আজ শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

সালতামামি ২০১৫

ইমতিয়াজ মাহমুদ  

সালতামামি করি চলেন। (লিখে তো ফেললাম সালতামামি, কিন্তু বানানটা কি হবে? এইবছর যেসকল নিন্দনীয় কাজ করেছি তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অজস্র বাংলা বানান ভুল করা। পেশাগত কাজে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করি, সেখানে বানান ভুল কম হয়। কারণ আমার কম্প্যুটারটা ইংরেজি বানান ভুল করার সুযোগ দেয় খুব কম। আপেল কোম্পানির নতুন মেশিন, সর্বাধুনিক অপারেটিং সিস্টেম, ইন্টেলের নতুন প্রসেসর আর মাইক্রোসফট এর একদম লাইসেন্সকৃত অফিস স্যুট সব মিলিয়ে বেশ চৌকস যন্ত্র। বানান ভুল ধরার ক্ষেত্রে কয়দিন আগে একটু গড়বড় করছিল, এমন টাইট দিয়েছি ব্যাটাদের, এখন ইংরেজি বানান ভুল হলে একদম ক্যাঁক করে ধরে।

আফসোস, বাংলা বানানের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে অনলাইনে, এরা একদম অসহায়। সুতরাং আমার অর্ধশিক্ষিত স্মৃতি আর কানই ভরসা। সালতামামি লিখতে গিয়ে আমার কান বলছিল ম'এর উপর দীর্ঘ ইকার হওয়া উচিৎ, আর স্মৃতি বলছে শব্দটা বিদেশী বলে হ্রস্ব ইকারই বিধেয়। দিয়ে দিলাম হ্রস্ব ইকার। যা হয় হোক।)

সালতামামি তো করবো, কিন্তু ইসায়ি সাল ধরে কেন হিসাব করছি। উৎসব করি বাঙলা সাল ধরে আর সালতামামি করবো ইসায়ি সাল ধরে এটা কেমন ইয়ে হয় বলেন? মেরিপুত্র ঈসার পুনরুত্থানের দিন ধরে এইযে সাল গণনা শুরু করেছে এরা, এখন তো সকলেই সেটা মেনে নিয়েছেন। মেনে না নিয়ে উপায় কি? পাদ্রী সাহেবদের বানানো হলেও সেই ক্যালেন্ডার কিনা ওরা পরে সংস্কার টংস্কার করে বেশ আধুনিক বানিয়ে নিয়েছে। এই ক্যালেন্ডারে এখন সূর্যের চারপাশে আমাদের এক চক্কর দিয়ে আসার সময়ের সাথে এক বছর প্রায় মিলে যায়। প্রায় বলছি কেন বুঝতেই পারছেন, ছোট একটু ভগ্নাংশও আছে, যেটা মিলানোর জন্যে আবার লিপ ইয়ার রয়েছে। লিপ ইয়ারের পরেও আবার আরেকটা কি যেন আছে মিনিট সেকেন্ড পর্যন্ত সমন্বয় করে দেয়। সেই হিসাবটা অবশ্য আমি জানিনা।


বলে তো দিলাম যে ক্যালেন্ডার সমন্বয়ের সূক্ষ্ম হিসাবটা আমি জানিনা। ভাবখানা যেন আমি অন্য সব হিসাব বেশ ভাল জানি। কিন্তু আমি তো আসলে অন্য হিসাবও ঠিকঠাক জানিনা। হিসাবে আমি বেশ কাঁচা, কিন্তু সেটা স্বীকার কতে চাইনা। স্বীকার করতে চাইনা কারণ হিসাব জিনিসটা হচ্ছে গণিত, অর্থনীতি আর রাজনীতির সমন্বয়ে গঠিত- উপরি কাঠামোর জিনিস। গণিত এর নিয়ামক শাখা। আর গণিত নাকি হচ্ছে শুদ্ধতম লজিক। তাইলে গণিত জানিনা বললে তো স্বীকার করেই নিতে হয় যে আমার যুক্তি বুদ্ধিও ভালো না। কোন বোকা এই কথা স্বীকার করে বলেন? আমি বোকাও স্বীকার করিনা।

হিসাবের কথা যখন আসলো, তখন আরেকটু বলে নিই। হিসাব কিন্তু আসলেই একটা রাজনৈতিক অর্থনীতির ব্যাপার। এই যে আপনি জমা খরচ দায় দেনা মিলাবেন সেখানে খাত নির্ধারণ করতে হয়না? কোন অঙ্কটা কোন খাতে যাবে সেটা কিন্তু শুদ্ধ গণিত নয়। সেখানেই আসে আপনার নীচের কাঠামো অর্থাৎ অর্থনীতি কোনটা সেই প্রশ্ন। সেই অর্থে হিসাব আসলে রাজনীতি নিরপেক্ষ কোন ব্যাপার না।

তাইলে সালতামামি যখন করবেন সেখানেও তো রাজনীতি অর্থনীতি এইসব চলে আসে। আসবেই তো। সালতামামিও তো এক পিস হিসাবই, নাকি? সুতরাং সালতামামি করবেন আর রাজনীতি করবেন না বা অর্থনীতি করবেন না সে তো হবার নয়। আসলে হিসাব তো আর বিষয় না, বিষয়ের প্রেজেন্টেশন মাত্র।


সালতামামি বা হিসাব করতে হলে তো তাইলে খাত নির্ধারণ করতে হয়। আমার হিসাবের খাত কি কি? আমরা উকিলরা ফর্ম আর প্রিসিডেন্ট মেনে চলি। আমি সালতামামির প্রিসিডেন্ট খুঁজি, ফর্ম খুঁজি। খবরের কাগজগুলি সালতামামি করে, টেলিভিশন চ্যানেলগুলি সালতামামি করে। আমি সেগুলি দেখে একটা ফর্ম পাওয়ার চেষ্টা করি। অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে প্রায় সকল খবরের কাগজ আর টেলিভিশনের সালতামামির ফর্ম একই। এরা সবাই প্রায় একইরকম হিসাবে খাত বানিয়েছে আর একইরকম ঘটনাবলীর প্রায় একইরকম ভ্যালু ধরে নিয়ে করে হিসাব মিলাচ্ছে।

আপনিও খেয়াল করে দেখবেন, মোটামুটিভাবে প্রায় সবাই প্রতিটি বড় ঘটনার একইরকম ভ্যালু ধরছে। এতে অবাক হবেন না। এটাই তো হবার কথা। দুনিয়ার সকলেই তো এখন একই রাজনৈতিক অর্থনীতির গোয়ালে গিয়ে ঢুকেছে। তাইলে একই ঘটনার ভিন্ন ভ্যাল্যু ওরা করবে কি করে?

ওরা যেসব খাত বের করেছে আর যেসব ঘটনার যেরকম ভ্যাল্যু করছে সেটা তো আমার সাথে মিলছে না। অভিজিৎ প্রাণ দিল ভিন্নমতের জন্য, এটাকে ওরা দেশী খাতে ফেলেছে। এটা কি আসলে কেবল একটা দেশী ঘটনা? শার্লি এবদুতে গুলি করে মানুষ মেরে ফেললো, সেটা আন্তর্জাতিক খাতে ফেলেছে ওরা। কিন্তু এটা তো আমার কাছে ঘরের ঘটনাই। আপনি দেশীয় আর আন্তর্জাতিক বলে এইরকম ভাগ করবেন কিভাবে? আবার দেখেন পদ্মা সেতুকে আপনি কোন খাতে ফেলবেন? অর্থনীতি খাতে? নাকি রাজনীতি খাতে?


না, এই বছরটা হিসাব করতে ইচ্ছা করছে না। এইজন্যই এরকম কথা প্যাচাচ্ছি। কিভাবে হিসাব করবেন আপনি? বদরগুলিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছি, এটা যাবে জমার খাতে, ঠিক আছে। আমার অভিজিৎকে যে হত্যা করলো? অনন্ত বিজয়কে? বাবুকে? নিলয়কে? সেটা আমি খরচের খাতে কি করে রাখবো? আপনি জমা খরচের হিসাবে কোনটার কত ভ্যাল্যু করবেন? কয় হাজার বদর মারলে একটা অভিজিৎএর হিসাব বরাবর হবে?

নেপালে কমরেড বিদ্যা ভাণ্ডারী প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। আমাদের এখানে নানারকম গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা নিয়োগ পেয়েছেন। এগুলি আমার জমার খাতে যাবে। ঠিক আছে। পাহাড়ে যে আমার মেয়েদেরকে অত্যাচার করেছে সেটেলাররা? সেটা? বকো হারাম যে মেয়েদেরকে তুলে নিয়ে গেল শত শত, সেটা? আমাদের এখানে এই শহরে যে পয়লা বৈশাখে আর অন্য প্রতিদিন মেয়েদের উপর নির্যাতন হচ্ছে সেটা? আপনি জমার ঘরে আর কতই বা দিবেন যে আমাদের ক্ষতিগুলি সমন্বয় করবেন?

এই হিসাব আপনি কিভাবে করবেন?

আমাদের অর্থনীতি শক্ত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতি ঠ্যাঙ্গা দেখিয়ে আমরা একটা পদ্মা সেতু বানিয়ে ফেলতে পারি। আয়ের গড় বেড়েছে। আয়ুর গড়ও বেড়েছে। কিন্তু যে মেয়েরা আধপেটা খেয়ে, রাবারের স্যান্ডেল পরে দিনের পড় দিন কাজ করে, পায়ে পিষ্ট হয়, বিল্ডিঙে চাপা পরে আর আগুনে পুড়ে মরে ওদের আয় তো বাড়ল না। গড় দিয়ে তাইলে আমার কি লাভ? গড় আয় বৃদ্ধি তাইলে আমি জমার খাতে কি করে লিখবো?


বইমেলার আয়তন বেড়েছে। বেশী বই প্রকাশিত হচ্ছে। ঢাকার প্রকাশকদের অনেকের আয় উপার্জন বেড়েছে। আগামী বইমেলায় কি কি বই বেরুবে তার ইয়ে পাওয়া শুরু করেছি। কিন্তু এই যে সেদিন দুই প্রকাশকে আক্রমণ করলো? কি দিয়ে তার ব্যাল্যান্স মিলাবেন?

তসলিমা নাসরিন তো নির্বাসনেই রইলেন আরও একটা বছর। আমাদের মেয়ে আমাদের লেখক, আর আমরা খবরের কাগজে দেখি ওকে কোলকাতা থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছে, ভারতে থাকতে দিবে কি দিবেনা এইসব খবর। ভাল লাগে? বলেন? সে কোথায় থাকতে পারবে আর কোথায় থাকতে পারবে সেই নিয়ে আমরা আলোচনা করি, কিন্তু সাহস করে বলতে পারিনা, আয় চলে আয় ঢাকায়, দেখি তোকে কে কি করে। আমাদের এই ব্যর্থতার জন্যে কত দিবেন দেনার ঘরে?

তার সাথে যোগ করেন আমরা যেসব লেখকদের তাড়িয়ে দিয়েছি ওদের নাম। আসিফ মহিউদ্দিন গেছে। হুমায়ুন আজাদের ছেলেটা গেছে। বাচ্চা বাচ্চা মেয়ে দুইটা, ইত্তিলা রায় ইতু আর শাম্মি হক। আকৃতিতেও একদম পিচ্চি পিচ্চি। এই পিচ্চিগুলিকে আপনারা এমন কি ভয় পেলেন যে ওদেরকেও তাড়িয়ে দিলেন?

এই লিস্টি আমি বড় করতে থাকবো করতে থাকবো আর দেখা যাবে আমার হিসাব মিলছে না। লাভের ঘরে যতটুকুই পড়ছে, দেনার হিসাব যে তারচেয়ে অনেক অনেক অনেক বড়।


না, লাভ যে আমাদের একদম হয়নি সেটা বলবো না। হয়েছে তো। প্রাপ্তির ঘর নেহায়েত খারাপও না। আমি তো পঞ্চাশ পেরিয়ে গেলাম, এখন তো আর নিজেরে তরুণ বলিনা। একটু উদ্বেগে ছিলাম। আমরা তো কিছুই করতে পারলাম না, জিয়াউর রহমানের তস্করসুলভ ইয়েতে পরে আমাদের একটা প্রজন্ম বিনষ্ট হয়েছে প্রায়। আমাদের পরের প্রজন্মের ছেলেরা মেয়েরা কি করবে?

আপনাদেরকে আমি বুক ঠুকে বলতে পারি, আমাদের পরের প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা আমাদের দেশটাকে ঠিক ডাইরেকশনেই নিয়ে যাবে। আরিফ নামে একটা ছেলে আছে। একাত্তর টেলিভিশনে দেখেছেন আপনারা। এই ছেলেরা বেঁচে থাকতে আমাদের আশা কখনো মরবে না। ছেলেটা বয়সে আমার অনেক ছোট, হাঁটুর নিচে হবে। কিন্তু প্রজ্ঞা ও প্যাশনে সে আমাদের অনেকের অনেকের অনেকের চেয়ে বড়। কি অকৃত্রিম ভালোবাসায় সে বুকে ও মেধায় মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করেছে। আমি কতদিন ভেবেছি এই ছেলেটার কোথা লিখি ফেসবুকে। লিখতে পারিনা। কান্না চলে আসে। নিজে নিজেই মনে মনে বলি, আমাদের কোন ভয় নাই। আরিফরা আছে।

ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণী এই ছেলেকে পুত্র বিবেচনা করেন। এই ছেলের তো আর নোবেল প্রাইজেরও দরকার নাই।

না, আরিফ কিন্তু একা না। এরকম হাজার ছেলেমেয়ে আছে। আমার ফেসবুকে অনেকে আছেন এইসব বাচ্চারা। ইন্টারমিডিয়েট পড়ে বা মাত্র পড়া শেষ করেছে। ওদের লেখা আর চিন্তার ধরন দেখে মনে হবে কত পাকা মাথা! ছবি দেখে দ্বিধায় পড়ে যাই, এই এতোটুকু মেয়ে বা এতোটুকু ছেলে! এরা এরকম ম্যাচিউরড চিন্তা করছে? এইরকম নিঃসঙ্কোচ প্রকাশ করছে? ভাবলাম নিশ্চয়ই কোন ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। পরে জানতে পারি এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের দুয়ারেই যায়নি এরা। এরা পড়াশুনা করে, দৃষ্টি উম্মুক্ত। কোন প্রথা বিশ্বাস বা ডগমা ওদের দৃষ্টিকে আচ্ছন্ন করেনি। আজকের এই ছেলেমেয়েরা ঠিকই ঠিক রাস্তাটা খুঁজে নিতে পারবে- নিজের জন্যও আর আমাদের সবার জন্যও।


নিজের দিকে তাকালে অবশ্য অভিযোগের কিছু দেখি না। পিতৃহীন জীবনের ছাব্বিশ বছর হয়ে গেল। পিতার অনুপস্থিতির কারণে বৈষয়িক সংকট তো ছিলই। এখন যত দিন যাচ্ছে আমার তত বেশী করে মনে হচ্ছে ভদ্রলোক আমার সাথেই আছেন। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ৫৩ বা ৫৪ এরকম। কিছুদিনের মধ্যেই আমি সে বয়স ছুঁয়ে ফেলবো। মৃত্যু তো তাঁর বয়স স্থির করে দিয়েছে, আমি এগিয়ে এসে তাঁর সমবয়সী বন্ধুর মত হয়ে যাচ্ছি। এখন আমি উপলব্ধি করতে পারি মৃত্যুর আগের ক্ষণটাতেও তিনি একজন প্রিয়দর্শন ভদ্রলোক ছিলেন।

এমনিতেও আমার শৈশব কৈশোর বা যৌবনে পিতার সাথে খুব বেশী কথা হতো না। তিনি এমনিতেই স্বল্পভাষী ছিলেন, আর কথা বলতেন অতি নিচু কণ্ঠে। তিনি যেসব বই পড়তেন সেগুলি আমিও পড়তাম, এই ছিল আমাদের ভাব বিনিময়ের মুল মাধ্যম। এক সময় আমি জীবন সম্পর্কে বা সমাজ বা রাষ্ট্র রাষ্ট্র সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি মানতে চাইতাম না। এখন জানিনা কেমন করে আমি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁর মতের সাথে ঐক্য খুঁজে পাই।

পেশাগতভাবে এই বছরটা খুব ভাল ছিল না। বছরের শেষ দিকে এসে মনে হচ্ছে আগামী বছরটায় পছন্দের কাজগুলিতে ব্যাস্ততা একটু বাড়বে। ব্যাস্ততা বাড়লে তো আয় উপার্জনও বাড়ার কথা। দেখা যাক।

সংসার জীবনে তো আমি সেরকমই আছি। সকল অপ্রাপ্তি আর অসন্তোষ নিয়েই আমার প্রিয়তমা স্ত্রী এবছরও আমাকে যথেষ্ট ভালোবাসাই দিয়েছেন। সন্তানদের বেলায় একটু স্বস্তি এসেছে, আমার দুই মেয়ের আর যাই হোক সাম্প্রদায়িক বা হিজাবি বা কিতাবি হবার সম্ভাবনা প্রায় নাই বললেই চলে। পাঠাভ্যাসটা বজায় থাকলে আর কিছু নিয়ে কোন আশঙ্কা নেই। বড় হয়ে যাচ্ছে, নিজের জীবন নিজের মত নিজেরাই খুঁজে নিতে পারবে, একটু আগে না হলে পরে।

স্বাস্থ্যটা একটু দেখতে হবে। আমার বাপ তো বিড়ি খেতে খেতেই টেঁসে গেলেন যৌবনেই। আমি আরেকটু দীর্ঘায়ু হতে চাই। পৃথিবী বড় সুন্দর জায়গা। আর এখানে বাংলাদেশ বলে যে দেশটা আছে, সেটা তো অপরূপা। তস্কররা যতই চেষ্টা করুক শেষ বিচারে সুন্দরই বিজয়ী হয়। আমি সেই বিজয়ীদের দলে থাকতে চাই আরও অনেকগুলি অনেকগুলি অনেকগুলি বছর।

ইমতিয়াজ মাহমুদ, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ইমেইল: [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১৩ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৮ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১৩১ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ