আজ শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ইং

দোলার ধূমপান, পুরুষের প্রলপন এবং গোপাল ভাঁড়ের গল্পখান

ফরিদ আহমেদ  

গোপাল ভাঁড়ের একটা প্রচলিত গল্প দিয়ে শুরু করি। যথাসম্ভব সংক্ষেপে বলছি গল্পটা।

মাঘ মাসের শীতের দিনে একবার খেয়ালি রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষণা করলেন, কেউ যদি দীঘির পানিতে সারারাত দাঁড়িয়ে থাকতে পারে, তবে তার জন্য পুরস্কার থাকবে। কেউ এলো না এই অসম্ভব কাজ করে পুরস্কার নেবার জন্য। ব্যতিক্রম এক কন্যাদায়গ্রস্ত দরিদ্র ব্রাহ্মণ। ব্রাহ্মণ সারারাত দীঘির জলে দাঁড়িয়ে থাকলেন। সকালবেলায় এই ঘটনা জেনে রাজামশাইয়ের তো চক্ষু চড়কগাছ। অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে সম্ভব হলো? তুমি কী করেছিলে সারারাত? এর উত্তরে ব্রাহ্মণ বললো, রাজামশাই, বহু দূরে একটা বাড়িতে কুপির আলো জ্বলছিলো। আমি সেই আলোর দিকে এক ধ্যানে তাকিয়ে ছিলাম। এতেই রাত কেটে ভোর হয়ে গেছে।

রাজার এক কূটবুদ্ধির মন্ত্রী লাফ দিয়ে পড়লো এই কথা শুনে। এই ব্যাটা ব্রাহ্মণ ভণ্ড আর প্রতারক। ও কুপির আলোর উষ্ণতা দিয়ে সে শীতকে ঠেকিয়ে রেখেছে। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁর মন্ত্রীর বক্তব্যকে মেনে নিয়ে অপমান করে তাড়িয়ে দিলেন ব্রাহ্মণকে।

ক্রন্দনরত বঞ্চিত ব্রাহ্মণের সাথে পথে দেখা হলো গোপাল ভাঁড়ের। কৌতূহলী গোপাল জেনে নিলো সব ঘটনা। তারপর বললো,“দাঁড়ান,এর একটা বিহিত করছি আমি।”

গোপাল দাওয়াত করলো রাজামশাইকে সদলবলে একদিন। নির্দিষ্ট দিনে রাজামশাই হাজির তাঁর দলবল নিয়ে। এসে দেখেন, খাবারের কোনো আয়োজন নেই গোপালের বাড়িতে। অবাক হয়ে রাজামশাই বললেন, সেকি গোপাল! দাওয়াত দিয়ে নিয়ে এসে অতিথির সাথে একি ব্যবহার? খাবার কই?” গোপাল বলে, “খাবার রান্না হচ্ছে?” “কই,কোথায়? আমিতো দেখতে পাচ্ছি না।” রাজা অবাক হয়ে বললেন।

গোপাল তখন রাজামশাই এবং অন্যদের নিয়ে বাইরে গেলো। দেখালো বাড়ির পাশের এক তালগাছের মাথায় হাড়িতে ভাত বসিয়েছে সে। নীচে আগুন।“এই যে রান্না হচ্ছে। অল্পক্ষণের মধ্যেই হয়ে যাবে।”

রাজা এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা ক্ষুধা ভুলে অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো। রাজা বললেন, “ওহে গোপাল!, তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে? এই নীচের আগুনের তাপে কী আর তালগাছের মাথার হাড়ির ভাত রান্না হবে?”

গোপাল ভাঁড় ঝাঁপিয়ে পড়ে বললো, “কেন হবে না রাজামশাই। এক মাইল দূরের কুপির আলোয় যদি মাঘের শীতে কেউ উষ্ণতা পেতে পারে, তবে আমার এই চুলায় কেন সামান্য ভাত রান্না হবে না?”

রাজামশাই তাঁর ভুল বুঝতে পেরে ব্রাহ্মণকে ডাকিয়ে এনে ঘোষণাকৃত পুরস্কার দিয়েছিলেন।

২.
আমাদের দেশটা ছোট। তার উপর জনবহুল। বনভূমির পরিমাণ মাত্র এগারো শতাংশ। এর আবার একটা বড় অংশই মূলত সুন্দরবনের অংশ। সেই সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে রামপালে কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্লান্ট গড়ে তোলার সরকারী সিদ্ধান্তটা স্রেফ আত্মহত্যারই সামিল। এর কারণে যে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে, তাতে বিলীন হয়ে যাবে আমাদের সবচেয়ে বড় বনটা। আমাদের জীবদ্দশায় হয়তো সুন্দরবন বিলীন হয়ে যাবে না রাতারাতি, কিন্তু আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কিংবা তার পরবর্তী প্রজন্ম ওখানে গাছের শ্মশান দেখবে, সারি সারি মৃত গাছ লাইন দিয়ে পড়ে থাকা দেখবে। সেখানে থাকবে না কোনো বন্যপ্রাণী, থাকবে না কোনো পাখি কিংবা প্রজাপতি। আজ আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গিয়ে আমরা যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা না ভাবি, তারা একদিন এই পৃথিবীতে জন্মে আমাদের এই স্বার্থপর আচরণের জন্য ক্ষোভ উগরে দেবে। মোটাবুদ্ধির অর্বাচীন লোক বলে গালি দেবে আমাদের। তাদের সম্পদকে সুরক্ষিত করার বদলে কীভাবে ধ্বংস করে দিয়ে গিয়েছি আমরা সেই অভিযোগে আমাদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলবে তারা। রামপাল বন্ধ করে দেবে তারা, কিন্তু, ততদিনে সর্বনাশ যা হবার তা হয়ে যাবে।

এই জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থেই তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি গত ছাব্বিশে জানুয়ারি হরতাল ডেকেছিলো। প্রচলিত যে ধরনের হরতাল আমরা দেখতে অভ্যস্ত, ঠিক সেরকম হরতাল এটি ছিলো না। সরকার পতন কিংবা ক্ষমতায় যাবার জন্য হরতাল নয়। এই হরতাল ছিলো জাতীয় সম্পদ সুরক্ষার দাবি নিয়ে। রাজনৈতিক হরতালের মতো এখানে জ্বালাও-পোড়াও হয়নি, বোমা-ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়নি। তারপরেও, শান্তিপূর্ণ সেই হরতালে চড়াও হয়েছিলো পুলিশ। টিয়ার গ্যাস, জলকামান, রাবার বুলেট ছুঁড়ে তারা তাদের শক্তিমত্তা দেখিয়েছে। বেধড়ক লাঠিচার্জও তারা করেছে আন্দোলনকারীদের উপরে।

বামপন্থীদের সেই হরতালে পুলিশের নিষ্ঠুর এবং নির্মম আক্রমণের খবর ইতোমধ্যেই সবাই জেনে গেছেন। অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছে পুলিশের অকারণ এবং অযাচিত শক্তি প্রয়োগের কারণে। লাকি আক্তার, মিজানুর রহমান, লাবণী মণ্ডলসহ অনেকেই আহত হয়েছেন পুলিশের ছোঁড়া টিয়ারগ্যাসের সেলের আঘাতে কিংবা তাদের মারপিটের কারণে। আহত লাকি আক্তারকে তাঁর সহযোদ্ধারা কোলে করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে এমন ছবি পত্রিকাতেও ছাপা হয়েছে। মিজানুর রহমানকে রাস্তায় ফেলে এক দল পুলিশ তাঁকে মারধর করছে, সেই ছবিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। পুলিশের এই পৈশাচিক নির্দয়তা এমনি এমনি হয়নি। এর পিছনে সরকারের প্রত্যক্ষ সমর্থন এবং নির্দেশনা ছিলো, সেটা অনুমান করতে কষ্ট হয় না।

৩.
পুলিশের এই আক্রমণের বাইরে বাইরে আরেক ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছে জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনকারীরা। সেই আক্রমণ এসেছে অনলাইনে, সরকার সমর্থিত একদল মানুষের কাছ থেকে। দলের চেয়ে দেশ যে বড়, দলের নেতানেত্রীও স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থ যে আগে দেখতে হয়, সেই জিনিসটা এরা জানে না। নানা ধরনের আক্রমণের মধ্যে হাস্যকর যে আক্রমণটা এরা করেছে, সেটা হচ্ছে সৈয়দা নীলিমা দোলা নামের একটি মেয়ের ছবি ভাইরাল করেছে এরা। এই মেয়েটা পুলিশের আক্রমণের মাঝে দাঁড়িয়েও ছবি তুলছিলো। সেই কাজ করার সময় সে একটা সিগারেট ধরিয়েছে,এটাই তার অপরাধ।

শুরুর দিকে নিম্নশ্রেণীর দলকানারা একজন মেয়ে সিগারেট খাচ্ছে, এটাকেই হাইলাইট করার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশে এমন কোনো আইন নেই যে একজন মেয়ে ধূমপান করতে পারবে না। একটা মেয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় ধূমপান করছে, এই দৃশ্যটা বিরল, কিন্তু বিরাট কোনো অন্যায় বা অপরাধ নয়। আমাদের দেশে প্রচুর সংখ্যক মেয়ে ধূমপান করে। শ্রেণী-বিভাজিত আমাদের সমাজে আমরা মধ্যবিত্তরা শুধু মধ্যবিত্তদের দেখি বলে খেয়াল করি না যে আমাদের দেশে নিম্নশ্রেণীর এবং উচ্চশ্রেণীর নারীরা অনেক আগে থেকেই ধূমপান করে আসছে। গ্রামে যাদের নিয়মিত যাতায়াত, তাঁরা জানেন গ্রামের অনেক নারীই ধূমপান করে থাকে। মধ্যবিত্ত নারীদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা সামাজিক কারণে কম বলে, কিছু লোক ধরে নিয়েছে যে এটা মেয়েদের কাজ নয়। এই কাজ যে করবে, সে নিশ্চয় খারাপ কিছু।

ধূমপান যদি সামাজিক খারাপ কর্ম হিসাবে বিবেচিত হয়, তবে সেটা শুধুমাত্র নারীর জন্য প্রযোজ্য হবে না। বাংলাদেশের যে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি পুরুষ মানুষ ধূমপান করে, তারাও এর আওতায় এসে যায়। পুরুষের জন্য এটা ভালো কাজ, আর নারীর জন্য খারাপ কাজ, সেটাতো হতে পারে না। এ ধরনের লিঙ্গ বৈষম্য কাম্য নয় কিছুতেই।

এই নিম্ন প্রজাতির চেয়ে সামান্য একটু উঁচু একশ্রেণী এসে যুক্তি দিলো যে, “না, নারী ধূমপান করেছে বলে আমরা কিছু বলি নাই। একজন পরিবেশবাদী হয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছে এই মেয়েটা সিগারেট ধরিয়ে, সেটাই আমরা বলছি।”ওয়েল,কথায় যুক্তি একটু আছে বটে। তবে,সেটাকে কুযুক্তিই বলা যেতে পারে। এই মেয়েটার ধূমপানের যে ছবি আছে, সেটাতে পিছনে দেখা যাচ্ছে টিয়ার গ্যাসের কারণে ধোয়াময় এক পরিবেশ। মেয়েটার সিগারেটের ধোয়া কি এই ধোয়ার সমতুল্য বা সমপরিমাণ? কিংবা রামপাল যখন চালু হবে,তখন কি সিগারেটের এই ধোয়ার চেয়েও কম ধোয়া নির্গত হবে? পরিবেশবাদী বলেই কি একজন মানুষকে শতভাগ পরিবেশ বান্ধব হতে হবে?

এই পৃথিবীতে আমরা যে বেঁচে থাকার সংগ্রাম করছি, এর সবকিছুতেই পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আমরা যে নিঃশ্বাস ছাড়ছি, সেটাতে কার্বন ডাই অক্সাইড নামের বিষে ভরা। এর জন্য কি আমরা শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া বন্ধ করে দেবো? পরিবেশের জন্য লড়াই করার মানে এই না যে আমি পরিবেশের বিন্দুমাত্রও কোনো ক্ষতি করবো না। এর মানে হচ্ছে পরিবেশের ক্ষতিটাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখা যাতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানুষেরা ভোগান্তিতে না পড়ে।

যুক্তিবিদ্যায় যুক্তির বাইরে ফেলাসাস যুক্তি বা হেত্বাভাস যুক্তিরও একটা তালিকা আছে। এই হেত্বাভাস যুক্তিকে আমরা সরল বাংলায় কুযুক্তি বা কূটনামি যুক্তি বলতে পারি। সেই কুযুক্তির তালিকার একটা হচ্ছে ফলস ইকুইভ্যালেন্স ফ্যালাসি। এর মূল বিষয় হচ্ছে দুটো অসম বিষয়কে তুলনা করে বক্তার নিজের দাবি পেশ করা। রামপালের ধোয়া কিংবা টিয়ার গ্যাসের ধোয়া কিংবা অন্য দূষণের চেয়ে দোলার এই সিগারেট ধরানোর ক্ষতি যে অতি নগণ্য সেটা জেনেও এই অসম বিষয়কে নিয়ে আসা হয়েছে নিজেদের পছন্দের বিষয়কে উচ্চে তুলে ধরার জন্য।

সিগারেট অবশ্যই ক্ষতিকর,তবে সেটা পরিবেশের জন্য অতি সামান্য,বেশি ক্ষতি স্বাস্থ্যের জন্য। আর পরিবেশের ক্ষতি যেটুকু হচ্ছে, সেটার জন্য দোলা একা দায়ী নয়,আরো লক্ষ লক্ষ মানুষ এতে অবদান রাখছে। খামোখা তাকে সিঙ্গেল আউট করাটা অসাধুতার লক্ষণ।

৪.
আমি কাউকে উপদেশ দিতে পছন্দ করি না। দোলাকেও তাই ধূমপান ত্যাগ করার উপদেশ আমি দিচ্ছি না। আমি নিজে নন-স্মোকার। সিগারেটের ধোয়া আমার পছন্দের কোনো জিনিস না। প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে সে ধূমপান করবে কী করবে না, এটা তার একান্তই নিজস্ব বিষয়। আমি শুধু তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বাণীটা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিদায় নিচ্ছি, ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

লাকি আক্তার, সৈয়দা নীলিমা দোলা, লাবণী মণ্ডলদের মতো সাহসী সুন্দর মেয়েরা আরো জন্মাক আমাদের সমাজে, প্রতিটা ঘরে ঘরে, এই কামনা রইলো।

ফরিদ আহমেদ, কানাডা প্রবাসী লেখক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫১ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৫ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১১৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ