আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

আমরা আক্রান্ত কিন্তু অন্ধ নই, প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সমীপেষু

আরিফুর রহমান  

দেশের মানুষের জীবনরক্ষার চেষ্টা করার জন্য কান্নাকাটি করে তারানা হালিম একটি বিশাল পত্র ছেড়েছেন। পত্রটি মনযোগ দিয়ে কয়েকবার পড়লাম। একজন শ্রদ্ধেয় মানুষ রাজনীতি আর আমলাতন্ত্রের ফেরে পড়ে কিভাবে ঝাঁকের কই হয়ে গেলেন চোখের সামনেই, তার নমুনা দেখে এই পত্রোত্তরটি লিখতে বসলাম।

প্রথম অনুচ্ছেদেই বলছেন:

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেই কিন্তু- চাঁদে কারো মুখ দেখার গুজবে প্রাণ হারিয়েছে বহু মানুষ, আবার একটি পোস্টের কারণে (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে) বৌদ্ধ বিহারে চলেছে হামলা

জ্বি, আমরা ভুলিনি। সম্ভবতঃ আপনি ভুলে গেছেন। মিথ্যে একটি পোস্ট তৈরি করে বৌদ্ধ বিহার অভিমূখে মিছিল করে এলাকার গণ্যমান্য আওয়ামী নেতাগণ ধর্মানুভূতির ধুয়ো তুলে বৌদ্ধ মন্দিরে আক্রমণ চালিয়েছে, চালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্য ইসলামী রাজনীতি আসক্ত উগ্র গোষ্ঠীগুলি একত্র হয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের জন্য যখন মুখিয়ে থাকে, ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে বলে যখন মনস্থির করে, তখন সেই দুর্জনদের কি ছলের অভাব ঘটে? তারা এই ছলের আয়োজন নিজেরাই ঘটিয়েছিলো, ফেসবুক ছিলো বলে তুচ্ছ ‘লাইক’ দেবার ‘অপরাধ’ খুঁজে বের করে, তিলকে তাল বানিয়ে তারা মিছিল নিয়ে ছুটে গিয়েছিলো মন্দির ধ্বংসযজ্ঞে।

একই কথা খাটে সাঈদীর চন্দ্রগমন বিষয়েও। ফেসবুকের ছোট্ট পরিসরে ‘বাঁশেরকেল্লা’ জাতীয় উপদ্রব আমরা সহ্য করে এসেছি চিরদিনই। বাক স্বাধীনতার খাতিরে তাদের অপপ্রচার আমরা হাসাহাসির যোগ্য মনে করেই উড়িয়ে দিয়েছি। কিন্তু আসল বিপদটা কোথায় ছিলো জানেন? মসজিদের মাইকগুলি। জ্বি, এই কথাটি আপনি ইচ্ছে করেই এড়িয়ে গেছেন। সারা রাত্রি ধরে মসজিদের মাইকগুলি থেকে যে পরিমাণ মিথ্যে ‘খবর’ ছড়ানো হয়েছিলো, তার যে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া, পুলিসের ওপর পরদিন শিবিরের আক্রমণ, তান্ডব, এই ইতিহাস আপনি ভুলে গেলেও, আমাদের কিন্তু স্মৃতিতে এখনো জ্বলজ্বল করে। মৃত পুলিস ভাইদের আপনারা লেলিয়ে দিয়েছেন শিবিরের মুখে, তারা আগুনে পুড়েছে, নিহত হয়েছে, কিন্তু আপনারা বেশী আগ্রহী ফেসবুক এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গলা টিপে ধরতে।

আপনি বলেছেন:

বহু দেশ আজকের দিন পর্যন্ত সে দেশগুলোর মানুষের নিরাপত্তার জন্য “ইন্টারনেট” পর্যন্তও সাময়িক বন্ধ রেখেছে। সেদেশের নাগরিকেরা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তা মেনে নিয়েছে, “টু” শব্দটি করেনি।

আপনার এই আধাসত্য আধামিথ্যে কথাটি বলেছেন, আমরাও শুনলাম। লেখার শিরোনামটি আবার পড়ুন। আমরা অন্ধ নই, যদিও আপনাদের হাতে আক্রান্ত। ফ্রীডম হাউস প্রতিবছর ইন্টারনেট স্বাধীনতা বিষয়ক যে রিপোর্ট প্রণয়ন করে, তার একটা খন্ডিতাংশ নিচে দেখুন।

 

পাকিস্তান, সউদিআরব সহ উগ্র ইসলামী দেশগুলি চিনতে পেরেছেন? আপনি কিন্তু টেনে বাংলাদেশকে হলুদ আংশিক স্বাধীন থেকে টেনে পুরোপুরি পরাধীনতার কাতারে, মানে পাকিস্তান সউদিয়ারবের মতো বানিয়ে ফেলছেন। ওসব স্বৈরাচার ও বদ্ধ শাসনের দেশগুলি জনগণের নিরাপত্তার অযুহাত দেখিয়েই কিন্তু পরাধীনতার জিঞ্জিরে ইন্টারনেট এবং সামাজিক গণমাধ্যমকে বন্দী করে ফেলতে থাকে। আমরা পুরোপুরি স্বাধীন (সবুজ) হতে পারি না? কেন আমাদের আংশিক স্বাধীন (হলুদ) থেকে গড়িয়ে নেমে যেতে হবে পুরোপুরি পরাধীন (নীল) কাতারে? বলতে পারেন?
[আগ্রহীদের জন্য বিস্তারিত:https://freedomhouse.org/report/fre....]

এবার আসুন পুলিৎজার পুরষ্কার পাওয়া সেই কুখ্যাত ছবি প্রসঙ্গে: আপনি [ডারউইন মালুম কোথা থেকে পেয়েছেন এই কাহিনী] বললেন:

পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া এক চিত্রগ্রাহক একটি ছবি তুললেন ক্ষুধার্ত এক শিশু এবং তার মুখোমুখি একটি শকুনের। ছবি হিসাবে অসাধারণ। তার সামনে ২টি বিকল্প ছিল- হয় তিনি ছবিটি তুলবেন, নয়তো শিশুটিকে দ্রুত তুলে নিয়ে নিকটবর্তী হাসপাতালে যাবেন। তার কাছে প্রথম বিকল্পটি আকর্ষণীয় মনে হলো। তিনি তুললেন অসাধারণ ছবিটি। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শিশুটি মারা গেল। চিত্রগ্রাহক পেলেন “পুলিৎজার পুরস্কার”। কর্মের এক বিরল স্বীকৃতি। কিন্তু বিবেক তাকে তাড়া করলো সর্বক্ষণ- “যদি তখন ছবি না তুলে শিশুটিকে তিনি নিয়ে যেতেন নিকটবর্তী অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে, অন্তত বাঁচাবার চেষ্টা তো করতে পারতেন”! অনুশোচনায় আত্মহত্যা করলেন তিনি।

হে প্রতিমন্ত্রী ভদ্রমহোদয়া, যেখানে দুনিয়ার আজ পর্যন্ত কেউ জানে না শিশুটির কি হয়েছিলো, [http://www.bbc.co.uk/dna/h2g2/A2208...] সেখানে আপনি কিভাবে জানলেন শিশুটি মারা গিয়েছিলো? বাস্তব হলো অত্যাধিক দুর্বল সেই শিশুটির ছবি তুলে সেখানে প্রায় বিশ মিনিট বসে ছিলো মাদক আসক্ত ও মানসিকভাবে নানা সমস্যায় জর্জরিত চিত্রগ্রাহক কেভিন কার্টার। আত্মহত্যার সাথেও উপরোক্ত ঘটনার কোন সরাসরি যোগসূত্র না পাওয়া গেলেও আপনি কিন্তু ঠিকই জেনে গেছেন প্রকৃতই কি হয়েছিলো সেখানে।

এর পরেই আপনি নিজেকে এক মহীয়ান স্তরে নিয়ে গেছেন। প্রায় কান্নাজড়িত কণ্ঠ আমরা কল্পনায় শুনতে পাই যখন অভিযোগ করছেন:

আমরা বড় বেশি কঠিন, কঠোর হয়ে গেছি- তাই মানুষের জীবন বাঁচানোর চেষ্টাকারীকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। ধন্যবাদ সকলকে যারা মানুষের জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টাকে ব্যঙ্গ করেন, তিরস্কার করেন।

আহারে! মানুষের জীবন বাঁচানোর অজুহাতে আর কি কি স্বাধীনতা আপনার সরকার আমাদের কণ্ঠ থেকে ছিনিয়ে নেবে? বলতে পারেন? মায়াকান্নার ভান করেই কিন্তু আপনি স্বীকার করে নিয়েছেন সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশেই আপনি আমাদের গলা টিপে ধরে আছেন। যে সরকারের ‘নির্দেশ’ আপনি মানছেন, সেই নির্দেশের পেছনের দর্শন কি একবারও প্রশ্ন করেছেন? একজন আইনজ্ঞ হিসেবে এতটুকু তো আমরা চাইতেই পারতাম!

পুলিস ও নিরাপত্তা বাহিনী তাদের প্রকৃত কাজ, মানে নিরাপত্তা বিধানে প্রযুক্তি চাইতেই পারে, এ বিষয়ে কারো আপত্তি নেই। জঙ্গীদের নিজস্ব আভ্যন্তরীণ নেটোয়ার্কের কোন সীমা নেই। আপনি ভাইবার বন্ধ করেছেন, তারা হয়তো টেলিগ্রামে হিজরত করেছে, অন্যদিকে স্কাইপ কিন্তু আপনি বন্ধ করেন নাই। এরপরে রয়েছে, ‘লাইন’, কিংবা গ্রুপমি, কিংবা ‘কিক’ কিংবা ‘কাকাওটক’ কিংবা চ্যাট-অন কিংবা উইচ্যাট। আপনার নিরাপত্তা বাহিনী কতগুলি বন্ধ করবে? এই মাথাব্যাথা সারাতে মাথা কেটে ফেলার যে যোগাড় আপনি, সরকার এবং স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিলে করে রেখেছেন, তার ভেতরের অসারত্ব কি টের পান না? নাকি আপনার অভিনয় কুশলতার চুড়ান্ত ব্যবহার করে আমাদের কিছুটা বিব্রত করতেই আপনার এই খোলা চিঠি।

আপনাকে নিয়ে যে নোংরা প্রচারণা চালিয়েছে একটি গোষ্ঠী, তাদের বিষয়ে সচেতন থাকা আমাদের সকলের জন্যেই জরুরী। এরাই কিন্তু বাঁশেরকেল্লা জাতীয় প্রপাগান্ডা মেশিন দিয়ে নারীর গলার ওড়না বুকে টানতে বলে, কিংবা পহেলা বৈশাখে মেয়েদের আক্রমণ করে কিংবা রাস্তাঘাটে মেয়েদের সাথে ইভটিজিং করে। তাদের এই আচরণের মূলে যে বদ্ধ মানসিকতা, সেই আইডিওলজিই কিন্তু আপনার সরকারের ওপর সওয়ার হয়ে আছে। বিবিধ ‘সবুজ’ সংকেত, লাল সংকেত দিয়ে আপনাকে পুতুলনাচের মতো পরিচালিত করছে অলক্ষ্যে থেকে, এদের হাতে ব্যাবহৃত হচ্ছেন আপনিও, বুঝতে পারেন না?

একটা সভ্য স্বাধীন রাষ্ট্র হতে গেলে কিছু আদর্শ লাগে। কাগজে সংবিধানে আমাদের সেই আদর্শ ছিলো গনতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, ধর্মনিরপেক্ষতা। বাস্তবে আমরা কি দেখছি, আপনি কি দেখেও দেখেন না? বাংলাদেশের গত কয়েকটি বছর প্রতিটি পলিসি তৈরি হয়েছে সউদি আরবের আদলে। আইন প্রণয়ন হয়েছে সউদি আরবের মতো করে। কঠিনতম আইন আপনারা করেছেন ধর্মানুভূতিকে রক্ষা করতে, ভিকটিমবিহীন অপরাধে মানুষ জেলে পঁচে মরছে, আপনারই দলের শীর্ষ নেতা পপাতধরণীতল হয়ে গেছেন ওই একটি আইডিওলজিকে রক্ষা করতে গিয়ে। কাদের পুতুল হয়ে গেছেন আপনি, আপনাদের সরকার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হুঁশ কি হবে কোন দিন?

চিঠির শেষপ্রান্তে ডিপিআই নিয়ে একধরনের দুর্দমনীয় মনোভাব দেখালেন। অথচ চায়না এবং সউদিয়ারবের মতো এই ডিপিআই যে আমাদের কণ্ঠরোধেই আপনারা ব্যাবহার করবেন, সে কথা কি আমরা জানি না?

[যারা ডিপিআই শুনে ভড়কে গেছেন, DPI - Deep Packet Inspection মানে ইন্টারনেটের সকল বার্তা, এবং সকল কথাবার্তা সরকার যাতে অনায়াসে আড়ি পাততে পারে, সেজন্য ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সে সরকার শর্ত জুড়ে দিয়েছে এই DPI যন্ত্র বাধ্যতামূলক হিসেবে। বিস্তারিত: http://bit.ly/1MTPEYp]

পুরো ইন্টারনেট জুড়ে সরকারী নিয়ন্ত্রণ, কণ্ঠরোধে সরকারী আগ্রহ আজ বিশ্বব্যাপী এক কুৎসিত মহামারী রূপে আবির্ভূত হয়েছে। দমন নিপীড়নকারী সরকারগুলি, যেমন চীন এবং সউদিয়ারবের পথে হাঁটছেন, আপনি কি জানেন না? বাংলাভাষীদের এক প্রিয় অভিনেত্রীকে আজ মঞ্চে তুলে দেয়া হয়েছে মধু মিশিয়ে আমাদের পিঠে ছুরি গেঁথে দেবার জন্য, এই অনুভূতি কি আপনার শিরদাঁড়ায় খেলা করে না, নিজেকেই প্রশ্ন করুন!

আমরা জানি স্বৈরাচারী এবং সামরিক ছাউনীজাত সরকারগুলি সবসময়ই গণমানুষের কণ্ঠে ভীত ছিলো। কিন্তু চোখের সামনে এ কোন আওয়ামী লীগ আমরা দেখছি! ইন্টারনেট আজ যেখানে চিন্তা ও বিতর্কের এক ব্যস্ত জনপথে পরিণত, তারুণ্যের চিন্তার মুক্তির দারুণ সব পর্ব ঘটে যাচ্ছে, পুরো বিশ্বের সাথে একীভূত হচ্ছে, সেখানে আপনি মাথায় হিজাব না পরেও আগামী প্রজন্মকে সেই 'উগ্র' ইসলামের দাস বানিয়ে ফেলবার সব ব্যবস্থাই পাকা করে ফেলছেন?

ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠিয়েছিলাম আপনাদের আমরা। আমাদের দেখভাল করবার জন্য। সেই আমাদেরই আপনারা ভয় পেতে শুরু করেছেন? আমাদের ওপর লেলিয়ে দিয়েছেন ইসলামী জঙ্গী, আওয়ামী লীগের নেতারাই আজ বিকট প্রকৃতির একেকজন ইসলামবাজ। ইসলামী আততায়ী আজ আমাদের কুপিয়ে মারছে, আপনারা আমাদের রক্ষা করবার বদলে আমাদের কণ্ঠ কেড়ে নিচ্ছেন? তাহলে ৫২ সালের পাকিস্তানী সামরিক যন্ত্রের বাংলাভাষা কেড়ে নেবার সাথে আজকের আওয়ামী (মুসলিম) লীগের কি তফাৎ রইলো?

একবার বলতে পারবেন?

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১২ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৩৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১১ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৪ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬০ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১২ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১০৮ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৬ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ