আজ মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এবার চিনতে পারছেন তো?

জহিরুল হক বাপি  

হায় চিল, সোনালী ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরে
তুমি আর কেঁদোনাকো উড়ে উড়ে ধানসিঁড়ি নদীটির পাশে!
তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে।
পৃথিবীর রাঙ্গা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;
আবার তাহারে কেন ডেকে আনো?
কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদন জাগাতে ভালোবাসে!

আমরা বাঙালিরা কি বারবার হৃদয় খুড়ে, জীবন খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসি নিজেদেরকে নিজেরা ঠকিয়ে? বাবুল আক্তারের স্ত্রী যখন খুন হয় তখন পথচারী ছিল বেশ কিন্তু কেউ যায়নি। কে যাবে? যখন এক পুলিশ আক্রান্ত হলে অন্যরা পালিয়ে যাবার ইতিহাস খুব পুরানো নয়। সোনালী ডানার চিল বারবার পদ্মা, মেঘনা, যমুনার স্রোতে ভেসে ভেসে ছায়া ফেলে কেঁদেই চলছে।

সব আছে আমাদের; নদী ভরা মাছ, জমি ভরা ফসল, আকাশ ভর্তি মেঘ, সুঠাম সন্ততি, জোছনার ছায়া ছায়া কাব্য। ইউরোপ আমেরিকায় না কি বছরের পর বছর চেষ্টা করতে হয় সন্ততির জন্য। অন্যদিকে আমরা এত উর্বর যে কংক্রিটের দেওয়ালেও এখানে গাছ জন্মায়। আমাদের সবই আছে, কিন্তু কোন কিছুই তেমন একটা আমাদের অধিকারভুক্ত নয়; ৭৫ পরবর্তী সময় থেকেই। আমরা যে “কে” সেটাও আমাদের ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, হচ্ছে।

বাঙালি অনেক ক্ষেত্রেই মুখ চালাক, মুখ কবি, মুখ বিপ্লবী। চারপাশে এত এত বিএনপি-জামায়াত-জঙ্গি মনোভাবাপন্ন মানুষ দেখা যায়, কিন্তু ২০১৩ সালের ৫ই মে'র তাণ্ডবের দিন বেগম খালেদা জিয়া বারবার বলা স্বত্বেও জনগণ মাঠে নামেনি। কিন্তু ২০০৮ সালে লগি-বৈঠার ডাক একবারই দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তার ফল আজকের স্রোতের মত সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ। দুই ঘটনা তুলনা করলে সহজ প্রশ্ন আসে, এমন হওয়ার কারণ কি? কারণ খুব সহজ, খুবই। ঐ যে মুখ চালাক বললাম, তেমনি মুখ জেহাদি। সত্যিকার অর্থে জঙ্গি নয়। জঙ্গিদের দেশ- পৃথিবী থাকে না।

বাঙালি মাটি, জলবায়ু, পরিবেশ মানুষের ভিতর এক ধরনের অপার্থিব বিভ্রম তৈরি করে। সেই কারণেই সম্ভবত বিদেশিরা সরাসরি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় ৫৩ সালে রাজা হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানের সেবক। এমনকি ৭১ সালেও ত্রিদিব রায় পাকিস্তানের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নেয়। যুদ্ধের পর থেকে চির পাকি সেবক ত্রিদিব পাকিতেই স্বেচ্ছা নির্বাসনে যায়। বাংলাদেশে আর কখনও আসেই নি। পাকি সরকার থেকে সাচ্চা পাকি সেবক হিসাবে মৃত্যুর দিন পর্যন্ত ভাতা দিত। রাজাকার ত্রিদিব রায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল তার শেষ ঠিকানা যেন বাংলাদেশেই হয়। এ মাটি মানুষের প্রতি এতটাই আসক্তি তৈরি করে।

“অরব অন্ধকারের ঘুম থেকে নদীর ছল ছল শব্দে জেগে উঠবো না আর;
তাকিয়ে দেখবো না নির্জন বিমিশ্র চাঁদ বৈতরণীর থেকে
অর্ধেক ছায়া গুটিয়ে নিয়েছে
কীর্তিনাশার দিকে।
ধানসিঁড়ি নদীর কিনারে আমি শুয়ে থাকবো--ধীরে--পউষের রাতে
কোনোদিন জাগাবো না জেনে--
কোনদিন জাগবো না আমি--কোনদিন আর।”

সাহসী, সৎ পুলিশ অফিসার বাবুল আক্তারে স্ত্রী আর কোন দিন জাগবেন না। জঙ্গি ত্রাস পুলিশ অফিসার স্বামীর নিরাপত্তা চেয়ে নামাযে বসে দোয়া করবেন না। জোছনা রাতে একলা বিছানায় শুয়ে ভাববেন না দেশপ্রেমিক দুর্ধর্ষ স্বামীর কথা। বিপিএম পাওয়া পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের দক্ষতা, প্রশংসা, কর্মের অনেকখানির অংশ নি:সন্দেহে তার স্ত্রীর। স্ত্রীর সমর্থন ছিল বলেই তিনি এতটা পথ আসতে পেরেছেন। কুপিয়ে হত্যা না করলে এ মহিলার কথা আমরা জানতামওনা। কতটা নিভৃতে তিনিও স্বামীর মতো সেবা করেছেন নিজ দেশকে, অনেকে হয়তো কল্পনাও করতে পারবে না। স্বামী তার পদক নিয়েছে পিছনে পর্দার আড়ালে আলো হাতের তার স্ত্রীর তাতেই আনন্দ।

দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে। দেশপ্রেমিক পুলিশ অফিসারের দেশপ্রেমিক স্ত্রী মিতুর কবরের হয়ত বৃষ্টি পড়ছে। মাটির নিচে বৃষ্টিতে স্ত্রী ভিজছে এটা ভেবে কেমন লাগছে এখন বাবুল আক্তারের? মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একবার ভাবুন তো। যদি ভাবার মতো দায় থাকে। আপনি, আপনার সন্তান, আপনাদের, বাঙালির, বাংলাদেশের নিরাপত্তা দিচ্ছে এ বাবুল আক্তাররাই ।

আজ এ অবস্থার জন্য আপনি অনেকাংশেই দায়ী মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নাস্তিক, ব্লগার, প্রকাশক খুনের পর আপনি কি লিখেছে, কি করেছে ইত্যাদি বলে খুনকে মিন-মিন করে জায়েজ করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই খুনিদের সাহস আরও বেড়েছে।  নিজের অসফলতা ঢাকতে যদি কথা না বলতেন তাহলেও হয়তো ক্ষতি কম হতো। সবাই বুঝেছে নাস্তিক-টাস্তিক কিছু না। তারা প্রথমে নাস্তিক ট্যাগ লাগিয়ে মৌলবাদী বিরোধীদের হত্যা শুরু করে। সেখানে তাদের মানসিকতা আয়েশ আরও উৎফুল্ল হলে একে একে তারা শিক্ষক, মাওলানা, পীর, ঠাকুর, সংগীতপ্রেমি হত্যা শুরু করে। মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আপনি তখন চুপ। খতিয়ে দেখার তত্ত্ব কিন্তু চুপ থাকেনি। সরকারী একজন আমলা আপনার আই.জি.পি এক সময় ব্লগারদের কাউন্সেলিং করার কথা বলেছিলেন। ঔদ্ধত্যপনার চরম।

এদেশের মানুষ তত শিক্ষিত নয় বলেই হয়তো একজন সরকারি কর্মকর্তা জনগণের টাকা নিয়ে জনগণের প্রভু হয়ে যায়।

যাই হোক, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবাই বুঝলেও আপনি বুঝেন নি তারা ধীরে ধীরে রাষ্ট্রকে কোপানোর দিকে যাচ্ছে। বিপরীত মতে যোদ্ধাকে দমন করতে উগ্রবাদীরা পরিবারে হাত দিয়েছে। এটা অপরাধের সর্বোচ্চ সীমা এবং নোংরামির চূড়ান্ত সীমা। অবাধ লাইসেন্স পাওয়াতে তারা আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। আপনি একের পর এক তত্ত্ব দিয়ে গেছেন।

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী , জ্বী ইউরোপ-আমেরিকায়ও টার্গেট কিলিং হয় কিন্তু তার দায় নিয়ে মন্ত্রী পদত্যাগ করে, পরবর্তীতে এমন ঘটনা আর সহজে করতে পারে না আইন শৃঙ্খলা কড়াকড়ি করা হয় বলে। দেখলেন তো আপনি পদত্যাগও করেন নাই, চাপাতির কোপও বন্ধ হয় নাই। বুঝছেন তো? পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী খুন হওয়ার পর আপনি তত্ত্ব দিলেন এতে ইসরাইলীদের হাত থাকতে পারে। হাস্যকর! ইসরাইলীদের যে হাত থাকতে পারে এটা জানানোর জন্য আপনার বাণী দেওয়ার দরকার নাই। আপনার অঢেল সময় তাই হয়ত বাণী চিরন্তন দিয়েই যাচ্ছেন। ইসরাইলের ষড়যন্ত্র ফাঁস না হলে আপনি অন্য কোন কিছুর দায় চাপাতেন। নিজের উপর ছাড়া অন্যের উপর দায় চাপানোকে আপনি এক ধরনের শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। তাও যদি স্মার্টলি করতে পারতেন!

বাংলাদেশে খুন হওয়া ইটালিয়ান নাগরিক হত্যার পরপরই এদেশে ইসরাইলী ষড়যন্ত্রের ছায়া স্পষ্ট হয়ে উঠে। ইটালিয়ান টাভেল্লা সিজার একটি এনজিওতে কাজ করতেন। কানাঘুষা আছে এ এনজিওটি ইসরাইলী পণ্য বয়কটের পক্ষে একটি সংগঠনকে অর্থায়ন করে। সোজা হিসাব- সরকারও বিব্রত হলো আবার ঐ এনজিওর উপর প্রতিশোধও নেওয়া হলো।

মাননীয় মন্ত্রী আপনি এ সন্দেহ, সে সন্দেহ করে দায় মেটাচ্ছেন। কে জড়িত সেটা আমাদের দরকার নাই জানা। আমরা জানতে আগ্রহী খুন হয় না, চাপাতি বিক্রি হয় না, জঙ্গি নাই এমন খবর। কিন্তু আপনি ভয়াবহ রকম অসফলই নন শুধু, খুনের পথকেও অনেক ক্ষেত্রে সুগম করেছেন।

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এটা প্রমাণিত যে আপনি দেখতে পান না। দেখতে পেলে নিজের অবস্থা এবং মানুষের আতংকও দেখতেন। আপনি শুধু খতিয়ে দেখেন, আপনি শুধু লিখিত বক্তব্য দেখেন, আপনি আর কিছুই দেখেন না। তাই বাঙালি হিসাবে, এ দেশে নিরাপদে বসবাস করতে চাই বলে আপনাকে দেখানো এখন ফরয হয়ে গেছে। কাদের মোল্লা শেষ পর্যন্ত হয়তো বেঁচে যেত যদি “ভি” সাইন না দেখাতো। সাথে বেঁচে যেত এখন নরকে বাস করা রেজাকাররাও। কিন্তু কসাই কাদেররে “ভি” বাঙালির সেন্টিমেন্টে এতটাই লেগেছে যে সব হিসাব উল্টে দিয়েছে। মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। আমি অনেক বিএনপির অন্ধ সমর্থককেও তখন ক্ষেপে যেতে দেখেছিলাম এ “ভি” সাইনের কারণে। যাই হোক আপনি তেমন একটা সুযোগ পেয়েছেন।

দেশপ্রেমিক বাবুলের স্ত্রী মরে গিয়ে আপনাকে একটা সুযোগ দিয়ে গেছে। মিতু হত্যা কেউই স্বাভাবিকভাবে নেয় নি। সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ যাদের অনেকেই আওয়ামী লীগকে কিছুটা নাস্তিক হিসাবে ভাবে তারাও ঘরের বৌকে কুপিয়ে মারা সহজভাবে নেয় নি। বাবুল আক্তার নিজে খুন হলেও মানুষ এর চার ভাগের এক ভাগও ক্ষেপত না। কিন্তু এখন ক্ষেপেছে। আপনি এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশব্যাপী যৌথ চিরুনি অভিযান চালাতে পারেন। এ মুহূর্তে সাধারণ জনগণের সমর্থন পাবেন পুরাপুরি। তারাও চাইছে এমন কিছু।

মোটরসাইকেলে ৩ জন উঠা যাবে না, এমন সস্তা সংলাপ বাদ দিয়ে আসল কাজ করেন। মোটরসাইকেলে তিন জন না উঠলে দুইজন উঠবে, প্রয়োজনে এক একজন এক এক সাইকেলে আসবে খুনিরা। এরপর কি আপনি মোটরসাইকেল চালানোই নিষিদ্ধ করবেন? হাস্যকর।

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আপনাকে বর্তমান অবস্থা বুঝিয়ে দিলাম। যৌথ চিরুনি অভিযান চালান, চাপাতি, পিস্তল, বোমা ইত্যাদি উদ্ধার করতে গিয়ে যদি বন্দুকযুদ্ধে কিছু ঠগি, সন্ত্রাসী, জঙ্গি মরেও জনগণ আপনাকে অভিনন্দিতই করবে।

এরপরও যদি আপনাকে “কথা বলা” ভাইরাস না ছাড়ে, খুন বন্ধ করতে না পারেন আপনার উচিত নাকে খত দিয়ে গত কয়েক মাসের বেতন ভাতাদি পরিশোধ করে স্ত্রী, সন্তানদের সাথে সময় কাটানো। স্ত্রীর তরকারী কুটে দেওয়া, ছেলের খাতায় রুল টানা ইত্যাদিতে মনোযোগ দেওয়া।

জহিরুল হক বাপি, ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১২ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৩৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১১ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৩ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬০ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০১ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১২ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১০৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৬ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ