আজ রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ইং

শুধু ঈদ নয়, সব কিছুই ধূসর করে দেবে এই ধর্মোন্মাদরা

চিররঞ্জন সরকার  

আমাদের দেশে আপাতত মৌলবাদী সহিংসতা এক নম্বর সমস্যা। আর এই সমস্যাকে প্রকট করে তুলছে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, জামায়াত-বিএনপি জোট, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ‘প্রগতিশীল’দের একটা অংশের ভূমিকা।

যে যুবকেরা গুলশানের হোটেলে ২০ জন লোকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে কোরান মুখস্থ ধরে সাচ্চা মুসলিম কি না পরীক্ষা করছিল, মুসলিম হয়েও মেয়েরা কেন হিজাব পরেনি তার খবর নিচ্ছিল, তারা কে কী কেন, এই সব খবর নেওয়ার ভার এখন প্রশাসনের। যারা তাদের গাড়িতে পৌঁছে দিল, যারা তাদের অস্ত্র জোগান দিল, তারাই বা কে কী কেন, সে খবরও প্রশাসনকেই নিতে হবে। এ কাজটা অত্যন্ত কঠিন। আমাদের প্রশাসন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ‘জঙ্গিবান্ধব।’ তারা প্রকৃত সত্য প্রকাশ করে না। তারা জঙ্গিদের ধরার ব্যাপারে সিরিয়াস না। তাই জঙ্গি ধরতে পারে না। ধরলেও টাকা খেয়ে ছেড়ে দেয়। দুর্বল চার্জশীট প্রদান করে। প্রশাসনের অনেকে ‘জঙ্গি আদর্শে বিশ্বাসী’ বলেও অভিযোগ আছে। পুলিশ-প্রশাসনের অবশ্য অন্য একটা কাজ ছিল, আছে, থাকবে— যে কাজ তারা কখনও করে উঠতে পারবে না, রাজনীতির চক্করে যে কাজ সমানেই ভেসে চলে যাবে। আমাদের প্রশাসন আজও এত জন লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট-হত্যার শাস্তির ব্যবস্থা করে উঠতে পারেননি। দেশের সংখ্যালঘুদের সঙ্গে যে কাণ্ড চলছে, সরকার তাতে চোখ বুজে থাকাই শ্রেয় মনে করছে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ নতুন নয়। তাদের ‘ভয়’ আছে এবং সেটা রাজনৈতিক। বিরোধী দল বিএনপি আর কট্টর ইসলামি সংগঠনের যোগাযোগ যাতে আরও সমৃদ্ধ না হয়, সেই ‘ভয়েই’ তারা নাকি অনেক কিছু করে উঠতে পারে না! সবটাই রাজনীতির লাভক্ষতি। সমাজের লাভক্ষতি ভাবার অভ্যেস বা প্রয়োজন রাজনীতিবিদদের খুব একটা আছে বলে মনে হয় না!
আমাদের দেশে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ বিকাশে জামায়াত-বিএনপির অবদান অনস্বীকার্য।তাদের শাসনামলেই দেশে জেএমবিসহ জঙ্গিবাহিনী বিকশিত হয়। সারাদেশে একযোগে বোমা বিস্ফোরণ হয়। মানুষকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়। বিএনপির একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে জঙ্গিকানেকশনের খবর প্রকাশিত হয়। সে এক কালো অধ্যায়!

পরবর্তীসময়ে জামায়াত-বিএনপি জোট ক্ষমতায় যাবার সিঁড়ি হিসেবে সব সময়ই জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়-মদদ জুগিয়েছে। তাদের রাজনৈতিক হিসেব মতো, জঙ্গিরা যত বেশি হত্যা-আক্রমণ পরিচালিত করবে, হাসিনা সরকার তত বেশি দুর্বল হবে। আর ততই নিজেদের ক্ষমতায় যাবার পথ পরিষ্কার হবে। জঙ্গি হামলায় জামায়াত-বিএনপি জোটের এই ‘স্ট্র্যাটেজি’ জঙ্গিবাদকেই উৎসাহ যোগাচ্ছে। জামাত-উল-মুজাহিদিন, আনসারউল্লা বাংলা টিম, হিযবুত তাহরীর প্রভৃতি গোষ্ঠীগুলোর পেছনে জামায়াতের প্রত্যক্ষ সংযোগ রয়েছে। জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এসব দলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এই জামায়াত-শিবির চক্র বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ খুন করেছে। বুদ্ধিজীবীদের খুন করেছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রগতিশীল ছাত্রকর্মীদের রগকাটা কালচার চালু করেছে। বিশেষ ট্রাইবুনালে তাদের নেতাদের বিচার করেছে এবং চরম শাস্তি দিচ্ছে। সুতরাং বাংলাদেশকে অশান্ত করতে হবে। ২০১৩ সাল থেকে মুক্তমনা মানুষেরা আক্রান্ত। প্রকাশ্যে তাদের হত্যা করা হচ্ছে। সংখ্যালঘু হিন্দু ও বৌদ্ধদের উপর পরিচালিত হচ্ছে আক্রমণ। রামকৃষ্ণ মিশনের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে হুমকি বিধি। সবই করা হচ্ছে ‘ইসলামের’ নামে। দেশে লাগাতার খুন হচ্ছে। জঙ্গিরা কুপিয়ে জবাই করে হত্যা করছে। জামায়াত-বিএনপি জোট মুখে কুলুপ এঁটে থাকছে। তাদের প্রতিবাদ নেই, ঘৃণা প্রকাশ নেই! করবে কীভাবে? জঙ্গিরা যে তাদের আকাঙ্ক্ষারই বাস্তবায়ন ঘটাচ্ছে!

এদিকে গুলশান হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগের এক নেতার ছেলে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে খবর মিলেছে। জুনের ২৬ তারিখ থেকে ছেলেকে খুঁজে না-পেয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা পুলিশে জানাননি, বরং ছেলের ফেসবুক পেজেই আবেদন জানিয়েছিলেন— ফিরে আয় বাবা!

এ যেন বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা। সরষের মধ্যে ভূত ঢুকতে শুরু করেছে বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই। এর আগে জাল নোট পাচারের অন্যতম হোতা হিসেবে বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার এক ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করা হয়। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, এত দিন জামায়াতের সঙ্গী এই নেতা এখন আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। তিনি একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়েছেন। জঙ্গি শক্তির মূল পালক-পোষক দলটি রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা হয়ে বর্তমানে টিকে থাকার জন্য শাসক দল আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বোঝাপড়া করে নিচ্ছে।

অনেক এলাকায় আওয়ামী লীগের এমন এক জনও স্থানীয় নেতা খুঁজে পাওয়া কঠিন, যাঁরা জামাতের সঙ্গে ডিল করে চলেন না। আওয়ামী লীগের নেতাদের টাকা দিয়ে তারা গ্রেফতারি এড়ায়। ধরা পড়লে আওয়ামী নেতারাই তাদের ছাড়িয়ে আনেন।

বছর দেড়েক আগে বাংলাদেশের সর্বত্র দলীয় কর্মী-সদস্যদের মধ্যে নির্বাচন করে নেতৃত্ব বাছাই করেছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু দেখা গেছে, জামাত-অধ্যুষিত জেলাগুলিতে যাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের অনেকেই মৌলবাদীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে প্রচারের কাজে ব্যবহার করেছেন। জামাতের এই বিনিয়োগ যে এমনি নয়, তা দেখা গিয়েছে নির্বাচনের পরে। দিকে দিকে জামাতের নেতাকর্মীদের রীতিমতো মালা পরিয়ে আওয়ামী লীগে বরণ করে নেওয়া শুরু হয়। তাদের অনেককে সাংগঠনিক পদও দেওয়া হয়েছে। মূলত অনেক আওয়ামী লীগ লেতার লোভ-লালসা ও সুবিধাবাদী মনোভাব জঙ্গিরাজনীতির পক্ষে ভূমিকা পালন করছে।ক্ষমতাসীন দলটি দলের ভেতরের এই অনাচার প্রতিকারে শোচনীয় রকম ব্যর্থ!

আমাদের দেশে ‘প্রগতিশীল’ দাবিদারদের একটি অংশ (যারা মূলত ফেসবুকে লেখালেখি করেন)মনে করেন দেশের সব সংকটের মূলে হচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ তাদের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে (যদিও তারা যা খুশি তা-ই লিখেই চলেছেন), ভোটাধিকার হরণ করেছে (ভোটে যদি জামায়াত-বিএনপি জয়ী হয় তাহলেই তারা যেন খুশি হন)।মৌলবাদ-জঙ্গি-সন্ত্রাসী খুন-গণহত্যা নয়, তাদের বেশি মাথাব্যথা ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ নিয়ে। রাষ্ট্রের যে কোনো উদ্যোগকে তারা সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করে ধরাশায়ী করে দেন। জনমতের উপর প্রভাব সৃষ্টি করেন। কুযুক্তি দিয়ে মৌলবাদীদের হাতকে শক্তিশালী করেন। ক্ষমতাসীনদের ‘আদর্শহীনতা,’ দুর্নীতি ‘খেটে-খাওয়া গরিব মানুষের সন্তানদের’ কিংবা ‘অবুঝ কিশোরদের’ জঙ্গি হতে উৎসাহিত করছে বলে তারা মত প্রকাশ করেন। তাদের এই লেখালেখির মধ্যদিয়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসীদের প্রতি গভীর মমত্ব প্রকাশ পায়। সমাজে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ বিকাশের পক্ষে, তাত্বিক ভিত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে এই চক্রটি বিরাট ভূমিকা পালন করছে। অথচ এই ‘অতিজ্ঞানী’ এবং ‘লিবারেল’ দাবিদারদের প্রতি সামাজিক ঘৃণা যেমন অনুপস্থিত, নেই সরকারেরও কোনো বিশেষ ভূমিকা।

আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় না থাকে, তাহলে কী জঙ্গিবাদ কমবে? তারা কী সুখে থাকবে? এ প্রশ্নের জবাব এই ‘অতিজ্ঞানী’রা কখনও খোঁজেন বলে মনে হয় না!
প্রতিটি হানার পেছনে অবশ্যই আরও বড় সব হিসেব আছে। টাকার, ক্ষমতার, রাজনীতির। কিন্তু সব হিসেবের সামনে ‘বর্ম’ রূপে থেকেছে ধর্ম। ধর্মের সঙ্গে সন্ত্রাসের যে সত্যি কোনও সম্পর্ক নেই, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষরা এ কথা জানি। কিন্তু ধর্মকে যে সন্ত্রাস অবাধে ব্যবহার করে চলে, সেটাও তো জানি। মুশকিল হল, অনেক সময় এই জানাটা আমরা উচ্চারণ করি না শুভবোধের প্রসারে ব্যাঘাত ঘটার ভয়ে। আর সেই নীরবতার অবকাশে, ধর্মের সীমাহীন অপব্যবহারকারীদের হাতই আরও শক্ত করি।

রমজানের মাসে নামাজ না পড়ে যারা মানুষ খুন করতে ব্যস্ত হয়, তারা কেমন মুসলিম, প্রশ্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুরোধ করেছেন, ছেলেমেয়েরা ধর্মের নামে কী শিক্ষা পাচ্ছে বাড়ির লোকরা যেন দেখেন। এটা প্রশাসনের কাজ নয়। সমাজ পরিবার-পরিজনের কাজ। ধর্মের নামে ভয়ানক ব্যাপ্ত ও গভীর মগজধোলাই যে সমস্যার মূলে, ‘সরকার কী করছে’ বলে বসে থাকলে সে সমস্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বেই।
সন্তান যদি পরিবার, সমাজ, রাজনীতি কোনো কিছুই পছন্দ না করে, তাহলে সে বিপথগামী হবেই এবং এটা ভয়ানক দুশ্চিন্তার কথা। এ জন্য সবার আগে দরকার তার ‘মনোচিকিৎসা।’ যন্ত্রপ্রযুক্তি মানুষকে অনেক কিছু দিলেও মানবিক অনুভূতিগুলো কেমন যেন ভোঁতা করে দিচ্ছে। ইন্টারনেটনির্ভর অনেক তরুণ যন্ত্রের মত বড় হচ্ছে। ধর্ম আর জিহাদ ছাড়া তারা আর কিছুতেই মুক্তি খুঁজে পাচ্ছে না। কিছু ধান্দাবাজের প্ররোচনায় নিজেদের জীবন, মা-বাবা, পরিবার ও দেশের কথা ভুলে হয়ে উঠছে ভয়ংকর খুনী। জাপান-ইতালির নাগরিকরা এসেছিলেন এ দেশকে উন্নত করতে, গরীব মানুষের জীবন উন্নত করতে, অথচ আমরা তাদের কচুকাটা করলাম। এই নৃসংশতার প্রতিবাদ না করে আমরা অনেকেই ওই খুনীচক্রের প্রতিই সহানুভূতি জানাচ্ছি। অনেক তরুণ-তরুণী পর্যন্ত ঘাতকদের পক্ষে ফেসবুকে লেখালেখি করছে। একটি নেতিবাচক আবহে কিছু তরুণ-তরুণী শুধু হন্তারকই হয়নি, এই খুনের পক্ষে সামাজিক সমর্থনও দৃঢ় হয়ে উঠছে! কী সাংঘাতিক অবস্থা! এ জন্য আমরা দায়ী, আমাদের পরিবার, রাজনীতি, আমাদের সমাজ ব্যবস্থা দায়ী।

ধর্ম যাঁরা মানেন, এমনকী সংস্কারও যাঁরা মানেন, তাঁরা সবাই কি অবিশ্বাসী বা অন্য-বিশ্বাসীদের ধ্বংস বা ক্ষতির সাধনা করেন? না। তাঁদেরই কিন্তু এখন এগিয়ে আসা দরকার প্রতিবাদে। বাংলাদেশের অসহিষ্ণু মৌলবাদ ছড়াচ্ছে অতি দ্রুত। ঘরে-বাইরের বহু অর্থসম্পদ তাকে সাহায্য করতে ব্যস্ত। ভয়ঙ্কর সেই গোলকধাঁধার হাত থেকে ছেলেমেয়েদের কী ভাবে বাঁচানো যায়, সেটা শুধু প্রশাসন কিংবা অল্পকিছু সেকুলার নাগরিকরা ভাবলেই চলবে না। স্বঘোষিত ধার্মিকদেরই বোঝাতে হবে, ধর্মপ্রাণ আর ধর্মান্ধ, দুটো কথার দূরত্ব কত বেশি। তা না হলো ঈদ নয় শুধু, সমস্ত আনন্দ অনুষ্ঠান ধূসর করে দেবে এই ধর্মোন্মাদরা।

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫১ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৫ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১১৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ