যে সমঝোতা, মানবপাচার প্রতিরোধের বিষয়ে, পাচার ও জাল নোটের বিস্তার প্রতিরোধ, ২০০ কোটি ডলারের ভারতীয় নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে সমঝোতা, বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে ব্লু ইকোনমি ও সমুদ্রসীমা বিষয়ে সমঝোতা এবং চট্টগ্রাম ও মংলাবন্দর ব্যবহার নিয়ে সমঝোতা স্মারকে সই হয়েছে। সমঝোতা চুক্তিগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে- জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সার্কের জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ভারতীয় সহায়তার (আইইসিসি) অধীনে প্রকল্প, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন, ২০১৫-১৭ সালের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি, বাংলাদেশ-ভারত শিক্ষা সহযোগিতা বিষয়ে সম্মতিপত্র।



আখাউড়ায় ইন্টারনেটের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ ইজারার বিষয়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি (বিএসএনএল) ও ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) মধ্যে সমঝোতা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও নয়াদিল্লির জামিয়া ইসলামিয়ার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। যৌথ উদ্যোগে বঙ্গোপসাগরে গবেষণার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগ এবং কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ইন্ডিয়ার মধ্যে আরেকটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়, এই চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকগুলোকে একটি পক্ষ ভারতের একতরফা স্বার্থ বলে চালাতে চাইছে। এখনো ওরা বলছে- ভারত বাংলাদেশ দখল করে নিল। অথচ অন্যদিকে এরাই মোদির দেখা পাওয়ার জন্য, কিংবা তার কাছ থেকে করুণা নেয়ার জন্য ছিলেন উদগ্রীব।



শ্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আমরা ছবিতে দেখেছি। নালিশের একটি তালিকা নিয়ে বসেছিলেন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া মোদিকে জানিয়েছেন- বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই। এখানে একটি প্রশ্ন আসতে পারে। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে যা ঘটেছিল, তা কোন গণতান্ত্রিক রীতিনীতির আওতায় ছিল? যখন বাংলাভাই ও শায়খ রহমানরা দাপট দেখাচ্ছিল- তখন এই খালেদা জিয়ার সরকারই বলেছিল- দেশে কোনো জঙ্গি নেই। তা কি ভুলে গেছেন খালেদা জিয়া?



বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে অনেকটা হিমযুগ চলছিল। তা কাটিয়ে উঠতে নতুন দ্বার উন্মোচন করেছেন শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি। মোদি তার ভাষণে বলেছেন, ভূমি নিয়ে বিশ্বে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটছে। আর আমরা উদারতা দেখিয়ে উভয় দেশ ছিটমহল বিনিময় চুক্তি করছি। কথাটি খুবই যৌক্তিক ও সময়োপযোগী।



আমাদের মনে আছে, তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহয়ের ঢাকা সফরের সময়ই এসব চুক্তি নিয়ে কথা হয়েছিল। ২০১১ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ, ভারতসহ আন্তর্জাতিক অন্যান্য গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জনাকীর্ণ ওই সংবাদ সম্মেলনে ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণা বলেছিলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এমন বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার পর্যায়ে যাবে যা বিশ্বের যে কোনো দেশের জন্য একটি ‘রোল মডেল’ (আদর্শ) হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে আস্থার কোনো ঘাটতি নেই। তবে আঞ্চলিক উন্নয়নের স্বার্থেই গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।



উভয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের সফরে তিস্তা ও ফেনী নদীর পানিবণ্টন চুক্তি হবে। এ প্রসঙ্গে এস এম কৃষ্ণা বলেন, তিস্তা ও ফেনী নদীর পানিবণ্টন হবে সাম্যতা ও নায্যতার ভিত্তিতে। সেই চুক্তিটি এখনো না হওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের মনে হতাশ আসাটা স্বাভাবিক। কিন্তু এর অর্থ এই নয়, এসব সমস্যার সমাধান হবে না।



এ কথাটি খুবই স্পষ্ট, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই বাংলাদেশ-ভারতের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ও মানবতার বিষয়গুলো এগিয়ে নিতে হবে। একই আশা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীও। বলেছেন- সীমান্ত সমস্যা সমাধানের চেতনায় পারস্পরিক আলোচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের অমীমাংসিত সমস্যাগুলোর সমাধান হবে। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। এগোচ্ছে মানুষ। এই অগ্রসরতার কোনো বিকল্প নেই।



বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল-ভুটান সড়ক যোগাযোগ চালু হলে কিছু মানুষের দুর্বৃত্তপনা যে বাড়বে না- তা আমি বলছি না। কিন্তু তা ঠেকাতে চার দেশকেই এগিয়ে আসতে হবে। তাকাতে হবে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকার উন্নয়নের দিকে। বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল। তা কাজে লাগাতে হবে। পোশাক রপ্তানি খাতের মতো অনেক কাজেই এগিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ। তাই জ্বালাও-পোড়াওর রাজনীতি করে যারা শর্টকাট ক্ষমতা চাইছেন, তাদের এ দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।



আমরা দেখছি- ভারত নিয়ে নিল বলে আগে যারা চেঁচামেচি করেছিল, এখনো ওরাই সরব। এসব করে এই সময়ে আর কোনো কাজ হবে না। মানুষ এখন বুঝতে শিখেছে। সীমান্তে হত্যা নিয়ে যারা গলা বাড়ায়, তারা একবারো বলে না অবৈধভাবে দলবেঁধে চোরাকারবারিরা সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করবে কেন? বাংলাদেশের খেটেখাওয়া মানুষ শান্তি চান। শান্তি চান ভারতবাসীরাও। তাই উভয় দেশকেই শান্তির পথে এগিয়ে যেতে হবে। যারা মিছে ভারতবিরোধী দোহাই দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে প্রতারিত করতে চাইছে, এদের বিষয়ে সতর্ক হতে হবে প্রজন্মকে।



ফকির ইলিয়াস, কবি ও কলাম লেখক। ইমেইল: [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১২ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৩৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৪ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬১ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১১০ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৬ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ