আজ শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং

দ্য বেনিফিট অব ডাউট: প্রসঙ্গ ‘বিশ্বব্যাংক ও পদ্মাসেতু’

সাব্বির খান  

বাংলাদেশের কিছু সুশীল বুদ্ধিজীবী ও মিডিয়াকে অর্থ ও সুবিধা দেয়ার বিনিময়ে খুব সহজেই ক্রয় করা সম্ভব। কিন্তু কাজটা অনৈতিক বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা কখনোই করেননি। একারণে শুধু তাঁকে নয়, সারা জাতিকেই দিতে হয়েছে চরম মূল্য।

২০১২ সালে বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতু নির্মাণের চুক্তিবদ্ধ ঋণ বাতিলই শুধু করেনি, উপরন্তু দুর্নীতির দায়ে দোষী করছিল বাংলাদেশ সরকারকে যার একচেটিয়া দায় নিতে হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। একারণে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছিল বিশ্বদরবারে। বিশ্বব্যাংককে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাংলাদেশের কিছু বুদ্ধিজীবী ও মিডিয়া তখন শুধু উদ্বুদ্ধই করেননি, তাঁদের উৎফুল্লতাও ছিল চোখে পড়ার মত। অথচ দুর্জ্জনের গালে চপেটাঘাত মেরে ২০১৭-তে এসে কানাডার আদালত কর্তৃক প্রমাণ হলো, বিশ্বব্যাংকের আনা সব অভিযোগই ছিল মনগড়া এবং ক্ষেত্রবিশেষে তৈরি করা, যার পেছনে প্রচ্ছন্ন ইন্ধন ও মদদদাতারা ছিলেন বাংলাদেশেরই কিছু স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ এবং সংবাদপত্র।

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে অভিযোগগুলো আদালতে উত্থাপন করেছিল, তাতে বিভিন্ন ব্যক্তির দেয়া তথ্য-উপাত্তই ছিল প্রধান। কিন্তু সেসব উপাত্তের সোর্স হিসেবে একজন ব্যক্তির নামও বিশ্বব্যাংক আদালতে উত্থাপন করেননি। যেকারণে আমাদের পক্ষেও সম্ভব হয়নি জানা সেই ব্যক্তিবর্গরা কারা!

তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, যিনি বিশ্বব্যাংক এবং বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী ও মিডিয়ার চাপে তখন পদত্যাগ করেছিলেন, তাঁর লেখা ‘আমার কথা’ গ্রন্থে লিখেছেন, “বিশ্বব্যাংকের মতো দুনিয়া কাঁপানো একটি প্রচণ্ড শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, বিরোধী দল, বুদ্ধিজীবী- সবাই আমার ওপর খড়গহস্ত হয়ে উঠেছিল। তাদের সম্মিলিত দাবি ছিল- পদ্মা সেতু নিয়ে কথিত দুর্নীতির সঙ্গে আমি জড়িত। এজন্য বিভিন্ন মহল থেকে আমার শাস্তি দাবি করা হয়েছে। আমাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য, সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য লেখালেখি হয়েছে, কিন্তু পদ্মা সেতু প্রকল্প কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তা নিয়ে তেমন কারও মাথাব্যথা লক্ষ্য করা যায়নি"।

একই গ্রন্থে তিনি দুঃখ করে আরো লিখেছেন, “বিশ্বব্যাংকের তথাকথিত দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগকে সবাই বড় করে দেখল; আমার আর বাংলাদেশের অবস্থানকে বাঙালি হয়েও অধিকাংশ বাঙালি বুদ্ধিজীবী আমলে নিলো না। এটি আমাদের সাদা-চামড়া প্রীতি আর পুঁজিবাদ-পুজোর পরিচয়কে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। সাদা চামড়ার লোক যেন কোনো অপরাধ করতে পারে না”?

জনাব আবুল হোসেনের খেদোক্তিতে যে যৌক্তিক আক্ষেপের কথা তিনি লিখেছেন, তা আমলে নেয়ার মত মনমানসিকতা দেশপ্রেমিক তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের ছিল বলে কোনভাবেই প্রতিয়মান হয়নি। দেশের কপালে কালি লেপনে যাদের বিবেকে বাঁধে না, তাঁরা কিভাবে এদেশের সাংবিধানিক নাগরিক হতে পারেন, তা আমার বোধগম্য নয়।

বাংলাদেশের বিশিষ্ট একজন বুদ্ধিজীবী প্রফেসর আনু মোহাম্মদ পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের আনা দুর্নীতির অভিযোগকে সত্য বলে সনদ দিয়ে বলেছিলেন, “সরকার এখনও এই অভিযোগ নাকচ করবার মতো কোন গ্রহণযোগ্য তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি। দুর্নীতি দমন কমিশনের ভূমিকা দেখে মনে হয় তারা দুর্নীতির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে বা সরকারের ইচ্ছামতো কাজ করছে”। (সূত্র: দৈনিক সংগ্রাম ২২ জুলাই, ২০১২) শুধুমাত্র আনু মোহাম্মদের মত একজন রাজপথ দাবড়ানো বুদ্ধিজীবীর এই কথাগুলো পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায়, কি ভয়ংকর চক্রান্তে এই গোষ্ঠী নিজেদের নিয়োজিত করেছিলেন।

আমার ক্ষুদ্র মাথায় ভেবে পাই না যে, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারকে চোর বলেছে, অথচ সরকারকে গ্রহণযোগ্য তথ্য দিয়ে প্রমাণ করতে বলছেন এ আনু মোহাম্মদ যে সরকার চোর নয়! ধ্বজাধারী এই প্রফেসরের অধীনে যে সব ছাত্ররা ইতিমধ্যে পাঠ গ্রহণ করেছেন, আমি তাঁদের আগাম আত্মার মাগফেরাত কামনা করা ছাড়া এইমূহুর্তে অন্যকিছু ভাবতে পারছি না। মানুষ কতটা হিংস্র হলে এধরনের উক্তি করতে পারে, তার বিচারের দায় আমি না নিলেও অন্তত এটুকু বলার অধিকার রাখি যে, আনু মোহাম্মদ যে এই সুদূর প্রসারী দেশবিরোধী ‘মোস্তাকীয়” চক্রান্তকারী গোষ্ঠীর একজন, সে ব্যাপারে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই।

২০১২ সালের অক্টোবর মাসে দৈনিক সমকালের সাথে এক সাক্ষাতকারে সরকারের দুর্নীতি বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অন্যতম সংবিধান প্রণেতা এবং রাজনীতিবিদ ড. কামাল হোসেন বলেছিলেন, “...একজন মন্ত্রী নানা অভিযোগে পদত্যাগের পর তাকে দেশপ্রেমিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। জনগণ বিষয়টিকে ভালোভাবে গ্রহণ করে না”। কামাল হোসেনের এই বক্তব্যে সাবেক মন্ত্রী আবুল হোসেন বা শেখ হাসিনার কথা কোথাও উল্লেখ করেননি। অথচ কি নির্বিকারভাবে উনি তাঁদের কটাক্ষ করে নির্ভেজাল মিথ্যাগুলো বলে গেলেন।

আমরা জানি যে, পদ্মাসেতু দুর্নীতির দায়ে নয়, বরং কথিত এই দুর্নীতির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন নিজ ইচ্ছায়ই পদত্যাগ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুল হোসেনকে একজন ‘দেশপ্রেমিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। ড. কামালের মস্তিষ্কে শেখ হাসিনাকে নোংরাভাবে কটাক্ষ করে প্রমাণ করেছিলেন তিনিও ‘চক্রান্তকারী চক্রের একজন’! অথচ একজন জ্যেষ্ঠ নাগরিকই শুধু নয়, দেশের মুরুব্বী হিসেবেও কি তিনি পারতেন না দেশের ক্রান্তিলগ্নে শেখ হাসিনা তথা সরকারের পাশে দাঁড়াতে!

বাংলাদেশের সবচেয়ে বহুল প্রচারিত সংবাদ মাধ্যম দৈনিক প্রথম আলোর ১ জুলাই, ২০১২ সালের “সরে গেল বিশ্বব্যাংক, ঋণ বাতিল” শিরোনামের একটা খবরের দিকে দৃষ্টিপাত করি। (https://goo.gl/D8DcaZ) রিপোর্ট থেকে কিছু শব্দ এবং লাইন হুবহু তুলে দিয়ে যদি বোঝার চেষ্টা করি যে রিপোর্টটি বাংলাদেশের জনগণকে কি ম্যাসেজ দিতে চেয়েছে, তাহলে কানাডীয় আদালতের রায়ের ব্যাপারে অনেক হিসেবই হয়ত মিলে যাবে। যেমন: “রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীদের দুর্নীতির কারণেই ভেঙে গেল সহজ শর্তের ঋণের পদ্মা সেতু”, “সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন...”, “তবে জানা গেছে...”, “সাকোরই একজন প্রতিনিধি বিশ্বব্যাংককে জানান...”, “আরেকটি সূত্র থেকে বিশ্বব্যাংক যোগাযোগমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির আরও অভিযোগের কথা জানতে পারে...”, “আবার বিশ্বব্যাংক সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিলেও প্রধানমন্ত্রী সংসদে ও সংসদের বাইরে বলেন, প্রমাণ বিশ্বব্যাংককেই দিতে হবে...”, “জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেওয়ায় বিশ্বব্যাংকও বিভ্রান্ত হয়”, “এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদেরা”... ইত্যাদি।

পাঠক, এখানে খেয়াল করে দেখুন যে, প্রথম আলোর মত একটা প্রথম সারির পত্রিকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (কারা?), তবে জানা গেছে (কি?), সাকোরই একজন প্রতিনিধি (কে?), আরেকটি সূত্র (কোনটি?), বিশ্বব্যাংক সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিলেও... (কোন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ?), জানা গেছে (কি?), মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদেরা (কারা তাঁরা?)।, ইত্যাদি অস্পষ্ট, পরোক্ষ, নেতিবাচক ভাবধারার ভাষাশৈলী ব্যবহার করেছে।

এবার দেখি পদ্মাসেতু নির্মাণ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ খারিজ করে কানাডার আদালত কি বলেছে। আদালত বলেছে, “এই মামলায় কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। প্রমাণ হিসেবে যেগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে সেগুলো ‘অনুমান-ভিত্তিক, গাল-গল্প ও গুজবের বেশি কিছু নয়”। (বিডিনিউজ২৪.কম ১১ ফেব্রুয়ারি-২০১৭)।

কানাডার মত একটা নিরপেক্ষ দেশের আদালতের রায়ে উপরের কথাগুলো বলা হয়েছে। রায়ে “গালগল্প ও গুজব” শব্দ দু’টি ব্যবহার হয়েছে, যার উৎপত্তি স্থল যে বাংলাদেশে এবং এর পেছনের ব্যক্তিগুলোও যে বাংলাদেশী, তা বোঝার জন্য কাউকে খুব বেশী জ্ঞানী হতে হবেনা। অর্থাৎ একটা গল্প রচনা করতে গেলে মূলত উল্লেখিত প্রথম আলোর ব্যবহৃত শব্দ এবং লাইনগুলোর ব্যবহার ছাড়া সম্ভব নয়, যা আদালতের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আদালত মামলা খারিজ করে এই রায় দিয়েছেন ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ২০১৭-তে, আর প্রথম আলো এই রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে ২০১২ সালের ১ জুলাই। অর্থাৎ প্রথম আলো যে এই গল্পের রচয়িতাদের এক পক্ষ, তা না বোঝার কোন অবকাশ নেই।

পদ্মাসেতুর ঋণ বাতিলে সহায়ক শক্তি হিসেবে ড. ইউনুসের নাম বার বার শোনা গিয়েছে। উনি একজন সফল বাংলাদেশী, যিনি সারাবিশ্বেই পূজনীয়। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং তার স্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে ইউনূসের ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক বিশ্বের যেকোনো রাষ্ট্রপ্রধানের জন্যই ঈর্ষনীয় বিষয়। তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে শুধু নিজের নয়, বাংলাদেশের জন্যও বয়ে এনেছেন বিরাট সম্মান ও গৌরব। ড. ইউনূসের সম্মান মানে বাংলাদেশের সম্মান। কথাটাকে উল্টো করে বললেও একই অর্থ হয় যে, ‘বাংলাদেশের সম্মান মানে ড. ইউনূসের সম্মান’। অথচ কথিত মিথ্যে দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশ যখন রক্তাক্ত, ড. ইউনূস তখন যেন একেবারে বিকারহীন একজন মানুষ। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানের যে নৈতিক দায়বোধ, তা তিনি একবারের জন্যও দেখাতে পারেননি। একজন মা যখন দুর্বৃত্ত দ্বারা নিগৃহীত, তখন কোন সন্তান পারে নির্বিকার হয়ে থাকতে! অথচ ড. ইউনূস পদ্মাসেতু ইস্যুতে তা-ই ছিলেন। তাঁর এই নির্বিকার আচরণই প্রমাণ করে দেয়, এই চক্রান্তে তিনিও একজন সতীর্থ।

আদালতের ভাষায় একটা কথা আছে যে, “দ্য বেনিফিট অব ডাউট”। অর্থাৎ সব অপরাধের চাক্ষুষ কোন প্রমাণ হয়ত পাওয়া যায়না, কিন্তু যৌক্তিক সন্দেহ অনেক সময় সেই অপরাধের অপরাধীকে সনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট হয়। পদ্মাসেতু ইস্যুতে অনেকের সাথে নির্বিকার ড. ইউনূসও সেই অর্থে একজন অপরাধী!

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্রনায়কোচিত ব্যক্তিত্ব এবং সুস্পষ্ট নৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে একাত্তরের পরে বাংলাদেশ আবারো বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার সুযোগ পেল। শেখ হাসিনার অবদান বাংলাদেশ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখবে!

সাব্বির খান, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক ও সাংবাদিক। ইমেইল : [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১০ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৭ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১২৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ