আজ মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

ক্রসফায়ারের বিরোধিতা মানে জঙ্গিসহানুভূতি নয়!

কবির য়াহমদ  

জঙ্গিবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানের মধ্যে জঙ্গি সন্দেহে আটক এবং এরপর জঙ্গি অভিযোগে পুলিশের কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে গোলাম ফায়জুল্লাহ ফাহিম। ফাহিমের গ্রেপ্তারের সময় থেকে মৃত্যুপরবর্তী সময় পর্যন্ত তাকে নিয়ে আলোচনা চলছে, হয়ত আরও হবে। কারণ গ্রেপ্তারের পর ফাহিমকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ভালো ছাত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তার আদবকায়দা ও চারিত্রিক গুণাবলী বিষয়েও মিডিয়ায় কিছু আলোচনা হয়েছিল। ফলে জঙ্গি, কিন্তু চরিত্রবান ও আমলদার এক জঙ্গি চিত্রের দ্বৈতরূপ মিডিয়া মাধ্যমে দেশবাসী জেনেছে।

ফাহিমের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নাটকীয়। জঙ্গিবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান চলাকালে মাদারীপুরের কলেজশিক্ষক রিপন চক্রবর্তীকে হত্যাচেষ্টা হয়। এরপর জনতা পিটুনি দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ঢাকঢোল পিটিয়ে চলা সাঁড়াশি অভিযানে প্রকাশ্যে খুনের চেষ্টা হয়, খুন হয় এবং পুলিশ কিছুই করতে পারে না, এমন অবস্থায় জনগণ সন্দেহভাজন খুনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এরপর ফাহিম হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে, পুলিশকে কোন তথ্য দেয় না, কিংবা দিতে পারে না; এমনকি আদালতে দাঁড়িয়েও সব অস্বীকার করে। এমন অবস্থায় সত্যিকার অর্থে প্রশ্ন জাগে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক ফাহিমকে পুলিশই জঙ্গি বানালো, নাকি সত্য সত্যই সে জঙ্গি ছিল?

ফাহিম নিয়ে এমন প্রশ্নের উত্তর এখন আর নেই, কারণ এ অধ্যায়ের ইতি ঘটেছে বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে। পুলিশ বলেছে ফাহিম জঙ্গি, এখানেই সবকিছুর নিষ্পত্তি। বিচার তো দূরের কথা তদন্তের আগেই তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে দিয়ে বিচারবিভাগের সমান্তরালে বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে সে অধ্যায়ের সমাপ্তি হয়। অথচ গ্রেপ্তারের পর আদালত সন্দেহভাজন জঙ্গি ফাহিমকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু রিমান্ডে নেয়ার একদিনের মাথায় পুলিশ নিজে নিজেই বিচার করে ফেলল।

এখন প্রশ্ন, এই ১০ দিনের রিমান্ডের পর যখন অভিযুক্তকে ফের আদালতে উপস্থাপনের কথা তখন কিভাবে এর জবাব দেবে পুলিশ। রিমান্ড যেখানে জিজ্ঞাসাবাদের নামে পুলিশ হেফাজত সেখানে হেফাজতে থাকা আসামি কিভাবে খুন হয়- সে জবাব কি চাইবে আদালত? বাস্তবতা হলো, নিম্ন আদালত যেখানে আইনের চর্চার চাইতে শক্তির চর্চার অভিযোগ আছে সেখানে এধরনের জবাবদিহি হবে না, দুঃখজনক বাস্তবতা হলো এই। অথচ রিমান্ডে থাকা আসামিকে রিমান্ডের মাঝপথে বাইরে নিয়ে গিয়ে বন্দুকযুদ্ধে নামে গুলি করে মেরে ফেলা নিশ্চিতভাবেই আদালতকে হিসেবের মধ্যে না নেওয়া, অগ্রাহ্য করা; সর্বোপরি অবমাননা।

জঙ্গি সন্দেহে আটক গোলাম ফায়জুল্লাহ ফাহিমকে স্থানীয় জনগণ ধরিয়ে দিয়েছে। এরপর পুলিস বলেছে সে রিপন চক্রবর্তীকে হত্যা চেষ্টার সঙ্গে যুক্ত। পুলিশে এ বক্তব্য বিশ্বাস করার কথা ছিল, কিন্তু করা যায় নি অথবা যাচ্ছে না; কারণ এ পুলিশই তাদের দ্বারা আটককৃত বিভিন্ন ব্যক্তি সম্পর্কে একেক সময় একেক বক্তব্য দিয়ে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।

এতবেশি পেছনে যাওয়ার, কিংবা খুব বেশি উদাহরণ টানার দরকার নাই; লেখক, ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এমন অনেক ব্যক্তিকে বিভিন্ন সময় পুলিশ উপস্থাপন করেছে, কিন্তু কিছু দিন পর পরই তারা তাদের বক্তব্য থেকে সরে গেছে। একসময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে অভিজিতের খুনিরা ধরা পড়েছে, আবার কিছুদিন আগে ডিএমপি কমিশনার এক সংবাদ সম্মেলনে বলে ওঠেন অভিজিতের খুনিরা বিদেশ পালিয়ে গেছে। আবার একই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন চাপাতি দিয়ে খুন করা প্রত্যেক ঘটনার আসামিরা ধরা পড়েছে। পুলিশ প্রশাসনের এধরনের দ্বৈতচরিত্র তাদের ওপর থেকে বিশ্বাস হারানোর একটা বড় কারণ।

অভিজিৎ রায় ধর্মীয় সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়েছেন, রিপন চক্রবর্তীকে হত্যাচেষ্টাকারীরাও একই দলের বলে পুলিশের ধারণা। এমন অবস্থায় একজনকে ধরার পর সাথে সাথেই বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা কোনোমতেই কাম্য হতে পারে না। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এরবাইরেও এই পুলিশই আসলে নিশ্চিত না কে খুনি, আর কে খুনি না! পুলিশের অতীত ইতিহাসের দিলে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় এই পুলিশ বিভিন্ন অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসে।   

জঙ্গি সন্দেহে আটক এবং পরবর্তীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে খুন হওয়া গোলাম ফায়জুল্লাহ ফাহিমের ক্ষেত্রে এখন আর সে অবস্থা নেই। বিচার ত দূরের কথা তদন্তের আগেই ‘বিচার শেষ’।

মিডিয়ায় একটা পরিচিত দৃশ্য আদালতে আলোচিত মামলার অপরাধী- তাদের মাথায় হেলমেট, গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। আশঙ্কা পথিমধ্যে সে সব অভিযুক্ত, আসামীদের যাতে কোনধরনের ক্ষতিবৃদ্ধি না হয়। এটা প্রধানত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। এমন দৃশ্য আমরা তারেক রহমান থেকে শুরু করে নূর হোসেন, এমনকি ফায়জুল্লাহ ফাহিমের ক্ষেত্রেও দেখেছি। সে সব ক্ষেত্রে আবার অরক্ষিত পুলিশ, সুরক্ষিত আসামি তত্ত্বের নজিরও মাঝে মাঝে দেখতে পাওয়া যায়।

এদিকে, পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে যেসব অভিযুক্ত/আসামি মারা যায় তাদের নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার ও সহযোগিদের গ্রেপ্তার অভিযানে পুলিশ যায় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে, কিংবা সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। পুলিশ ও অপরাধিদের গুলি বিনিময়ে প্রতিবারই অভিযুক্ত আসামি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এধরনের ঘটনা প্রতি ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে, ফলে একই ধরনের কিচ্ছাকাহিনী শুনতে শুনতে যে কেউই এখন দিব্যি দিয়ে বলতে পারে- এসব মিথ্যা, সাজানো এবং আরোপিত গল্প।

আদালতে আসামিদের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে নেওয়া চিত্র দেখে যে কেউ ভাবতে পারে তাদেরকে নিয়ে যখন রাতে অভিযানে বের হয় পুলিশ তখন এরচেয়ে নিশ্চয়ই অধিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কীভাবে নেওয়া হয় এটা জানা নাই, তবে অত্যধিক প্রহরায় চেনা রাস্তা দিয়ে এমন সুরক্ষার মধ্য দিয়ে নিয়ে গেলে অপরিচিত জায়গায় নিয়ে যাওয়ার সময়ে আরও অধিক নিরাপত্তার প্রয়োজন, এটা সাদাচোখে যে কেউই চিন্তা করবে। কিন্তু এমন অবস্থায় যখন অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় তখন এর দায় কোনোভাবেই সরকার, প্রশাসন এড়াতে পারে না। তবে এখানে কথা হচ্ছে, পুলিশ কিংবা র‍্যাব অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়েই যাচ্ছে মেরে ফেলার জন্যে সেখানে এত আলোচনার কি দরকার আছে? হ্যাঁ, আছে কারণ আজ হোক কাল হোক এটা নিয়ে যে আলোচনা হবে না, বিচারের মুখোমুখি করার চিন্তা কেউ করবে না এমন না। হয়ত একদিন এমন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডেরও বিচার হবে। এটা কবে, এখনও কেউ জানি না!

সন্দেহভাজন জঙ্গি গোলাম ফায়জুল্লাহ ফাহিমের মৃত্যুপরবর্তী ভাগ্য নিয়ে অনেকেই টিপ্পনী কাটতে পারেন, বলতে পারেন ফাহিমের ভাগ্য সুপ্রসন্ন যে জঙ্গি সন্দেহে আটকের পরও তাকে নিয়ে মাতামাতি হচ্ছে, এধরনের ক্রসফায়ারের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ হচ্ছে। এখানে বলে নেওয়া উচিত, অদ্যকার ক্রসফায়ারের বিরুদ্ধে এ জনমত আদতে কোনো একজন জঙ্গির পক্ষাবলম্বন নয়, এটা স্রেফ জঙ্গিবিরোধী পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থান নিয়ে আলোচনা। কারণ, ফাহিম যদি জঙ্গি হয়ে থাকে তবে সে একা একা এপথে পা বাড়ায় নি। কেউ না কেউ তাকে উদ্ধুব্ধ করেছে, কেউ তাকে মাঠে নামিয়েছে, কেউ তাকে সহযোগিতা করেছে আড়ালে, আর কারও সহযোগিতা ছিল প্রকাশ্য। এটা নিশ্চিতভাবে এক ধরনের এক চেইন। তাই ফাহিমের এ বিনাবিচারে অকাল হত্যা অন্য সকল অপরাধীকে দায়মুক্ত করে দেয়। অন্য যে সকল অপরাধী এ চক্রের হয়ে কাজ করছে তাদের সম্পর্কে তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগকে রুদ্ধ করে দিয়েছে। তাই ফাহিমের মৃত্যু মানে কোন অভিযুক্ত জঙ্গির মৃত্যু না, এটা জঙ্গিবিরোধী অভিযানকে ব্যর্থ করে দেওয়ার একটা নীলনকশা। এক ফাহিম কিংবা শরিফের মৃত্যু হলে অন্যরা যে ভয় পেয়ে যাবে এমন না।

ধর্মীয় জঙ্গিবাদের পথে যারা পা বাড়ায় তারা নিশ্চিতভাবেই ব্রেনওয়াশড। ওপথে তারা মৃত্যুকে থোড়াই পরোয়া করে!     

সারা বছর জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে যখনই এক/দুইজন জঙ্গিকে ক্রসফায়ারে দেওয়া হলো তখনই কেন এমন বিরুদ্ধাচরণ, এমন প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে বলে নেওয়া উচিত, ক্রসফায়ার কোন সমাধান নয়। আর তা যদি হয় তদন্তের আগে তাহলে ত উচিত নয়ই! হ্যাঁ, এসব জঙ্গি পুলিশের হাতে আটক হয়ে একটা সময়ে ঠিকই জেল থেকে বেরিয়ে যায়, এরপর ফের কোন হত্যাকাণ্ডে জড়িত হয়। এটা সত্য, কিন্তু এ দুঃখজনক সত্যকে কীভাবে মোকাবেলা করা যায় সেটা নিয়েও ভাবা দরকার। এজন্যে জঙ্গিবাদকে রুখতে প্রয়োজনে আইন করা যায়। এটা হতে পারে জঙ্গিদের বিশেষ কোন আইন, কিংবা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচার যেখানে অভিযুক্তরা বিচারের আগে জামিন না পায়।

বলা হতে পারে এমন আইন ত নাই দেশে। তাহলে আইন করতে সমস্যাও ত নাই, করা হচ্ছে না কেন? জঙ্গিবাদ বাংলাদেশের জন্যে বিশেষ এক সমস্যা, বিশেষ সমস্যার জন্যে প্রয়োজনে বিশেষ আইন হোক, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হোক- জনগণ সমর্থন দেবে।  

সন্দেহভাজন জঙ্গিকে বিনাবিচারে হত্যার পর সে হত্যার বিরুদ্ধে সরব হওয়া মানে জঙ্গিবাদের পক্ষে অবস্থান নয়, বিচারপ্রাপ্তি যদি হয় নাগরিক অধিকার তবে সে নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া সরকারের কর্তব্য। তাই বলা যায়, গোলাম ফায়জুল্লাহ ফাহিমের ক্রসফায়ারের বিরোধিতা মানে জঙ্গিবাদকে সমর্থন করা হচ্ছে এধরনের ধারণা যারা পোষণ করছেন তারা নিশ্চিতভাবেই ভুল করছেন।

পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য দিয়ে কোন ধরনের বিচারই হয় না, এজন্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করতে হয়। এবং এরপর তবেই বিচার শুরু। এটা স্বাভাবিক এক প্রক্রিয়া। আর এ স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার বাইরে অস্বাভাবিক ব্যাপার হচ্ছে তদন্তের আগে স্রেফ পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যের সূত্র ধরে বিনাবিচারে হত্যা।

পুলিশের কাজ বিচারকার্য সম্পাদন নয়, পুলিশ বিচারপ্রক্রিয়ার প্রাথমিক স্তরে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে; বিচার করবে আদালত। এমতাবস্থায় তদন্তের আগে, দোষী সাব্যস্ত করে চূড়ান্ত শাস্তি প্রদান যদি পুলিশের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে তবে এটা অতিঅবশ্যই আদালতকে অগ্রাহ্য করা। পুলিশকে আদালত অগ্রাহ্য করার অধিকার রাষ্ট্র কোনোভাবেই দেয় নি।

কবির য়াহমদ, প্রধান সম্পাদক, সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকম; ইমেইল: [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১২ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৩৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১১ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৩ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬০ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০১ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১২ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১০৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৬ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ