আজ শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ইং

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা : এমডিজি থেকে এসডিজি

এনামুল হক এনাম  

বিশ্ব-স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)  এর তত্ত্বাবধানে Health for All বা ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ১৯৭৮সালে কাজাখিস্তানের আলমাআটা শহরে সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বা ‘Primary healthcare (PHC)’ প্রণয়ন করা হয় যাতে স্বাস্থ্যসেবাকে সার্বজনীন করে একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলা যায়। প্রাইমারি হেলথ-কেয়ারের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো ২০০০সাল পর্যন্ত যেখানে কমিউনিটির সকলের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহযোগিতায় সকল সেক্টরের সমন্বয়ে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারে ন্যায্যতার-ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মূলনীতিতে "essential health care" বা অতিপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।

‘Primary healthcare এর সন্তোষজনক লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় ২০০০ সালে জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (Millennium Development Goals -‘MDGs’)  ঘোষণা করে, যার ৮টি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সময় নির্ধারণ করা হয় ২০১৫ সাল পর্যন্ত।

১. চরম দারিদ্র্যতা ও ক্ষুধা নির্মূল করা (Eradicate extreme poverty and hunger)
২. সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন (Achieve universal primary education)
 ৩.  লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং নারীর ক্ষমতায়ন (Promote gender equality and empower women)

 ৪. শিশু মৃত্যুহার হার কমানো, (Reduce child mortality)
৫. মাতৃ-স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, (Improve maternal health)
৬. এইচআইভি/এইডস, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য রোগব্যাধি দমন, (Combat HIV/AIDS, malaria, and other diseases)
৭. পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ (Ensure environmental sustainability) এবং
৮. সার্বিক উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা (Develop a global partnership for development)

Millennium Development Goals -‘MDGs’ এর নির্ধারিত সময় ২০১৫সালে শেষ হয়ে যায়। মোট আটটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ বিশ্বে ঈর্ষনীয় সাফল্য লাভ করে। বাংলাদেশকে MDG-এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ‘রোল মডেল' হিসেবে বিবেচনা করা হয়৷ MDG এর লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাংলাদেশের সাফল্যগুলো নিন্মরুপঃ  
১. নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বাংলাদেশে চরম দারিদ্রের হার ছিল ৫৬.৭ শতাংশ৷ ২০০০সালের পরবর্তী সময় বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি নিয়মিতভাবেই ৬ শতাংশের উপরে রয়েছে৷ এই প্রবৃদ্ধি দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে৷ বর্তমানে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ২৪.৮ শতাংশ৷

২. বাংলাদেশে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রকৃত ভর্তি হার ৯৭.৭ শতাংশ৷ এর মধ্যে ছেলে ৯৬.৬ ও মেয়ে ৯৮.৮ শতাংশ৷ পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির হার ১৯৯১ সালে ৪৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৪ সালে ৮১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে৷ এছাড়া ১৫ বছরের বেশি বয়সী জনসংখ্যার শিক্ষার হার ১৯৯০ সালের ৩৭.২ থেকে বেড়ে বর্তমানে ৬১ শতাংশ হয়েছে৷

৩. ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রতি ১০০ ছেলের বিপরীতে ১০৩ জন মেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়৷ ১৯৯০ সালে ছেলে-মেয়ের এই অনুপাত ছিল ১০০:৮৩৷ আর মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ছেলে ও মেয়ের অনুপাত ছিল: ১০০: ৫২, আর ২০১৫সালে তা দাঁড়িয়েছে এখন ১০০:১১৪৷

৪. শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসে বাংলাদেশের সাফল্য সারা বিশ্বে প্রশংসিত। ১৯৯০ সালে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যুর হার যেখানে ছিল প্রতি হাজারে ১৪৬ জন,  সেখানে ২০১৩ সালে ৪৬-এ নেমে এসেছে৷ নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলাদেশ লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হওয়ায় বাংলাদেশ ইউনিসেফসহ অন্যান্য সংস্থা থেকে পুরস্কৃতও ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

৫. ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ছিল ৫৭৪, যা ২০১৩ সালে হয়েছে ১৭০৷ প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষত মাতৃ-স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে ১২ হাজারের অধিক কমিউনিটি ক্লিনিক জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে সরকারের সহযোগিতায় কাজ করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা বিশ্ববাসীর জন্য বিস্ময়।  

৬. বাংলাদেশে এইচআইভি অথবা এইডসের প্রাদুর্ভাব এখনো অনেক কম৷ শতকরা ০.১ ভাগ, যা মহামারি সীমার নীচেই রয়েছে৷ ২০১৩ সালে ১৫-২৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি-এইডস সম্পর্কে সঠিক ও স্পষ্ট ধারণা রাখে এমন লোকের সংখ্যা ১৮ শতাংশ৷

৭. ১৯৯০ সালে দেশে বনভূমির পরিমাণ ছিল ৯ দশমিক শূন্য শতাংশ, যা ২০১৪ সালে ১৩ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে৷ এ সময়ে ‘ওজোন' ক্ষয়কারী পদার্থের পরিমাণ ২০২ ওডিপি টন থেকে হ্রাস পেয়ে ৬৪ দশমিক ৮৮ হয়েছে৷ ১৯৯০ সালে জনসংখ্যার ৭.৮ শতাংশ বস্তিতে বাস করতো৷ বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫.২৫ শতাংশে৷

৮. ১৯৯০-৯১-এ বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের তুলনায় বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার পরিমাণ ছিল ৫.৫৯ শতাংশ৷ ২০১৩-১৪ সালে এর পরিমাণ ১.৭৮ শতাংশে নেমে এসেছে৷

Sustainable Development Goals (SDGs)/সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি)

২০১৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রাগুলো হলো:
১. সকল প্রকার দারিদ্র্যতা দূরীকরণ (End poverty in all its forms everywhere)
২.খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টির উন্নয়ন ও কৃষির টেকসই উন্নয়ন; (End hunger, achieve food security and improved nutrition, and promote sustainable agriculture)

৩. সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা; (Ensure healthy lives and promote wellbeing for all at all ages)
৪. ন্যায্যতার-ভিত্তিতে সার্বজনীন মানসম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ; (Ensure inclusive and equitable quality education and promote lifelong learning opportunities for all)

৫. লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন; (Achieve gender equality and empower all women and girls)
৬. সকলের জন্য নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ; (Ensure availability and sustainable management of water and sanitation for all)

৭. নিরাপদ ও টেকসই জ্বালানি বা বিদ্যুতের ব্যবস্থা সবার জন্য নিশ্চিত করা; (Ensure access to affordable, reliable, sustainable and modern energy for all)
৮. স্থিতিশীল ও সবার অংশগ্রহণমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পূর্ণকালীন উৎপাদনমূলক কর্মসংস্থান ও কাজের পরিবেশ তৈরিকরণ; (Promote sustained, inclusive and sustainable economic growth, full and productive employment, and decent work for all)

৯. স্থিতিশীল শিল্পায়ন এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা; (Build resilient infrastructure, promote inclusive and sustainable industrialisation, and foster innovation)

১০. রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃরাষ্ট্র বৈষম্য বিলোপ; (Reduce inequality within and among countries)

১১. মানব বসতি ও শহরগুলোকে নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাখা; (Make cities and human settlements inclusive, safe, resilient and sustainable)
১২. উৎপাদন ও ভোগ কাঠামোর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা; (Ensure sustainable consumption and production patterns)

১৩. জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ; (Take urgent action to combat climate change and its impacts)

১৪. টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা; (Conserve and sustainably use the oceans, seas and marine resources for sustainable development)

১৫. স্থলভূমির জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন; মরুকরণ প্রতিরোধ করা এবং জমির ক্ষয়রোধ ও জীব-বৈচিত্র্যের ক্ষতি কমানো; (Protect, restore and promote sustainable use of terrestrial ecosystems, sustainably manage forests, combat desertification and halt and reverse land degradation, and halt biodiversity loss)

১৬. শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক সমাজ, সকলের জন্য ন্যায়বিচার, সকল স্তরে কার্যকর, জবাবদিহি ও অংশগ্রহণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা; (Promote peaceful and inclusive societies for sustainable development, provide access to justice for all and build effective, accountable and inclusive institutions at all levels) এবং

১৭. টেকসই উন্নয়নের জন্য এ সব বাস্তবায়নের উপায় নির্ধারণ ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের স্থিতিশীলতা আনা (Strengthen the means of implementation and revitalise the global partnership for sustainable development)

এমডিজি থেকে এসডিজি এবং বাংলাদেশ
এমডিজি অর্জনে সাফল্য সর্ব-মহলে প্রশংসিত হয়েছে৷ এমডিজি এর সফলতাকে কাজে লাগিয়ে, এর অভিজ্ঞতার আলোকে আমাদের এসডিজি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে৷ ন্যায্যতার-ভিত্তিতে গুরুত্ব সহকারে সমস্যাগুলোকে বিবেচনা করে অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধান করতে হবে। সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্র এবং জনগণের ক্ষেত্রে ব্যক্তি পর্যায়ে অর্থনৈতিক মুক্তিও অত্যাবশ্যক। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। একটি স্থিতিশীল অর্থনীতি অর্জনের জন্য স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশও প্রয়োজন। সর্বোপরি সুশাসনের উপর গুরুত্ব আরোপ করে দেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন এবং  বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের স্থিতিশীলতা প্রতিষ্টা করতে হবে। জীব-বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য জনসচেতনতা তৈরি, প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করতে হবে। লিঙ্গ বৈষম্য নিরসনে নারী শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করে সমাজের সকল স্থরে সুশাসন প্রতিষ্টা, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠন করার মাধ্যমে সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনে এগিয়ে যেতে হবে।

তথ্য সহায়িকাঃ
সার্বজনীন স্বাস্থ্যঃ https://en.wikipedia.org/wiki/Health_For_All
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাঃ https://en.wikipedia.org/wiki/Primary_healthcare
মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলঃ http://www.unmillenniumproject.org/goals/
সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলঃ https://en.wikipedia.org/wiki/Sustainable_Development_Goals
এমডিজি থেকে এসডিজি: প্রেক্ষাপট বাংলাদেশঃ ডিডাব্লিউ- আলাপ

এনামুল হক এনাম, প্রভাষক, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১০ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৭ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১২৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ