আজ বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাবুল আক্তারকে ফিরিয়ে আনুন

ফজলুল বারী  

এখন অনেকটা যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর নির্ভরশীল এসপি বাবুল আক্তারের পুলিশ বাহিনীতে ফেরা না ফেরা! একটি দেশের পুলিশ বাহিনীতে এসপি পর্যায়ের কোন কর্মকর্তার থাকা না থাকার বিষয়টিও দেখভাল করা প্রধানমন্ত্রীর কাজ নয়। কোন দেশের প্রধানমন্ত্রীই তা করেননা। কিন্তু বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর কুশীলব কিছু কর্মকর্তা অজ্ঞাত উদ্দেশে তেমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে!

প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে তথা সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের ইচ্ছার কথা বলে ভয় দেখিয়ে বাবুল আক্তারের কাছ থেকে একটি পদত্যাগপত্র স্বাক্ষর করিয়ে নেয়া হয়েছে! ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসাররা যদি এমন ভূমিকা নেন একজন জুনিয়র অফিসার কী করতে পারেন? কিন্তু এরমাঝে প্রমাণ হয়েছে বাবুল আক্তার ব্ল্যাকমেইলিং এর শিকার! প্রধানমন্ত্রী বা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ইচ্ছায় যদি তার পদত্যাগপত্র নেয়া হবে তাতো সংগে সংগে কার্যকর হবার কথা। কিন্তু বাবুল আক্তারের সেই কথিত পদত্যাগপত্র আজ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি! এখন তার সেই কথিত পদত্যাগপত্র আদায়ের সংগে জড়িতরা একজন এক কথা বলছেন! এরমানে ডাল মে কুচ কালা হ্যায়! এরজন্যে আমি এ ব্যাপারে প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চাইছি।

পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শয়তানিতে এ ধরনের একজন ডায়নামিক পুলিশ অফিসারকে জবাই করতে দেবেন না প্লিজ। এ ধরনের একজন ডায়নামিক পুলিশ অফিসার আমরা বহুদিন পাইন। তার স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে। এখন তার পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টো তাকে যারা জবাই করতে চাইছে তারাইতো প্রকৃত হত্যাকারী নয়কি?

উল্লেখ্য গত চব্বিশ জুন রাতে জিজ্ঞাসাবাদের নাম করে শ্বশুরের বাসা থেকে বাবুল আক্তারকে তুলে ডিবি অফিসে নেয়া হয়। সেখানে চট্টগ্রামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেন! তাকে বলা হয় সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের ইচ্ছা বাবুল আক্তারকে পুলিশ বাহিনী থেকে সরে যেতে হবে অথবা তাকে জেলে যেতে হবে স্ত্রী হত্যার দায় মাথায় নিয়ে! ইংগিতে বলার চেষ্টা হয় এটি নাকি প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা! এ কথা বলে তার কাছ থেকে এক রকম জোরপূর্বক একটি পদত্যাগপত্রও নেয়া হয়! সেখানে পুরনো এক বসের এই ভূমিকায় চমকে যান বাবুল আক্তার। কিন্তু পুলিশ বাহিনীর নিয়ম হচ্ছে বস ইজ অলওয়েজ বস। তার কথায় কোন দ্বিমত করা চলেনা। নিজে জবাই হয়ে গেলেও নয়।

বাবুল আক্তারকে এরমাঝে এক ধরনের জবাই করা হয়েছে! মিডিয়া দিয়ে রিপোর্ট করানো হয়েছে তার স্ত্রী মিতু একজন খারাপ মহিলা, পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন! চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীর সংগে নাকি তার পরকীয়া ছিল! পেটে বাচ্চাও ছিলো ইত্যাদি! এরজন্যে বাবুল আক্তার স্ত্রীকে খুন করিয়েছেন! অথচ এই খুনের সংগে জড়িত অন্তত দুজনকে ক্রসফায়ারের নামে মেরে ফেলা হয়েছে যাতে তারা প্রকৃত ঘটনা ফাঁস করে না দেয়!

অথচ এই বাবুল আক্তার চট্টগ্রামের স্বচ্ছ ইমেজের সাংবাদিক, পুলিশ এবং বিচারকসহ আমার অনেক পরিচিতজনের বেশ ঘনিষ্ঠ। আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনিনা জানিনা, তার সংগে কোনদিন কথাও বলিনি, কিন্তু বিভিন্ন সময়ে আমি আমার চট্টগ্রামের বন্ধুদের কাছে বাবুল আক্তারের অনেক গল্প শুনেছি। তার স্ত্রী মিতু যে দিন মারা যান, সেদিন সকালে আমার এক বন্ধু ঘটনা জানিয়ে কাঁদতে থাকেন। মিতু–বাবুলের সম্পর্কটা খুব ভালো ছিল। বাবুলের স্ত্রী কতোটা ভালো মানুষ ছিলেন, তার একটা উদাহরণ দেই।
আমার সেই বন্ধুর কাছে শোনা। মিতু ভাবী খুব সাধারণ জীবনযাপন করতেন। বাবুল ডিসি না এসপি, পুলিশ না র‍্যাবে আছেন এসব নিয়ে ভাবীর কোন মাথা ব্যথা ছিল না। একবার তার জন্মদিনে দুই হাজার টাকায় একটা জামা পেয়ে ভাবির যে কী উচ্ছ্বাস!

আমাকে একজন লিখেছেন, মিতু ভাবী মারা যাওয়ার পর এসপি বাবুলের সংগে তার কথা হয়েছে। তখনো তার বিরুদ্ধে পুলিশের কোন অভিযোগ নেই। তার জঙ্গিবিরোধী অভিযানগুলোর গল্প শুনলে আপনি শ্রদ্ধায় মাথা নত করবেন। এরমাঝে গত চব্বিশ জুন রাতে তাকে আটক করা হয়। আটকে রাখা হয় ১৫ ঘনটা! এরপর মিডিয়াকে দিয়ে রিপোর্ট করানো হয় পরকীয়ার! খবর করানো হয় বাবুল খুন করেছেন। তিনি অপরাধ স্বীকার করে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তার সোর্সরাই ছিল খুনি ইত্যাদি । তার ঘনিষ্ঠদের সংগে এসব নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নিয়মিত কথা হচ্ছিল।

সেই হিসেবে কতোগুলো বিষয় তুলে ধরছি। এগুলো আমি আগেও লিখেছি। আবার লিখছি।
১. এসপি বাবুলকে কী সেদিন ১৫ ঘণ্টা আটকে রেখে কোন সোর্সের মুখোমুখি করা হয়েছিল? তাহলে সেই সোর্স কারা? বাবুল তার ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছেন, সেদিন তাকে কোন সোর্সের মুখোমুখি করা হয়নি। ওয়াসিম ও আনোয়ার নামে যে দুজনকে গ্রেপ্তারের কথা বলা হয়েছে দুজনেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে আটকের পর, শনিবার। আর বাবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছিল শুক্রবার।

২. সেদিন তাহলে কী হয়েছিল? সেদিন এসপি বাবুলের ছেলেটা বাবার কোলে শুয়েছিল। রাত ১ টার দিকে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়। বাচ্চাটা কোনভাবেই বাবাকে ছাড়তে চাইছিল না। ও বলছিল বাবা তুমি বাইরে যেও না। তোমাকে গুলি করে মারবে। এসপি বাবুল ওই অবস্থায় ছেলেটাকে বুঝিয়ে পুলিশের সংগে যান। ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার পর চট্টগ্রামের এক কর্মকর্তা সরাসরি বলেন, আমরা তোমাকে সন্দেহ করছি। তোমার সামনে অপশন দুটো। হয় জেলে যাবে। নয় পুলিশের চাকরি ছাড়বে। এটা ঊর্ধ্বতন মহলের ইচ্ছা ও নির্দেশ! বাবুল জানতে চান, কেন তাকে সন্দেহ করা হচ্ছে। বলা হয় মুসা নামের একজন ঘটনার পেছনে আছে যে পুলিশের সোর্স। বাবুল জানান, ওইমুসা তো চট্টগ্রামের সব পুলিশ, ডিজিএফআই র্যাব সবারই সোর্স। এর দ্বারা কী প্রমাণ হয়? কর্মকর্তা সাহেবের একটাই কথা, হায়ার অথরিটির নির্দেশ। তোমাকে চাকুরি ছাড়তে হবে। বাবুল তখন ছেলের কথা ভেবে মুষড়ে পড়েন।

৩. সব গণমাধ্যমে এসেছে বাবুল নাকি দোষ স্বীকার করে পদত্যাগ করতে রাজি হয়েছেন? বাবুল তার স্বজনদের জানিয়েছেন, প্রশ্নই আসে না। তাকে আবেদনে লিখতে বলা হয়েছে স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এই অবস্থায় পুলিশ সুপারের মতো পদে থাকা তার জন্য অসম্ভব। বাবুল নিজের ছেলের কাছে ফেরার জন্য ওই আবেদন করেন। কিন্তু তাতে কোন দোষ স্বীকারের কথা ছিলনা। কিন্তু পুলিশ সেই আবেদন নিয়ে মিথ্যা খবর দেয় সাংবাদিকদের বাবুল অপরাধ স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন। বাস্তবে অপরাধ স্বীকারের কোন প্রশ্নই আসে না। আর এমন কোন প্রসঙ্গও আসেনি।

৪. কী কারণে এসপি বাবুলের বিরুদ্ধে ক্ষেপতে পারে পুলিশের একটা অংশ? এ ব্যাপারে বাবুল তার স্বজনদের বলেছেন,নানা সময়ে তিনি বিভিন্ন মামলার তদন্ত করেছেন। তাতে অনেকে ক্ষুব্ধ হতে পারেন। এরমধ্যে গতবছরের ডিসেম্বরে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তিনি একটি বাহিনীর ১৪ টি পোষাক, একটি এমকে-১১ স্নাইপার রাইফেল, প্রায় ২০০ রাউন্ড গুলি এবং বিস্ফোরক উদ্ধার করেন। ওই বাড়িটিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গিসংগঠন জেএমবির সদস্যরা ব্যবহার করছিল। উদ্ধার করা বাহিনীর পোষাকগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদের একটি পোষাকও ছিল। প্রতিটি পোষাকের নম্বর ছিল। অস্ত্রগুলো সরকারিভাবে আনা। এসপি বাবুল সিজার লিস্টে এই নাম্বারগুলো দিয়েছিলেন। বাহিনী নাকি সেটা চায়নি। তারা চায়নি নাম্বারগুলো আসুক। ওই ঘটনার জের ধরে এসপি বাবুল আইজিকে একটা চিঠি দিয়েছিলেন যাতে বিভিন্ন সংরক্ষিত এলাকার কিছু লোকজনের সাথে জঙ্গিদের জড়িত থাকার একটা তালিকাও ছিল। এছাড়া জাল টাকার ঘটনায় এমন কোন আসামিকে তিনি একবার ধরেছিলেন যেটা সিএমপি কমিশনার বা চট্টগ্রামের লোকজন পছন্দ করেনি। তিনি একবার মাদক চোরাচালানি এমপি বদির গাড়ি আটকে ছিলেন। এসব ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে কেউ কেউ তার পেছনে লাগতে পারে বলে তার ঘনিষ্ঠজনদের ধারনা।

৫. স্ত্রীর পরকীয়া কিংবা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের কথা বলা হচ্ছে। বাবুলের শ্বশুর শাশুড়ি এগুলো একেবারেই ভিত্তিহীন বলেছেন। কারণ কোনদিন মিতু অসুখী থাকলে বা সমস্যা হলে বাসায় বাবা মাকে জানাতেন। কোনদিনই তিনি জানাননি। মিতুর বাবা মা বিশ্বাস করেন না বাবুল কোনদিন এই কাজ করতে পারেন। বাবুল এখনো শ্বশুরের বাসাতেই আছেন। আর যদি পরকীয়া থাকে বাবুল জানতে চান কে তিনি যার সাথে পরকীয়া ছিলো?

৬. সম্প্রতি একটি গুজব ছড়ানো হচ্ছে বাবুল শিবির করতেন। বাস্তবতা হলো ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগেরদিন রাতে এই এসপি বাবুলই সেই অফিসার যিনি ৪২ লাখ টাকাসহ বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকে গ্রেপ্তার করেছিলেন। সেই ঘটনা সেই রাতে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া সাঈদীর মামলার পর কক্সবাজারে জামায়াত দুটি মামলা করে। দুটিতেই এক নম্বর আসামি করা হয় বাবুলকে। এভাবে সারাজীবন যে বাবুল শিবির জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করলো এখন তাকে সেই তকমাই দেওয়া হচ্ছে! প্রশ্ন হলো সারা জীবন দেশের জন্য কাজ করে বাবুল আকতার কী পেলেন? তাকে অনুরোধ করা হয়েছিল আপনি এসব নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন না কেন? তিনি বলেছেন পুলিশ থেকে তাকে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। তাই তিনি এখন কথা বলছেন না। আজ এতকিছুর পরও তার বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি আস্থা আছে। তার আশা পুলিশ সঠিক তদন্ত করবে। বাবুলের ঘনিষ্ঠজনরা বলছেন, যদি বাবুল আসলেই দোষী হয় তাহলে তার শাস্তি হোক। কিন্তু কোনভাবেই যেন তাকে ফাঁসানো না হয়। তাহলে কিন্তু আর ভবিষ্যতে বাবুল আক্তারের মতো পুলিশ কর্মকর্তা তৈরি হবে না দেশে।"

প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আমি আপনার হস্তক্ষেপ চাই। কারা বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে হত্যা করেছে, এখন হত্যার দায় দিয়ে তাকে পুলিশ বাহিনী থেকে বিতাড়নের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে আমার লেখায় তাদের ব্যাপারে ধারনা দিয়েছি। আপনার তথ্য প্রাপ্তির সোর্স সবচেয়ে বেশি। তাদের থেকে তথ্য নিন। সরাসরি বাবুল আক্তারকে ডেকে কথা বলুন। তার মা হারা বাচ্চা দুটির মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিন। আমাদের এই পুলিশ অফিসারটারকে রক্ষা করুন প্রিয় প্রধানমন্ত্রী। দেশের এই সংকটকালে তাকে আমাদের খুব দরকার।

ফজলুল বারী, প্রবাসী সাংবাদিক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১৪ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৮ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১৩১ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ