আজ রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ইং

শাহরিয়ারের সাথে কথোপকথন

নিখিল নীল  

মাস খানেক আগে ফেসবুকে আমার স্ট্যাটাসে করা একটা প্রশ্নের সূত্র ধরে শাহরিয়ারের সাথে আমার ইনবক্সে কিছু কথোপকথন হয়। গতরাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগেও, বাংলাদেশ সময় আনুমানিক বিকেল ৩ টায়, ফেসবুকে আমার হোমপেজে শাহরিয়ায়ের উপস্থিতি দেখে আমি ঘুমাতে গেছি। সে কী আমাকে মনে করছিল তখন যখন সে মৃত্যুর সাথে লড়ছে? অসম্ভব প্রশ্ন, এর উত্তর আমি কোনওদিনও জানতে পারব না।

সে এখন আর নেই। প্রাইভেসি বিষয়টাও তাই অর্থহীন। এ কথোপকথন তাঁর বায়োগ্রাফির মতো। মহাকালের নিচে ওগুলোর হিসেব কেউ রাখে না। আমার কাছে ওটা এক অমূল্য সম্পদ। কোনও আজেবাজে বক্তব্য এ-লেখার প্রেক্ষিতে বা রেসপন্সে কেউ লিখলে আমি তাকে অস্বীকার করব আজীবনের জন্য।  নিচে পুরো কথোপকথন তুলে দিলাম। ও, আরেকটা কথা, কথোপকথনটা কিন্তু একটামাত্র নির্দিষ্ট বিষয়ে, ওটা নিয়ে পুরো শাহরিয়ারকে দেখা যাবে না।



আমার সে স্ট্যাটাসের প্রশ্নটা ছিল এমন:

একটা প্রশ্ন আমাকে বরাবরই ভাবায়। একই সমাজ, মোটামুটি একই আর্থসামাজিক ও ধর্মীয় ব্যাকগ্রাউণ্ড, একই রাষ্ট্র, একই শিক্ষা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভিতর দিয়ে গিয়ে কেবল কিছু মানুষ কেন, কীভাবে নাস্তিক* হয়ে ওঠে?


শাহরিয়ার আমাকে ইনবক্সে লিখেছিল:

স্যার, আমি নাস্তিকতা বিষয়ক সংলাপে প্রকাশ্যে খুব সাবধানে কমেন্ট করি। তাই ইনবক্সেই আসলাম।

আপনার লাস্ট কমেন্ট শতভাগ ঠিক। আমিও আমার ফ্যামিলিতে না শুধু, নানা-দাদা মিলিয়ে চৌদ্দ গুষ্টিতে একমাত্র যে স্কেপটিক। আমি এথিস্ট শব্দটা ব্যবহার করলাম না। কারন এথিস্ট হবার জন্য ফিজিক্স বা ফিলোসফি নিয়ে যতটুকু পড়াশুনা লাগে অতটা এখনো করা হয়নি। স্বীকার করি স্যার, আমার পড়াশুনা অনেক বেশি বিচ্ছিন্ন। পড়াশুনা শুরু করেছিলাম ধর্মচর্চার ভ্যালিডিটির জন্যই।

আমার নানা-দাদা ফ্যামেলিতে বিএনপি পন্থি আছেন, দুই একজন আওয়ামি লীগার আছেন। গ্রামের বাড়ি চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লাতে, ওখানে বামপন্থাকে খুব ঘৃণা আর সন্দেহর চোখে দেখা হয়। এমনকি এরশাদের সমর্থক আছেন। ফ্যামিলিতে অনেকজন জামায়াতপন্থি। আমার আপন সেজো চাচা কট্টোর জামায়াতপন্থি, যিনি আমাকে যথেস্ট স্নেহ করেন।

আমার বাবাও… উনার পেশাজীবন কেটেছে বিমান বাহিনীতে। কর্ম জীবনের শেষ দশবছর কুয়েত এয়ার ফোর্সে। ওখানে উনি সালাফিবাদে দীক্ষা নেন। পিচ্চি বয়সে যখন আব্বার কাছে চিঠিতে চকলেট বা খেলনা আনার আবদার করতাম, উনি নিয়ে আনতেন মোটা মোটা হাদিস, ফিকহর বই। সেগুলো দেশে তখনো পাওয়া যেত না। আমার সেজো ভাই হচ্ছেন কোরয়ানে হাফেজ। উনি হিফজ করেছিলেন শফি হুজুরের সেই হাটহাজারি মাদ্রাসায়। বাসার সবাই নামাজ পড়ে। আমি বাদে।

আমি কেনো এমন হলাম? ব্যাপারটা এমন- আমার সাথে আমার ইমিডিয়েট বড় ভাইয়ের বয়সই এগারো বছরের পার্থক্য। চিন্তাভাবনার শেয়ার কম হতো। তবে সালাফিজমের সাথে দেওবন্দি ধারার ফিলোসফিকাল বিতর্কগুলো শুনতাম আব্বা আর ভাইয়ার। ক্লাস থ্রি-ফোর থেকেই আমি ইজমা-কিয়াসের বইগুলো পড়া শুরু করি দুই ধারারই। আহলে হাদিস বা সালাফিরা কিন্তু দেশে এই জংগিবাদেওর পিছে আছে এটা জানেন বোদহয়। সাধারণ বাঙ্গালিদের সাথে আহলে হাদিসের অনুসারিদের নামাজ সহ অন্যান্য ধর্মাচরনে পার্থক্য আছে, নামাজটা চোখে পড়ে। ঘরে মেঝ ভাই এর মাদ্রাসা থেকে আনা মুজাহিদদের কিছু বই ছিলো। বাবাও সালাফিদের বই আনত। ঘরে ইসলামি বই এর অভাব ছিলো না। মনে হয় ক্লাস এইটের মাঝে তিনবার সাতখন্ডের সহীহ বুখারি তিনবার আর সহীহ মুসলিম একবার শেষ করেছি পড়ে। আর কুরয়ানের অনুবাদ আর ব্যাখ্যা পড়া হয়েছিলো ছয় সাতবার।

মেঝ ভাই এর অনার্স সাবজেক্ট ছিলো ইসলামের ইতিহাস। আর এমনিতে নিজেই ইতিহাস আর নৃতত্ত্ব নিয়ে বই ঘাঁটাঘাঁটি করতাম ছোটবেলা থেকে। ভারতের ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস নিয়ে পড়লাম। যখন হানাফি-দেওবন্দিদের আকিদার সাথে আহলে হাদিসদের নামাজ-রোজা কম্পেয়ার করেছি তখন হিন্ধু বৌদ্ধদের বই বাদ দেবো কেনো? ফাইভ থেকেই হিন্দু-বৌদ্ধ বন্ধুদের বই ধার নিয়ে পড়া শুরু করলাম। একেবারে টেন পর্যন্ত। মেঝ মামার লাইব্রেরিতে ওল্ড টেস্টামেন্ট আর বাইবেল পড়লাম। লুকিয়ে রামায়ন-মহাভারতেই কিশোর সংস্করন পড়লাম। বৌদ্ধদের জাতক নিয়ে বই পড়লাম।

তবু নাস্তিক ব্যাপারটার সাথে পরিচয় হয়েছে একেবারে ভার্সিটিতে এসে! ক্যাম্পাসে আসার আগে হুমায়ুন আজাদই পড়িনি। কলেজে থাকতেই ফ্রেন্ডদেরকে বিভিন্ন প্রশ্ন করতাম। সাহস করে বাবা আর ভাইকেও প্রশ্ন করতাম। জবাব কেউই দিতে পারত না। ভাই এর এক বন্ধু তো হাদিসের সেই কোটেশনই দিলো- সীমা লঙ্ঘন না করতে।

আমার প্রথম চিন্তার ফাকটা তৈরী হয়েছিলো ইতিহাসের বই ঘাঁটাঘাঁটি করে। নবী রাসুল আরব ভুখন্ডের বাইরে নেই কেনো। সেমেটিকদের ভুখন্ডের বাইরে এত সভ্য জায়গায় আহলে কিতাবের কেউ আসেনি কেনো। জেনেসিস নিয়েও নিজের প্রশ্ন ছিলো- এত নবী রাসুল কেউই ডাইনোসরের কথা জানত না কেনো? সীরাতের বইগুলোতে শেষ নবী নিয়ে অস্পষ্টতা আছে। খিলাফত যদি এতই পবিত্র অতিপ্রাকৃত হয় তাহলে স্রষ্টা সয়ং এর দায় নেয় না কেনো?

ক্যাম্পাসে এসেই যে সব পেয়ে গেছি তা না। প্রথম বিধর্মি দেখলাম প্রিয় শিক্ষকদের মাঝে। আর ফার্স্ট ইয়ারে অনিক বা সুদীপ্তর কাছ থেকেই বোদহয় হুমায়ুন আজাদের বই ধার নিয়েছিলাম। ফেসবুক আর পর্নগ্রাফির বাইরে ইন্টারনেট ব্যবহার শিখেছি। হুমায়ুন আজাদ পড়লাম। বাট্রান্ড রাসেল পড়লাম। আরো ইতিহাসের বই, দর্শনের বই এলোমেলোভাবে হাতে এলো। আর্কিটেকচার পড়ে স্কেপটিক হয়েছি এমনও না কিন্তু, আমার ফ্রেন্ডদের সবগুলোই বিশ্রি রকম মর্ডারেট মুসলিম। বাইরে খেলাধুলা থেকে নিজেকে প্রশ্ন করাটা কৈশোরে পছন্দ ছিলো। সেটা জোড়া লাগাতে সাহস দিয়েছে স্থাপত্য আর আর্ট নিয়ে বইগুলো। আর ২০১০ এ ফেসবুকে নাস্তিকদের বিভিন্ন গ্রুপে যে কম্যুনিটি দেখি সেখানে এড হয়ে আর মুক্তমনা ব্লগ এর সন্ধান পেয়ে বুঝেছি নিজের জায়গা পেলাম।

স্কেপটিক হয়েছি আসলে কলেজে থাকতেই। তবে টার্মটার সাথে পরিচিত ছিলাম না।

এই হলো আমার কথা, স্যার।

আামার সংক্ষিপ্ত উত্তর:
সামনে তাকিয়ে আমি কোনো আলো দেখতে পাইনা। আমি কখনই পাই নি। হ্যাঁ, একটা মডারেট পথ নিলে সব সহজ হযে যায়। সবসময়, সববিষয়েই্। তোমার যে স্টরি লেখলে ওটাই রিয়েল স্টরি। তাই, সবসময়ই, যথার্থ লোক হাতে গোনা। এরাই সংখ্যালঘু। শাহবাগ দেখেছো ত কীভাবে মরে গেল, ধর্ম সংযুক্ত হযে যাওয়ায়। যাই হোক, প্রশ্নটা আমার ভেতরে অনেকদিনই ছিল। আমি অবশ্য আশা করেছিলাম, আমার বন্ধুতালিকার কিছু বিদ্বানেরা অংশগ্রহণ করবেন, তা করেন নি। যারা করেছে, বেশিরভাগই, ওগুলো কেবল আমার সময় নষ্টই করেছে, পড়তে আর রিপ্লাই দিতে যেয়ে। আমার কাছে এটা এক রহসই-- কী এমন ফ্যক্টর আসলেই মানুষকে প্রভাবিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় বর্ষে ওঠার আগ পর্যন্ত আমিও ছিলাম বলতে পারো ধার্মিক। কীভাবে ধীরে ধীরে আজকের এ-অবস্থানে আসলাম সেদিকে তাকালে আজ আশ্চযই লাগে। আর এ-আশ্চর্য আরও বেশি লাগে যখন দেখি যে যাদের সাথে শুরু করেছিলাম প্রগতির চর্চা ( বা বলতে পারও যাদের কাছে আমার হাতেখড়ি) তারা সবাই কিন্তু আবার এক জায়গাতে এসে থিতু হয়ে গেছে। যখনই ধর্মের.. আাজগুবি জিনিসগুলো নিযে আলোচনা ওঠে, দেখি সবাই সেগুলো আবার ঠিকই বিশ্বাস করে। আমি মেনে নিতে পারতাম না। ভণ্ডমি মনে হতো। যন্ত্রণা দিতো এসব। আমার বন্ধুদের সবাই একটা জায়গার পরে আর ভাবতেই চায় না, কথাই শোনতে চায় না। কিন্তু, আমি কেমনে এমন হলাম, আমি তো তাদের পিছনেই ছিলাম। বুঝলাম, বেশিরভাগ মানুষই তার সীমানার বাইরে চিন্তাই করতে পারে না। সব সমস্যারই মোটামুটি সমাধান হয়ে যেতো, যদি আমরা প্রশ্নের জন্য জায়গা রাখতাম।

আর আরেকটা বিষয়, আমাদের নাস্তিকরা যে একটু আগ্রাসি, সেটাও কেন? আমার মনে হচ্ছে, মূল কারণটা হল আমরা উঠে এসেছি এমন একটা সমাজ থেকে যেখানে ধর্মটা আচ্ছাদনে রাখে বাকী সবকিছু, বা ধর্মের প্রভাব বিশাল। তাই আমরা যখনই নাস্তিক হচ্ছি, তখন চলে যাচ্ছি পুরো ধর্মের বিপরীতে। পাশ্চাত্য সমাজের মানুষগুলো কিন্তু ইহজাগতিক, তাই নাস্তিকরাও যে নাস্তিক সেটা নিয়ে তারা অহংএ ভুগে না। বাকীরা গুরুত্ব দেয় না সেগুলোতে।

আমি অনেক আগ থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, ওসব ফালতু বিষয় নিয়ে বংলাদেশে লিখে কোনো লাভ নেই। আর আমার ত মনোযোগের জায়গা ওটা নয়ও। এসব ভাবতে যেয়ে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়, জানো্। নিজের পড়ালেখা, মনোযোগের জায়গাটাতে দূষণ তৈরি হয়। ওসব হত্যাকাণ্ডগুলো আবার নাড়িয়ে দেয় সব। দেশ আর ধর্ম এ-দুটো বিষয় বড় মনোযোগবিনাশি।

হয় ত বা সরাসরি কথা বলতে পারলে ভাল হত। ভাল থাকবে। নিরাপদে থাকবে।

শুভকামনা,

নিখিল।



শাহরিয়ারের শেষ উত্তর:
ট্রাঞ্জিশনাল পিরিয়ডটা অনেক দীর্ঘ মনে হচ্ছে। আমাদের সামনে খুব বেশি আইকনিক মানুষকে পাচ্ছি না…হতাশার সবচেয়ে বড় জায়গাটা স্যার শিক্ষাঙ্গন। শিক্ষকরা নিজেদের মাঝে গুটিয়ে আছেন কিংবা যা করছেন সেটার জন্য আমরা শ্রদ্ধা রাখতে পারছি না। ছাত্ররা প্রিয় ফুটবল ক্লাবের খেলোয়ারের বান্ধবীর আপডেট জানাকে মনে করছে জ্ঞান বাড়ানোর জায়গা। হয়ত পালিয়ে থাকতে চায়।

স্যার, দেশে আসলে সরাসরি দেখা আর কথা হবে। আশীর্বাদ করবেন। আর আপনিও সুস্থ, নিরাপদে থাকুন।
(কথোপকথন শেষ)
শাহরিয়ার নেই। তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ হয় ত কখনই আমাদের জানা হবে না। আমার একটা সত্তা প্রচণ্ডভাবে বলছে শাহরিয়ারকে মেরে ফেলা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন তাঁর মত মানুষের জন্য সবচেয়ে অনিরাপদ জায়গা। আবার, সে যদি নিজেকে হত্যাও করে থাকে সেটাও হত্যাকাণ্ডই, কারণ, সমাজ, রাষ্ট্র তাঁর মত মানুষের উপস্থিতিকে এখন অপ্রয়োজনীয় মনে করে।

তোমার সাথে আমার আর কখনও কথা হবে না, এই কারণে আমার জীবনের অর্থ কিছুটা বদলেছে। সেটা আমি জানব, হয় ত আর কেউ জানবে না।

নিখিল নীল, শিক্ষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, শাবিপ্রবি, সিলেট। বর্তমানে আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব টেনেসিতে সমাজবিজ্ঞানে পিএইডি করছেন। ইমেইল: [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২০ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০৭ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৭ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১২৫ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ