আজ সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

গুজব নয়, বরং রুখে দাঁড়াই জঙ্গিবাদ

এনামুল হক এনাম  

ঈদের দিন স্কুল জীবনের এক বন্ধুর সাথে দেখা দীর্ঘদিন পর। সে দেশের বাইরে থাকে, পেশায় শিক্ষক। কথায় কথায় গতকালের ঈদের জামাতের পূর্বে জঙ্গি হামলার কথা উঠে এলো আলোচনায়। আমার সেই বন্ধু জানালো এক অদ্ভুত তথ্য, এইসবই নাকি হাসিনা এবং মোদীর ষড়যন্ত্র। ভারত থেকে বসে এইসব ষড়যন্ত্রের নীল নকশা করা হচ্ছে। যাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশে প্রবেশ করিয়ে দেশ দখল করা যায়!

আমি চোখ বড় বড় করে তার কথা শুনি।

গুলশান সম্পর্কে তার বক্তব্য হলো, ঐসব হামলাকারীরা হিন্দিতে কথা বলেছে, তারা মূলত ভারত থেকে প্রেরিত।

আমি অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞাস করি, তাহলে যেসব জঙ্গিরা সেখানে মারা গেলো তারা কিভাবে বাংলাদেশী হয়?

তার সংকোচহীন উত্তর, অপারেশন চলাকালে তুমি কি ঐখানে ছিলে মিয়া!!?? সব টিভিতে লাইভ টেলিকাস্ট বন্ধ করে লাশগুলো পরবর্তীতে সেখানে যে স্থানান্তর করা হয়নি এর নিশ্চয়তা কি দিতে পারবে?

আইএস ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ছবিগুলো সহ অন্যান্য আরো কিছু যুক্তি তার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি, বোঝাতে চেষ্টা করি এইটা একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা বর্তমানে। গুজব না ছড়াতে অনুরোধ করি।

সে আমার দিকে তাকিয়ে বলে, তুই তো কঠিন আওয়ামীলীগ রে...!

আমার বন্ধু রসায়নের শিক্ষক, আমি দ্বিধান্বিত হলাম এই যুগে এই ধরণের বিচার বুদ্ধি নিয়ে সে কিভাবে শিক্ষকতা করে। সেখানে থাকা আরেক বন্ধু আমায় কানে কানে বলে, দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী এই ধরণের ধ্যান ধারণা পোষণ করে, তর্কে যাসনে।

গুলশান ঘটনার দিন রাতে দেশের সবাই যখন উৎকণ্ঠিত, তখন দেশে বিদেশে থাকা আমার কিছু ফেইসবুক ফ্রেন্ড পুরো ঘটনাটি সরকার দলের সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে স্ট্যাটাস দিয়ে ভুয়া সব অনলাইন নিউজ-পোর্টাল শেয়ার করতে থাকলেন। কয়েকজন লিখলেন, ভারতীয় র’ এজেন্টের মাধ্যমে এই ধরণের ঘটনা ঘটনা ঘটানো হচ্ছে সরকারের ক্ষমতা নিশ্চিত এবং দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য। আরেক বন্ধু তো সরাসরি স্ট্যাটাস দিলো, শেখ হাসিনার ২০৪১সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা নিশ্চিত করা হল।

গুলশানের ঘটনার দিন শুক্রবার রাত থেকে পুরোটা সময় সারা দেশবাসীর মত আমিও শঙ্কিত ছিলাম। তবে গুজবে কান দেইনি, গুজব ছড়াতে সহায়তা করিনি। পুরোটা সময় ধৈর্য ধরে প্রার্থনা করেছি দেশ ও জাতি যাতে এই ধরণের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়।

সারা বিশ্ব এখন তথাকথিত মুসলিম টেররিস্টদের হুমকির মুখে। গুপ্ত হামলা বর্তমানে একটি বৈশ্বিক সমস্যা। বাংলাদেশ মঙ্গল গ্রহের কোনো দেশ নয়। এই ব-দ্বীপের ভৌগলিক অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজ হোক কাল হোক এই হামলা অনিবার্য ছিলো।

হ্যাঁ, এই ক্ষেত্রে হামলার পূর্ববর্তী সাবধানতা অবলম্বন এবং সতর্ক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে আরো বেশি নজর দেয়া উচিত ছিলো বলে মনে করি। নাস্তিক তকমা লাগিয়ে একের পর এক ব্লগার, লেখক এবং প্রকাশক হত্যার পরও দেখিনি উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। উপরন্তু কিছু মানুষ দেখেছি এই ইনিয়ে-বিনিয়ে হত্যাকাণ্ডকে প্রকাশ্যে সমর্থন করতে। আমরা যারা অনলাইনে লেখালেখি করি, তারা বার বার সতর্ক করেছি, বলেছি... এইসব এক ধরণের ড্রেস রিহার্সাল মাত্র। মূল লক্ষ্য অন্যত্র। আর তারপর ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন মতাবলম্বী থেকে শুরু করে এই টার্গেট কিলিং ছড়িয়ে গেলো ভাইরাসের মত। সরকারের নির্দেশে পুলিশ প্রশাসনের লোকজন মাঝে মধ্যেই ধরপাকড় চালাতো, কিছু জঙ্গি হয়তো ধরাও পড়তো কিন্তু তার আড়ালে চলতো বিশাল এক গ্রেফতার বাণিজ্য। আমি এমন অনেককেই চিনি যারা শুধু মাত্র বিরোধী দল সমর্থন করে বলে গ্রেফতার করে জঙ্গি বলে কোর্টে চালান দেয়ার ভয় দেখিয়ে লক্ষ টাকা ঘুষ বাণিজ্য হতে। কিছুদিন আগেও যখন দেশে জঙ্গি দমনের নামে ১৫ হাজার গ্রেফতার হচ্ছিলো তখন প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন তাদের দলের পোস্টারিংও করেছে।

বাংলাদেশ একটি চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এই ভূখণ্ডে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, সংখ্যালঘু মানুষ সবাই মিলে হাজার বছর ধরে সুখে শান্তিতে বাস করছি। কখনো মনে হয়নি আমি মুসলমান আর আমার বন্ধু হিন্দু। এই রমযানেও যেখানে ইফতারের দাওয়াতে গিয়েছি সেখানেই অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বন্ধু সাথে গিয়েছি। ঈদের দিন বাসায় আগত মেহমানদের একটি বড় সংখ্যা ছিলো হিন্দু ধর্মাবলম্বী। শুধু আমার বাসায় না, প্রায় সবার বাসায়ই এমন সম্প্রীতি বিরাজ করছে। এই দেশে পালিত প্রত্যেকটি উৎসব আমরা সব ধর্মের মানুষ মিলে মিশে পালন করেছি, কিন্তু একটি গোস্ট ইচ্ছাকৃত ভাবে আমাদের মাঝে বিবাদ ঘটাতে এখন তৎপর। যত দ্রুত আমরা ব্যাপারটা বুঝতে পারবো ততই আমাদের জন্য মঙ্গল।

ড্রেস রিহার্সালের কথা বলছিলাম, হামলাকারীরা ছোটখাটো হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে নিজেদের হাত পাকাপোক্ত করেছে, তাদের অবস্থান জানান দিয়েছে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে তারা প্রাইমারি স্টেজ পেরিয়ে গেছে, এখন তাদের লক্ষ্য বড় ধরণের হামলা। একটি দুইটি প্রাণ নয় এখন তাদের চাই এক মিশনে শত শত প্রাণ। নাস্তিকদের কতলের কথা বলে যখন ব্লগারদের হত্যা করা হচ্ছিলো তখন আড়ালে অনেকেই সমর্থন দিয়েছেন। হিন্দু পুরোহিত কিংবা চার্চের ফাদারদের হত্যার সময়ও একটি গোষ্ঠী ইসলাম প্রতিষ্ঠা হচ্ছে কিংবা ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বার্তা মনে করেছেন...।

এমনকি গুলশানের হত্যাকাণ্ডেও নিজেকে যারা নিরাপদ মনে করেছেন তারা শোলাকিয়ার ঈদ জামাতের কথা একবার ভেবে দেখুন। ড্রেস রিহার্সাল এখন শেষ। এখন সময় এসেছে আমরা যারা নিজেদের নিরাপদ ভেবে আল্লাহ আল্লাহ করে দিন পার করছি তাদের। ভয় দেখাচ্ছি না, পুরো বিশ্ব রাজনীতির দিকে তাকান, বুঝতে পারবেন আমার এই ভবিষ্যৎ বাণী অমূলক নয়।

শুক্রবার সকালেই দেখছিলাম বিশ্বের চমৎকার ১০টি শহরের ছবি, আইএস দখলের পূর্বে এবং বর্তমানে শহরের অবস্থা। এক একটি চমৎকার উন্নত শহর আজ ধ্বংসপ্রাপ্ত, ধূসর মলিন। বিশ্ব রাজনৈতিক কূটচালে আমাদের বুঝে চলতে হবে। কে খন কার মাধ্যমে এইসব দেশের বারোটা বাজিয়েছে তা বুঝার ক্ষমতা আপনাদের আছে। তারপরও না জেনে থাকলে, না বুঝে থাকলে ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে ইতিহাস জেনে নেবেন। প্রত্যেকটি শহরের বর্তমান ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থার জন্য ঐ দেশ বা শহরের নাগরিকরাই বেশি দায়ী। তারা নিজেরাই ধর্মের ঢোল পিটিয়ে সামিল হয়েছে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে। ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক পর্যায়ে আমাদের সতর্ক না হলে এর থেকেও জঘন্য হতে পারে আমাদের দেশের অবস্থা।

এক সময় নাস্তিক বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশে মসজিদে মসজিদে প্রতি শুক্রবার খুতবায় যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিলো। হাজার হাজার জনতা সেই ঘোষণায় রাস্তায় নেমেও এসেছিলো। এ শুক্রবার (৮ জুলাই) মসজিদে নামাজে যাবার পর খুব শুনতে ইচ্ছে হয়েছিলো এমন কোনো ঘোষণা। বিপথগামী এইসব যুবকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার ঘোষণা। কিন্তু নিরাশ হয়েছি। আমরা যদি এখনো এইসব জঙ্গিদের মোটিভ না বুঝে থাকি তবে ভুল করছি। নামাজ শেষে জঙ্গিদের হেদায়েতের জন্য দোয়া কতটা কাজে লাগবে আপনারা নিজেরাই জানেন।

কেউ যদি এইসব সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে দ্বিধান্বিত থাকেন তাদের স্পষ্ট করে বলি, এইসব জঙ্গিদের পরবর্তী টার্গেট কিন্তু আপনারাই। কারণ, তারা সঠিক আর তাদের দৃষ্টিতে আপনারা মুসলমানই না, খারিজের অন্তর্গত। সুবিধাবাদী না সেজে ঘোষণা দিতে হবে। আপনাদের মৌনতা জঙ্গিবাদকে উস্কে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

অনেকেই বর্তমান অবস্থার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে দোষারোপ করছেন। কেন পুলিশ, প্রশাসন, গোয়েন্দা বাহিনী এইসব জঙ্গিদের মোকাবেলা করতে পারছে না। আপনাদের বলছি, শোলাকিয়া ময়দানের ঘটনাই যদি খেয়াল করেন দেখবেন বড় ধরণের আক্রমণ রুখে দেয়া গেছে পুলিশ বাহিনীর তৎপরতার কারণে। লক্ষ মানুষের ঈদের জামাতে যদি ঐ হামলাকারীরা প্রবেশ করতে পারতো তবে কত মানুষ হতাহত হত তা কি ধারণা করতে পারেন!!?? পুরো ম্যাসাক্যারই রুখে দেয়া গেছে আমাদের পুলিশ বাহিনীর কারণেই, যার মূল্য দিয়েছেন দু-জন পুলিশ শহীদ হয়ে।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে গুজব না রটিয়ে, সুবিধাবাদী জনগোষ্ঠী না সেজে সবাইকে একত্রিত হতে হবে। আমরা জানি আমরা পারবো। অতীতের ইতিহাস আমাদের পক্ষে। গুটি কয়েক বিপথগামী মানুষের কাছে আমরা হেরে যেতে পারি না। এই দেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট জঙ্গিবাদের পক্ষে নয়। এই দেশের আপামর জন সাধারণ শান্তি প্রিয়। তাই সুবিধাবাদী না হয়ে আসুন একত্রিত হই, মোকাবেলা করি। এই ভূখণ্ডের মানুষ নিজেরা রুখে দাড়াতে জানে, আর যখন তারা রুখে দাঁড়াবে তখনই রেহাই পাবে কেউই।

জনতার নিরাপত্তার সাধনের সাথে সাথে দেশের সরকার প্রধান, সংসদ এবং রাজপথের বিরোধীদলীয় প্রধানের নিরাপত্তার উপর জোর দেয়ার দাবী জানাই। তাদের নিরাপত্তায় গাফলতি থেকে গেলে যে কোনো অঘটনে দেশে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, যা কারোরই কাম্য নয়।

এই দেশ আমাদের, এই দেশকে রক্ষা করার দায়িত্বও আমাদের। সন্দেহ, উস্কানি, গুজব আমাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে। আসুন এইসব ছেড়ে সবাই মিলে পরিস্থিতি মোকাবেলা করি। জঙ্গি মুক্ত, সন্ত্রাস মুক্ত, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি সকালের স্বপ্ন দেখি।

এনামুল হক এনাম, প্রভাষক, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১২ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৩৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৪ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬১ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১০৯ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৬ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ