আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

শাজনীন হত্যার বিচার ও নিরপরাধ ব্যক্তির ১৮ বছর

পুলক ঘটক  

শাজনীন হত্যা মামলা নিয়ে রিপোর্ট লেখার একটি স্মৃতি এখানে তুলে ধরব। আমি তখন ডেইলি সান পত্রিকায়। একদিন রাতে একটা বংলায় লেখা রিপোর্ট আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলা হল, "এটা ইংরেজি করে ছাপাতে হবে, খুব দ্রুত।" উপর ওয়ালার আদেশ; করতে হবে।

ঐ পত্রিকায় কাজ করার সময় মাঝে মাঝেই এরকম কিছু "রেডি রিপোর্ট" আসতো। মোটামুটি সুলিখিত রিপোর্ট। আমরা (সেখানে কর্মরত সাংবাদিকরা) বলতাম রিপোর্ট "নাজিল হয়েছে।" বসুন্ধরা গ্রুপের একাধিক বাংলা পত্রিকা এবং একটি বড় অবয়বের জনসংযোগ শাখা আছে। কোথায় বসে এই রিপোর্ট লেখা হয়েছে আমরা তা অনুমান করতাম এবং কবে কার উপর এধরণের রিপোর্ট নাজিল হয় তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে হাসাহাসি করতাম। সেদিন রিপোর্ট নাজিল হল আমার উপর। রিপোর্ট পড়ে আমার চোখ চরখ গাছ! শাজনীন হত্যা মামলায় আদালতের রায় ভুল। ট্রান্সকম গ্রুপ তথা প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ মিডিয়া, অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের দিনের পর দিন সাজা খাটাচ্ছে - এরকম একটি রিপোর্ট। আমার দায়িত্ব হল হুবহু ইংরেজিতে অনুবাদ করে দিতে হবে এবং সেটা ছাপা হবে। আমি বললাম, "পারবনা।" নিউজ এডিটর আমাকে ডেকে পাঠালেন।

আমি ব্যাখ্যা করলাম, "অপরাধীরা আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। আপিল হয়েছে। বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। অপরাধীরা যদি নির্দোষ হয়ে থাকে তাহলে উচ্চ আদালত সেটা দেখবে। এ অবস্থায় আমরা নিজেরাই ঘটনার বিচার করে ফেলতে পারিনা। আমরা এভাবে লিখতে পারিনা। এটা আদালত অবমাননা হবে। যদি “মিসকারেজ অফ জাস্টিস” হয়ে থাকে তাহলে অনুসন্ধানী রিপোর্ট হতেই পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের ভালভাবে অনুসন্ধান করতে হবে এবং সবার বক্তব্য নিতে হবে। অন্যদের লেখা রিপোর্ট আমরা এভাবে ছাপতে পারিনা"

চীফ রিপোর্টার এবং নিউজ এডিটর তখন রিপোর্টটি পড়লেন এবং আমার সাথে একমত হলেন। এরপর বিষয়টি এডিটরের কাছে গেল। সে সময় ডেইলি সানের এডিটর ছিলেন অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। তিনি সবকিছু বুঝে উপরওয়ালাকে ফোন করলেন এবং রিপোর্টটি আটকাতে চাইলেন। উপরওয়ালার আদেশ হল, “ছাপতে হবে।” আবার আমার উপর বর্তালো। আমি আনোয়ার স্যারকে বললাম, "আমি অনুলেখকের দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। আদালত তলব করলে আমি আপনার নাম বলব।" স্যার ভয় পেয়ে গেলেন। তিনি আবার উপরে ফোন করলেন। অবশেষে বললেন, "কাটছাট করে, ভাষা যতটা সম্ভব নমনীয় করে লেখ। যা হবার হবে।" আমি তাই করলাম। (এখানে উপরওয়ালা বলতে বেশি উপরের কাউকে বোঝানো হচ্ছে না। এই উপরওয়ালারা বসুন্ধরা গ্রুপে কাজ করেন, যারা যথেষ্ট শক্তিশালী। আমার জানামতে বসুন্ধরার মালিক এসব বিষয় দেখেন না, তার এসব দেখার সময় নাই। তাছাড়া, তিনি কর্মরত সাংবাদিকদের যথেষ্ট সম্মান দিতেন। আমি নিজেই তার সাক্ষী। অতএব, এই লেখায় আমি বসুন্ধরা চেয়ারম্যানকে দায়ী করছি এটা কেউ ভেবে নেবেননা।)

রিপোর্টটি অনুবাদ করতে গিয়ে আমি তিনটি কারণে গ্লানি বোধ করেছিলাম: এক. নিহত শাজনীনের প্রতি সহানুভূতি, দুই. আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে রিপোর্টিং এর মত বেআইনি কাজে যুক্ত হওয়া এবং তিন. বিষয়টির উপর কোনো খোঁজ খবর না করে অন্যের লেখা অনুবাদ করা। তবে সেটা লিখতে গিয়ে আসামিদের বক্তব্য জেনেছিলাম। তারা নিজেদের সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে কিছুটা খোঁজ খবর নিয়েছিলাম। আসামীদের দিক থেকে আমাকে বোঝানো হয়েছিল, "এই মামলায় যারা অভিযুক্ত তারা সবাই গরীব কর্মচারী। শিল্পপতি লতিফুর রহমান ও প্রথম আলো/ডেইলি স্টারের মত প্রতিপক্ষের সাথে লড়াইয়ের সামর্থ্য তাদের ছিলনা। সকল সংবাদপত্র এবং দেশবাসীর আবেগ তাড়িত সমর্থন আসামীদের বিপক্ষে ছিল। তারা অপরাধ না করলেও সাংবাদিক, সরকার, পুলিশ, জজ - সবাই মিলে তাদের অপরাধী বানিয়েছে। তাদের এই কথা আমার মনে দাগ কেটেছিল। ভাবলাম, আসলেইতো এটা একটা অসম আইনি লড়াই! এখানে আমরা সবাই এক পক্ষে। আসামীদের কথা কি আদৌ শোনা হয়েছে?"

আমরা অনেক সময় বিচারের আগেই মিডিয়া ট্রায়াল করে ফেলি। এক্ষেত্রেও আমরা তেমন করেছি কি না - আমার মনে প্রশ্ন জাগল। ভাবলাম সর্বত্র দুর্নীতি ও অনিয়ম কবলিত এই দেশে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের মত শক্তিশালী মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা কাউন্টার করার জন্য কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, বাংলানিউজ২৪ ও ডেইলি সানের মত প্রতিষ্ঠান দরকার আছে। রাষ্ট্রের জন্য সরকারের পাশাপাশি বিরোধীদলের দরকার আছে। (ক্ষেত্র বিশেষে) একপেশে তথ্য প্রবাহের অসঙ্গতি দূর করার জন্য এটা এক ধরণের ব্যালেন্স। বাংলাদেশে শিল্প মালিকদের প্রকাশিত মিডিয়ার বিপরীতে গরীবের পক্ষে বলার মত মিডিয়া নেই। দয়ার দৃষ্টিতে কিংবা ধনাঢ্য মালিকের চোখ দিয়ে গরীবের পক্ষে যতটুকু লেখা হয়, তা মোটেই সমতা নয়।

জজ সাহেবরা বিচার করলেও একটি মামলার প্রধান কাজটি করে পুলিশ। অপরাধী খুঁজে বের করা, রিমান্ডে নিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়, চার্জশিট তৈরি, সাক্ষী ও আলামত উপস্থাপন - এর সবটাই পুলিশের হাত দিয়ে হয়। মামলা কিভাবে সাজানো হবে এবং চার্জশিট দুর্বল হবে না শক্ত হবে তা নির্ভর করে পুলিশের উপর। এরপর শুরু হয় উকিলের কারিশমা। কতটা দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবী নিয়োগ করা হবে তা নির্ভর করে বাদী বা বিবাদীর সামর্থ্যের উপর। উকিল কেস নিয়ে কতটা সিরিয়াস হবে সেটাও বাদী বা বিবাদীর আর্থিক ও অন্যান্য সামর্থ্যের উপর নির্ভর করে।

শাজনীন হত্যা মামলায় প্রথম থেকেই পুলিশের উপর প্রচণ্ড চাপ ছিল। যে কোনো মূল্যে আসামী গ্রেপ্তার করা থেকে চার্জশিট প্রদান এবং সাক্ষ্য হাজির করা পর্যন্ত একমুখী চাপের মধ্যে ছিল পুলিশ। এরকম ক্ষেত্রে গা বাঁচানোর জন্য “জজ মিয়া” গ্রেপ্তার করে বাদীপক্ষ তথা জনগণকে বুঝ দেয়ার চেষ্টা হয়ে থাকলে "বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে" কেঁদে ফিরবে। এতে শাজনীনের পিতা লতিফুর রহমানেরও কোনো লাভ নেই। কারণ তিনি সুবিচার চেয়েছেন। সন্তানের উপর নির্যাতন ও হত্যার বিচার চেয়েছেন। প্রকৃত অপরাধীর সাজা না হলে সেই সুবিচার তিনি পাচ্ছেন না। নিরাপরাধ ব্যক্তির সাজা হলে তাতে তিনি সান্ত্বনা পেতে পারেন না।

শাজনীন হত্যা মামলার চার আসামী ১৮ বছর যাবত বেকসুর সাজা খেটেছেন। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সেটাই প্রতীয়মান হচ্ছে। ফুলের মত সুন্দর একটি মেয়ের উপর যে ঘৃণ্য অপরাধ হয়েছিল তার দায় থেকে অবশেষে তারা মুক্ত হয়েছেন। কিন্তু কারাবাসের ১৮ বছর তারা আর ফিরে পাবেন না। অপরাধ না করেও সাজা খাটার বেদনাময় স্মৃতি জীবনের শেষ দিনগুলি পর্যন্ত তাদের তাড়া করবে।

১৮ বছর ফিরে পাওয়ার বাতুলতা বাদ দেই; সুপ্রিম কোর্টে আপিল না হলে তাদেরতো মরতে হত! ঘৃণ্যতম অপরাধের কালিমা নিয়ে তাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হত। মরার পর সমাজ ও উত্তর প্রজন্মের কাছে তাদের পরিচয় হয়ে থাকত নিকৃষ্টতম অপরাধী হিসেবে। প্রিয়জন ও কাছের মানুষরা চিৎকার করে তাদের নিরাপদ বলে দাবি করলেও অন্যরা তা বিশ্বাস করতোনা। এরকম কত মানুষ আদালতের ভুল রায়ের কারণে বিনা অপরাধে জেল খাটে কিংবা হয়রানির শিকার হয়?

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে খালাস পাওয়া চারজন হলেন বাড়ির সংস্কারকাজের দায়িত্ব পালনকারী ঠিকাদার সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসান ও তাঁর সহকারী বাদল, বাড়ির গৃহপরিচারিকা দুই বোন এস্তেমা খাতুন (মিনু) ও পারভীন। গৃহভৃত্য শহীদুল ইসলামের (শহীদ) মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। শহীদের আপিল করার মত আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় জেল আপিল করেছিল। জেল আপিলের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত আসামী নিজেকে নির্দোষ দাবি করে জেলখানা থেকে হাইকোর্টের কাছে একটা পিটিশন দেয়। উকিলের মাধ্যমে পিটিশন না হওয়ায় সেখানে মামলার মেরিট ও আইনি পয়েন্টের চুলচেরা বিশ্লেষণ থাকেনা। তবে আদালত নিজস্ব বিবেচনায় সাক্ষী-শাবুদ পর্যালোচনা করে পিটিশনটি নিষ্পত্তি করেন। এরকম হাজার হাজার জেল পিটিশন হাইকোর্টের বিবেচনার অপেক্ষায় বছরের পর বছর ঝুলে আছে।

সর্বোচ্চ আদালত কোন বিবেচনায় শাজনীন হত্যা মামলায় চার আসামীকে খালাস দিয়েছেন তা পূর্ণাঙ্গ রায় না দেখে বলা সম্ভব নয়। খালাস দিয়েছে বলেই তারা পুরোপুরি নির্দোষ -এটাও নিশ্চিত করে বলা এই মুহূর্তে সম্ভব হচ্ছেনা। এমন হতে পারে যে তাদের দায়িত্ব পালনে কোনো ঘাটতি ছিল, কিংবা অন্য কোনোরকম সংশ্রব ছিল বিধায় জজ কোর্ট এবং হাইকোর্ট তাদের দোষী সাব্যস্ত করেছিল। ইতিমধ্যে তাদের ১৮ বছর কারাবাস হওয়ার কারণে আপিল আদালত তাদের অন্য কোনো সাজা না দিয়ে সরাসরি খালাস করে দিয়েছে -এরকমও হতে পারে। তবে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া যে সঠিক ছিলনা সেটা সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

এই মামলায় কতজনকে গ্রেফতার করে তাদের উপর পুলিশি ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়েছিল তা আমার মনে নেই। তবে ছয় জনের নামে চার্জশিট দেয়া হয়েছিল এই ছয়জনের সবাইকে মৃত্যু দণ্ড দিয়েছিল বিচারিক আদালত। হাইকোর্ট শনিরাম রায় নামে একজন কাঠমিস্ত্রিকে বেকসুর খালাস দিয়ে বাকি পাঁচ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। শনিরাম কারাভোগ করেছিল আট বছর। বাকি আসামীরা কারাভোগ করল ১৮ বছর।

মামলা ও রায় অনুযায়ী ধর্ষণ ও হত্যা করেছিল গৃহভৃত্য শহীদ। বাকিরা ছিল তার সহযোগী। একটি নিরপরাধ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যায় এই মানুষগুলো সবাই মিলে সহায়তা করল ! হতে পারে যে নিহত মেয়েটি গৃহপরিচারিকা মিনু ও পারভীনের সন্তানতুল্য ছিল। শাজনীনের উপর বর্বর নৃশংসতায় তারাও হয়তো বেদনার্ত ছিল। অথচ তাদেরকেই সেই অপরাধের দায়ে দীর্ঘ আঠারো বছর জেলে পচতে হয়েছে, মৃত্যুর প্রহর গুনতে হয়েছে। অবশেষে আজ তারা খালাস পেয়েছেন।

অপরাধীকে সহায়তার দায়ে শাজনীনদের বাড়ির সংস্কার কাজের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদার সৈয়দ সাজ্জাদ মইনুদ্দিন হাসানকেও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল। তার সহকারী বাদল এবং কাঠমিস্ত্রি শনিরামও মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। এরা সবাই মিলে একটি মেয়েকে ধর্ষণ এবং অবশেষে হত্যায় সহযোগিতা করেছে?

এই মামলাটির সঠিক তদন্ত হয়েছে কিনা এবং সর্বোচ্চ সাজাপ্রাপ্ত শহীদের বিরুদ্ধেও যথাযথ সাক্ষী উপস্থাপন হয়েছে কি না তা নিয়ে আজ আমার সন্দেহ হচ্ছে। আমি একজন নাগরিক হিসেবে শহীদের ফাঁসি কার্যকর করার আগে শাজনীন হত্যা মামলার পুন:তদন্ত দাবি করছি। সর্বোচ্চ আদালত ন্যায় বিচারের স্বার্থে যেকোনো আদেশ দিতে পারেন। বিচার পাওয়ার অধিকার শাজনীনের স্বজনদের রয়েছে। বিচার পাওয়ার অধিকার অভিযুক্তদেরও রয়েছে। জয় মানবতা; জয় মানুষ।

পুলক ঘটক, সাংবাদিক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১২ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৩৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৪ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬০ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১২ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১০৮ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৬ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ