আজ মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

এমপি উন্মাদনায় এমপির মাস্টার খোঁজা সময়ের দাবি নয় কি?

এখলাসুর রহমান  

বর্তমানে এমপি হওয়া যেন সবার কাছে হীরার-হরিণ হয়ে উঠেছে। নায়ক, গায়ক, ভিলেন, খেলোয়াড়, সাংবাদিক, আমলা, ব্যবসায়ী সবাই এমপি হতে চায়। এমপি হতে গিয়ে তারা বিসর্জন দিচ্ছে নিজেদের পরিচয়। কোন দলে গিয়ে জেতা যাবে, কোন জোটে গিয়ে জেতা যাবে ও কোন মার্কা নিয়ে জেতা যাবে এই ভাবনাটাই আজ সকলের মূল ভাবনা। তাই কেউ ছুটছে নৌকা মার্কার দিকে কেউ ধানের শীষ মার্কার দিকে। কেউ ঐক্যফ্রন্টের দিকে কেউ মহাজোটের দিকে। সবার স্বপ্নই আজ এমপি আর এমপি হতে মন্ত্রিত্বের দিকে।

জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, নাগরিক ঐক্য, বিকল্প ধারা সকলেই ব্যস্ত জেতার জন্য মার্কা খুঁজতে। এক দল আরেক দলের নেতাকে মনোনয়ন প্রার্থীর তালিকার তালিকাভুক্তও করছে নিজ দলকে বড় দেখাতে। যেমন নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হল আওয়ামী লীগ নেতা। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ হতে টাঙ্গাইল-৮ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান স্বামী, স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েসহ একই পরিবারের চারজন। দলটির সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকী নিজেও এ আসনে প্রার্থী হতে চান। একই আসনে দলটির প্রার্থী তালিকায় আরও আছেন তার স্ত্রী নাসরিন সিদ্দিকী। আছেন একমাত্র ছেলে দীপ সিদ্দিকী এবং মেয়ে কুড়ি সিদ্দিকী। ২৪ নভেম্বর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৪৩ আসনে তারা ৭১ জনকে মনোনয়ন দেয়ার কথা জানায়। আসনটিতে স্বামী, স্ত্রী এবং তাদের দুই সন্তানের নামও রয়েছে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে।

আওয়ামী লীগ হতে একসময় যারা নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচনী লড়াই করেছে তাদের অনেককেই দেখা যাচ্ছে ধানের শীষের দিকে ছুটতে। নৌকার একসময়ের এমপি গোলাম মওলা রনি এবার বিএনপিতে যোগ দিয়ে নিলেন ধানের শীষ। এমপি হতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে দাঁড়ালেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। একসময় যাদেরকে দেখা গেছে ধানের শীষ নিয়ে লড়তে তাদের কাউকে কাউকে দেখা যাচ্ছে তারা ব্যস্ত হয়ে উঠছে নৌকার মাঝি হতে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির কাছে মোট ১৮৬টি আসন দাবি করেছে বলে শোনা যাচ্ছে। দলগুলোর চাহিদায় সে হিসাবেও তালগোল পাকিয়ে গেছে।

ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম চেয়েছে ৮৬টি, আ স ম রবের জেএসডি ৪৫টি ও নাগরিক ঐক্য ৩৫টি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৪৩টি আসনে মনোনয়ন দেয় ৭১ জনকে। সেক্ষেত্রে হিসাবটা কি দাঁড়াল? আবার টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়তে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী (বীরউত্তম)। তিনি একই সাথে টাঙ্গাইল ৮ হতেও প্রার্থিতা চাইছেন। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়তে যাচ্ছেন তাদের ছোট ভাই মুরাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মনোনিত প্রার্থী হয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন একই পরিবারের আরেকজন শামীম আল মনছুর আজাদ সিদ্দিকী।

লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকীর পৈত্রিক নিবাস কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের ছাতিহাটী গ্রামে। টাঙ্গাইল-৪ কালিহাতী আসন থেকে ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। ১৯৭৩, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে এমপিও হন তিনি।আওয়ামী লীগের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে পবিত্র হজ ও তাবলিগ জামাত নিয়ে মন্তব্যের জেরে তিনি মন্ত্রিত্ব এবং দলীয় সভাপতিমন্ডলীর সদস্য পদ হারান । দল হতে হন বহিস্কৃত। সংসদ সদস্য পদ থেকেও পদত্যাগে বাধ্য হন তিনি।
২০১৭ সালের জানুয়ারিতে হওয়া উপ-নির্বাচনে তার আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী জয়ী হন। ওই উপ-নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হয়ে কাদের সিদ্দিকী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও ঋণখেলাপির কারণে উচ্চ আদালত তাকে অযোগ্য ঘোষণা করে। ঐক্যফ্রন্ট গঠনের আগে নেতারা জামায়াতকে না রাখার কথা বললেও কৌশলে রয়েই গেছে দলটি। নির্বাচনী মাঠে তারা বড় ধরণের ফ্যাক্টর। ভোট ব্যাংক ও অনুগত কর্মী বাহিনীর কারণে জোটের অন্যসব দলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে জামায়াত । সেজন্যই ঐক্যফ্রন্টের নেতারা প্রথমে তাদের ব্যাপারে আপত্তি তুললেও পরে নীরব হয়ে যায়। এমপি হওয়ার হীরার-হরিণ পেতে সবকিছুর তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে যেন সকলের।

সিদ্দিকী পরিবারের সকলই যেন এমপি হতে ভীষণভাবে উদগ্রীব হয়ে উঠছে। তারা জড়িয়ে পড়েছে পরস্পরের সাথে বিবাদে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেওয়ার জন্যে কাদের সিদ্দিকী কর্তৃক বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীকে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ এলো। সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি কালিহাতী উপজেলা শহরে তার মুন্সিপাড়ার বাসায় আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। আওয়ামী লীগের এই সাবেক নেতা বলেন, আমার ভাই কাদের সিদ্দিকী আমাকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও বলেন, এই ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সারাদেশের মানুষ চেনে। ঐক্যফ্রন্ট সমর্থিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে কি করেছে তা সবারই জানা। লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমি নির্বাচনে এসেছি ঐক্যফ্রন্টের বিরুদ্ধে, বঙ্গবন্ধু হত্যার বেনিফিসিয়ারিদের বিরুদ্ধে, অত্যাচারী-শোষকদের বিরুদ্ধে এবং স্বাধীনতার পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে। আমি নির্বাচনে এসেছি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে, সংসদে জনগণের কথা বলতে এবং শেখ হাসিনাকে সাহায্য করতে।

এদিকে এই আসনে আওয়ামী লীগ হতে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে সংসদ সদস্য হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারীকে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নির্বাচনে নেমে শেখ হাসিনাকে কিভাবে সাহায্য করা হয় এর ব্যাখ্যায় কী বলবেন লতিফ সিদ্দিকী? তিনি এও বলেছেন শেখ হাসিনাকে এই আসনটি উপহার দিতে চান তিনি। সেটাও বা কীভাবে? আসলে কি তিনি উপহারের বদলে কেড়ে নিতে চাচ্ছেন না? তিনি কি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগের নৌকার ভোট বাড়াবেন? কিন্তু সেটা কীভাবে?

২৫ নভেম্বর কালিহাতীতে নিজের বাসভবনে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ঐক্যফ্রন্ট থেকে কাদের সিদ্দিকী আমাকে বলেছিল যে আপনি যদি আমাদের সাথে না আসেন তাহলে আপনার বিরুদ্ধে আমরা প্রার্থী দিব। আমি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নই। আমি এসেছি ঐক্যফ্রন্টের বিরুদ্ধে। যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যার বেনিফিসিয়ারী, যারা স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, খুনি, রাজাকার তাদের বিরুদ্ধে। ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী তো কাদের সিদ্দিকী। তবে কি লতিফ সিদ্দিকী তাকেও বঙ্গবন্ধু হত্যার বেনিফিসিয়ারি, স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, খুনি, রাজাকার বলছেন? আসলে রাজনীতিকরা কি রাজনীতিকে মধু রঙ্গ মঞ্চ বানিয়ে তুলেন নি? তাদের কথাকে কে বিশ্বাস করে?

আমানুর রহমান রানার মনোনয়ন বঞ্চনা তার পরিবার মানতে পারেনি। তাই তার আশি বছরের বৃদ্ধ বাবা মনোনয়ন নিয়ে হীরার-হরিণটাকে নিজ কব্জায় রাখলেন। এমপি আব্দুর রহমান বদি বিতর্কিত হয়ে এমপিত্ব হারাবেন তা মানলো না তার পরিবার। তাই বদির বউ মনোনয়ন নিলেন। লুৎফুজ্জামান বাবর ফাঁসির রায় নিয়ে কারাগারে আছেন। তার ছেলের বয়স কম বিধায় মনোনয়ন নিতে পারলোনা। ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে গেল তার স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী। নেত্রকোনা-১ এ বর্তমান এমপি ছবি বিশ্বাস মনোনয়ন হারালে পারিবারিক এমপিত্ব ধরে রাখার চেষ্টায় নৌকা নিয়ে দাঁড়িয়ে গেল তার বোন জামাই মানু মজুমদার। এমপি হওয়ার জন্য সকল ধরনের কৌশল, মিথ্যাচার, শত্রুকে বুকে জড়িয়ে ধরা, খুন সবই পারেন তারা। বাপ ছেলে, পুত্রবধূ সকলেই এমপি হতে চায়। এখানে দলটা ফ্যাক্টর নয় ফ্যাক্টর তার এমপি হওয়া।

মাসুদ উদ্দীন নামের একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা তিন দল হতে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। মনোনয়ন কিনেছেন হিরো আলম। রাজনীতির সাথে কোন সংশ্রব নেই টাকার মালিক হয়ে রাজনীতি করা লোকদের বাদ দিয়ে তারা এমপি হওয়ার রাস্তা পেয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ী নায়ক, ভিলেন, গায়ক, খেলোয়াড়েরা এমপি হয়ে যেতে পারে কিন্তু এমপিরা কি পারে নায়ক, গায়ক কিংবা খেলোয়াড় হয়ে যেতে? পারেনা; কারণ তাদের সে লাইনে কোন যোগ্যতা নেই। হঠাৎ করে রাজনীতিতে এসেই এমপি হয়ে যায় আমলারা। কিন্তু এমপিরা কি পারবে আমলা হয়ে যেতে?

দেশজুড়ে এমপি উন্মাদনা প্রবল হয়ে উঠছে। কারণ এমপি হতে গেলে কোন যোগ্যতা লাগেনা। এমপি মারা গেলে অথবা জীবিত থাকাকালে অতিরিক্ত বিতর্কিত হয়ে পড়লে এমপি হয়ে যাচ্ছে তার গৃহবধূ। আজকের সময়ে সবার জীবনের ফিনিসিং যেন এমপি হওয়া কারণ এটাই আজকের সময়ের সর্বোচ্চ ক্ষমতার সিঁড়ি। এমপির স্বপ্নের সাথেই জড়িয়ে থাকে মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন।

ভারতের শিল্পী নচিকেতার একটি গানে বাবা ছেলেকে বলছে, ওরে সোনা চাঁদের কণা আমি তোকে মন্ত্রী বানাবো। তুই মন্ত্রী হলে আমরা সাতপুরুষ বসে বসে খাব। ছেলে বলল, আমি কি তা পারব? বাবা বলল, পারবিনা কেন এখানে ত যোগ্যতা ও পড়াশোনার কোন বালাই নেই। ব্যাপার শুধুই ফন্দিফিকির খোঁজা। বাবা বলল, এসব বুঝাতে প্রয়োজনে তোর জন্য একজন সাবেক মন্ত্রীকে প্রাইভেট টিউটর রাখব। বাংলাদেশের অভিভাবকরাও হয়তো গানের মাস্টার, নাচের মাস্টার, কারাতে মাস্টারের মত এমপির মাস্টার খোঁজার যুগে এসে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে যাদের এমপিত্ব চলে যায় তারা সবাই মিলে একটি এমপি প্রাইভেট সেন্টার অথবা কোচিং সেন্টার খুলে বসতে পারে। মানুষের মধ্যে যেভাবে এমপি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা জাগছে তাতে নিশ্চিত করে বলা যায় এসব সেন্টার জমবে ভাল।

এক্ষেত্রে সাবেক এমপিদেরও সময় কাটানোর মতো একটা জায়গা হবে চমৎকার।

এখলাসুর রহমান, লেখক ও কলামিস্ট

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১২ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৩৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১১ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৩ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬০ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০১ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১২ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১০৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৬ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ