আজ শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

শিক্ষকের নয়, ভূলুণ্ঠিত বাংলাদেশের মর্যাদা

ফরিদ আহমেদ  

আমার আব্বা ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। আমাদের ভাইবোন বা আম্মার সাথে বাসায় যে কড়া আচরণটা আব্বা করতেন, তার ঠিক বিপরীত ব্যবহার ছিল তাঁর ছাত্রদের সাথে। এরকম স্নেহময় শিক্ষক খুব কমই হয়। তাঁর মতো করে ছাত্রদের অমন আদর-স্নেহ করতে, ভালবাসতে খুব কম শিক্ষককেই দেখেছি আমি।

আব্বা যেহেতু চাকরি জীবনের শুরু থেকে একেবারে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধেশ্বরী স্কুলে ছিলেন, সেহেতু এই স্কুল থেকে অসংখ্য ছাত্র বেরিয়েছে তাঁর। এদের অনেকেই সফল হয়েছে জীবনে, অনেকে হয় নি। কেউ কেউ বিরাট অফিসার হয়েছে, কেউ সফল ব্যবসায়ী হয়েছে, কেউ বা সুবিখ্যাত সাংবাদিক হয়েছে, আর কেউ হয়েছে শিক্ষক। আবার গুণ্ডা, বদমায়েশ, মাস্তানও হয়েছে অনেকেই।

আব্বার একটা বদ অভ্যাস ছিল। প্রাক্তন কোনো ছাত্রকে সামনে পেলেই তার কান চেপে ধরতেন। এটাই ছিল তার আদর-ভালবাসার প্রকাশ। আব্বার সাথে হয়তো কোথাও যাচ্ছি। পাড়ার সবচেয়ে বড় মাস্তানটা চায়ের দোকানে চা-বিড়ি খাচ্ছে ইয়ার দোস্তদের সাথে, আব্বা পিছন দিক দিয়ে গিয়ে কান চেপে ধরেছেন শক্ত করে সবার সামনে। 'কীরে বদমায়েশ, কী করিস এখানে?' এই রকম গালমন্দ ছিল আব্বার আদুরে সম্ভাষণ। এতবড় মাস্তান, যার ভয়ে সমস্ত পাড়া কম্পমান, পুরো এলাকা যাকে মূর্তিমান আতংক মনে করে, তাকেও দেখেছি সিগারেট হাত থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে কাঁচুমাচু হয়ে গেছে আব্বার সামনে। বসা অবস্থায় থাকলে এক লাফে উঠে দাঁড়িয়েছে। কেউ কেউ আবার পায়ে হাত দেবার জন্যও ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কবে কোন জন্মে আব্বা পড়িয়েছেন, সেই শ্রদ্ধা-সম্মান জানাতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য নেই তাদের।

এরকম ঘটনা একবার দুবার নয়, বহুবার চাক্ষুষ করেছি আমি।

আব্বার কথা বাদ দেই। আমিও বাংলাদেশের একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছি। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি শিক্ষকতা করেছি, সেখানকার ছাত্র ছিলাম না আমি। অন্য একটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেছি। সহজ ভাষায় বহিরাগত ছিলাম আমি সেখানে। আগে থেকে আমার কোনো কর্তৃত্ব ওখানে ছিল না।

আমি যখন শিক্ষক হই, তখন বিএনপির শাসনকাল চলছে। ছাত্রদলের ভয়ংকর দাপট। যে হলে আমি হাউজটিউটর ছিলাম, সেটাই ছিল আবার তাদের সবচেয়ে বড় ঘাটি। এখান থেকেই সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হতো। ছাত্রদল তখন রক্তক্ষয়ী অন্তর্কোন্দলে লিপ্ত। ছাত্রলীগ বলে কিছু নেই ক্যাম্পাসে। কাজেই, নিজেরা নিজেরাই মারামারি করে ছাত্রদল। মারামারি করে মরে কিংবা আহত হয়।

দুইদিন পরপর দুই গ্রুপের অস্ত্রের লড়াই শুরু হয়ে যায়। হলের হাউজ টিউটর হবার কারণে এই অস্ত্রধারীদের নিত্যনৈমিত্তিক মোকাবেলা করতে হয়েছে আমার নানা ঘটনায়। আমি তাদের বিপরীত রাজনৈতিক আদর্শে অনুগত থাকার পরেও, এদের সামলাতে আমার বেগ পেতে হয় নি খুব একটা কখনো। চোখে খুনের আগুন, হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাগি মেজাজে সামনে পড়তো ঠিকই, কিন্তু শক্ত হয়ে সামনে দাঁড়ালে আপনাতেই সেই খুনে চোখ নত হয়ে যেতো। অথচ এদের সাথে আমার বয়সের খুব একটা বেশি পার্থক্যও ছিল না তখন। মাত্র পঁচিশ-ছাব্বিশ বছরের এক তরুণ তখন আমি। এদের সবাই যে আমার সরাসরি ছাত্র ছিল, তাও নয়। কিন্তু যতই গুণ্ডা, পাণ্ডা, বদমায়েশ কিংবা সন্ত্রাসীই হোক না কেন, একজন শিক্ষককে সম্মান দেখাতে হবে, এটা আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছিটানো ছিল।

২.
আর আজ, একজন প্রধান শিক্ষককে গুণে গুণে কানে ধরে ওঠবস করাচ্ছে একজন রাজনৈতিক পাণ্ডা। ভিড় করে লোকজন মজা দেখছে, কেউ বা ভিডিও করায় ব্যস্ত মজাদার এই দৃশ্যের। হ্যাঁ, এটাও এখন ফান মানুষের কাছে। একজন সম্মানিত শিক্ষক তার সারাজীবনের সব সম্মান হারাচ্ছেন সবার চোখের সামনে, এতেও মানুষ পৈশাচিক আনন্দ পায় প্রতিবাদের পরিবর্তে।

এই ঘটনাটা ঘটেছে নারায়ণগঞ্জে। সেখানকার পিয়ার সাত্তার লতিফ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে সাংসদ সেলিম ওসমান অসংখ্য মানুষের সামনে কানে ধরে ওঠবস করান। তিনি ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করেছেন, এটাই তাঁর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ।

প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত একজন ছাত্রকে সাজা দিতে গিয়ে মারধোর করেছেন এবং মারধোর করার সময়ে ইসলাম ধর্মের বিষয়ে কটূক্তি করেছেন, এই ঘোষণা মসজিদের মাইক থেকে ঘোষণা করে লোকজনকে খেপিয়ে তোলা হয়। উত্তেজিত জনতার একটা অংশ শ্যামল কান্তি ভক্তকে মারধোর করে। এরপর রঙ্গ মঞ্চে এসে হাজির হন সেলিম ওসমান সাহেব। তিনি তখন শ্যামল কান্তি ভক্তকে জনসম্মুখে কানে ধরে ওঠবস করান।

পত্র-পত্রিকা এবং অন্যান্য মাধ্যম থেকে যে সব খবর  বেরিয়ে আসছে, তাতে শ্যামল কান্তি ভক্তের ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ধোপে টিকছে না। কারণ, যে ছাত্রকে তিনি মারধোর করেছেন, সেই ছাত্রই পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেছে যে, তিনি ধর্ম নিয়ে কোনো কথা বলেন নাই তাকে শাস্তি দেবার সময়ে। স্কুল পরিচালনা কমিটি, তাদের নিজস্ব কিছু স্বার্থ-সিদ্ধির জন্য তাঁকে ঘায়েল করেছে মিথ্যা অভিযোগের আওতায় এনে, এটাই এখন সত্যি হিসাবে সামনে চলে এসেছে। তাঁকে বরখাস্তের যে নোটিশ এসেছে স্কুল ম্যানেজমেন্টের তরফ থেকে, সেখানে যে তারিখ আছে, সেটা এই ঘটনা ঘটার আগের তারিখ।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ শ্যামল কান্তি ভক্তের বিরুদ্ধেই প্রথম না। এর আগেও আরো দুজন হিন্দু শিক্ষককে এই অভিযোগের আওতায় আনা হয়েছে। তাঁরা দুজনেই বর্তমানে জেলে রয়েছেন। ছয়মাসের জেলদণ্ড ভোগ করছেন তাঁরা। এঁদের মধ্যে একজন প্রধান শিক্ষক ও অন্যজন বিজ্ঞানের শিক্ষক।

বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার হিজলা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও এক বিজ্ঞানের শিক্ষককে বাংলাদেশের একটি আদালত এই কারাদণ্ড দিয়েছে। কোরান অনুযায়ী‘আল্লাহ’পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা এই তত্ত্বটি বিজ্ঞানের ক্লাসে বিজ্ঞানের শিক্ষক নস্যাৎ করায় ছাত্ররা প্রতিবাদ করতে শুরু করে। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক পর্যন্ত গড়ালে তিনি এ বিষয়ে তাঁর সহকর্মীকেই সমর্থন করেন। এর পরে ছাত্ররা আদালতে এই বিষয়ে একটি অভিযোগ জানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ম্যাজিস্ট্রেট আনওয়ার পারভেজ ধর্মের অবমাননা সংক্রান্ত আইন মতে অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

নড়াইলে ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করার অভিযোগ এনে এক হিন্দু শিক্ষককে ঘরছাড়া করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নেতৃত্ব দিচ্ছে ছাত্রলীগের কয়েকজন স্থানীয় নেতা-কর্মী। এলাকা থেকে ওই হিন্দু শিক্ষককে তাড়ানোর উদ্দেশ্যে তার মন্তব্যের ওপর রঙ চড়িয়ে ও ইচ্ছেমতো কথা জুড়ে দিয়ে এলাকায় পোস্টার ছড়িয়েছে সুবিধাবাদী মহলটি। এমনকি তাদের ইচ্ছা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে পক্ষে টানতে নিয়মিতভাবে সেখানে মিছিল-সমাবেশও করছে তারা। ভুক্তভোগী শিক্ষকের নাম কিংকর চন্দ্র সমাজদার।

নিজের বাসায় প্রাইভেট পড়ানোর সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সাধারণ আলোচনায় ওই শিক্ষকের বলা একটি বক্তব্যকে বিকৃত করে উপস্থাপনের মাধ্যমে এ ঘটনার সূত্রপাত। এরপর বিষয়টি স্কুল ঘুরে মুখে মুখে অতিরঞ্জিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং সুবিধাবাদী একটি মহল এর ফায়দা লোটার চেষ্টা করা শুরু করে। এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকও মদদ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরও ব্যবহার করছেন তারা।

উপরের তিনটে ঘটনা থেকে একটা পরিষ্কার ট্রেন্ড পাওয়া যায়। যাঁদের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আসছে, তাঁরা সকলেই মূলত হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এঁরা ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু বলেছেন, এরকম বলে সাধারণ মুসলমানদের খেপিয়ে তোলা হচ্ছে। তাঁরা সত্যিই অবমাননা করেছেন বা করেন নি, সেই বিচার সুষ্ঠুভাবে কোথাও করা হচ্ছে না। লোকজনের চাপে পড়ে তাঁদের জেলদণ্ড দেওয়া হচ্ছে, নতুবা অপমানের বোঝা মাথায় চেপে নিতে হচ্ছে প্রকাশ্যে।

বাংলাদেশের হিন্দু জনগোষ্ঠী এমনিতেই দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকের জীবন-যাপন করে। প্রতিদিনই চাপা ভয় এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হয় তাঁদের। জানের ভয় এবং মানের ভয়েই সারাক্ষণ তটস্থ থাকতে হয়। কোনদিন ভিটেমাটি ছেড়ে দেশান্তরী হতে হয়, সেই আশংকাকে সাথে নিয়ে চলতে হয় তাঁদের দিনরাত্রি।  বাস্তব জীবনে দেখেছি  ইনারা নিরীহ প্রকৃতির হন, সবসময় ঝামেলা এড়িয়ে চলতে পছন্দ করেন। এটা না করে উপায়ও নেই তাঁদের। তাঁরা জানেন, যে কোনো ধরনের ঝড়-ঝাপটা এলে তা শুধুমাত্র তাঁদেরকে সজোরে ধাক্কা দেবে, অন্যদের কিছু হবে না। এরকম একটা ভীত, ভঙ্গুর এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মকে জনসম্মুখে অবমাননা করার সাহস পাবেন বা উৎসাহী হবে, এটা কোনো সুস্থ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের পক্ষে বিশ্বাস করা সহজ নয়।

পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, কোনো একজন হিন্দু ব্যক্তির ক্ষতি করার ইচ্ছা কারো মনে জাগলে, তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে দিলেই হলো। বাকিটা জনতা কিংবা আদালত ব্যবস্থা নেবে। এটা একটা দেশের জন্য সুস্থ পরিবেশ হতে পারে  না। এমনিতে হিন্দুদের দেশান্তরী হবার হার বেশি,  দিন দিন হিন্দু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কমে আসছে বাংলাদেশে। পরিস্থিতি এমন হলে এই দেশান্তরী হবার হার দ্রুতগতিতে বেড়ে যাবে।

৩.
একজন শিক্ষককে প্রকাশ্যে কানে-ধরানোর লজ্জায় আজ পুরো দেশ অপমানিত এবং হতবাক। এরকম ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে হবে, এটা কেউই আশা করে নি। কিন্তু, আমাদের দেশে নৈতিকতার যে অবক্ষয় শুরু হয়েছে, বিশেষ করে যারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তাদের একটা অংশ এমনই বেপরোয়া এমন উদ্ধত হয়ে উঠেছে যে, কারো পক্ষে আর মান-সম্মান বজায় রেখে চলাটা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। একজন মন্ত্রী প্রকাশ্যে ইঞ্জিনিয়ারকে ক্যামেরার সামনে ধমকাবেন, কিংবা কোনো অফিসের কর্তা ব্যক্তিকে সবার সামনে অপমান করবেন, এগুলো যেন খুব স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে বাংলাদেশে। কারো দায়িত্বে অবহেলা থাকলে, কিংবা কেউ চাকুরী ক্ষেত্রে দুর্নীতি করলে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবার সুযোগ রয়েছে। আইন-আদলতেও এর মীমাংসা হতে পারে। কিন্তু মানুষকে প্রকাশ্যে অপমান করার অধিকার কারো থাকতে  পারে না, তা তিনি যত উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিই হোন না কেন। শ্যামল কান্তি ভক্তের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুহাম্মদ জাফর ইকবালও এরকম কথাই বলেছেন। তিনি বলেছেন, "মানুষকে মানুষের সম্মান করতে হয়, একজন বড় অপরাধীকেও এভাবে অপদস্থ করা যায় না আর উনি তো সম্মানিত শিক্ষক। এটি একটি অকল্পনীয় ব্যাপার। কেবল তাই নয় এটি অবিশ্বাস্য ও মর্মান্তিক। একজন সাংসদের উপস্থিতিতে কয়েকজন লোক একজন শিক্ষককে কান ধরে ওঠবস করাচ্ছে।”

প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তির এই অপমান শুধুমাত্র তাঁর  এবং তাঁর পরিবারের নয়। এই অপমান সারা বাংলাদেশের। কান ধরে তিনি একাই ওঠবস করেন নি, তার সাথে সাথে করেছে সমস্ত বাংলাদেশ। সাংসদ সেলিম ওসমান তাঁর কাজের যে সাফাই-ই দিন না কেন, সেটি গ্রহণযোগ্য নয় কোনোভাবেই। একজন সম্মানিত শিক্ষককে, একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে জনসম্মুখে এভাবে অপমান করার কোনো অধিকার তাঁকে কেউ দেয় নি। অচিরেই সরকার এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন, সেই প্রত্যাশাই করি।

এই কাজটা করতে ব্যর্থ হলে, জাতি হিসাবে, সমাজ হিসাবে, রাষ্ট্র হিসাবে আমাদের পতন অনিবার্য হয়ে উঠবে।

ফরিদ আহমেদ, কানাডা প্রবাসী লেখক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১৩ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৮ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১৩১ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ