আজ রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ইং

সিডনিতে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন

রণেশ মৈত্র  

বিগত ২০ ফেব্রুয়ারি, সকালে সিডনি ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে স্থাপন ও উদ্বোধন করা হলো বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তি। উদ্বোধন করলেন বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এম.পি। সিডনীর বহু গণ্যমান্য প্রবাসী বাঙালি ও এদেশীয় অতিথিবৃন্দের উপস্থিতিতে।

সম্ভবত: বাংলাদেশের বাইরে, পৃথিবীর অন্যতম উন্নত দেশে অস্ট্রেলিয়াতেই প্রথম এমন একটি ঘটনা ঘটলো। বঙ্গবন্ধু সর্বত্র স্বীকৃত, নন্দিত ও সম্মানিত একজন সংগ্রামী জননেতা ও রাষ্ট্রনায়ক। বাংলাদেশের অহংকার। কিন্তু তাঁর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন আজ পর্যন্ত পৃথিবীর অন্য কোথাও হয় নি। তাই অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী , বিশেষ করে সিডনি প্রবাসী বাঙালিরা আরও বেশী গর্বিত বোধ অবশ্যই করতে পারেন। এই নিবন্ধের মাধ্যমে নির্দ্বিধায় এই মহান কর্মকাণ্ডের যাঁরা উদ্যোক্তা, যাঁরা সহযোগি এবং সংশ্লিষ্ট থেকে এই কাজটি যাঁরা নিপুণভাবে সম্পন্ন করলেন তাঁদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

অভিনন্দন বিশেষ করে জানাই ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি অব সিডনির সম্মানিত শিক্ষক মণ্ডলী ও শিক্ষার্থীবৃন্দকে যাঁরা এই আবক্ষ মূর্তি স্থাপনের জন্য সম্মিলিত ভাবে প্রস্তাব গ্রহণ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ মূর্তি স্থাপনের সুপারিশ জানিয়ে বিষয়টির সূচনা করেন।

বিশেষভাবে ধন্যবাদের পাত্র ঐ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যাঁরা প্রস্তাবটিকে গুরুত্ব ও মর্যাদার সাথে গ্রহণ করে তা বাস্তবায়িত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এ ব্যাপারে সর্বাধিক উদ্যোগী ভূমিকা পালন করার গভীর কৃতজ্ঞতা এসোসিয়েট প্রফেসার ড. দাউদ হাসানকে আর নিবিড় একাগ্রতায় যিনি এই প্রকল্পটি কার্যকর করার ক্ষেত্রে মূল্যবান অবদান রাখলেন একটি অসম্ভবকে সফল করে তুললেন তার জন্য অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় অবস্থানরত বাংলাদেশের হাই কমিশনার ইমতিয়াজ হোসেনকেও জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন।

বস্তুত: আমি অত্যন্ত অভিভূত।

অভিভূত হওয়ার আরও কারণ আছে। সিডনী নগরীতে বাঙালিদের আরও কীর্তি আছে যা আমাদের জাতীয় গৌরব, জাতীয় অহংকারকে বহু মাত্রায় মর্যাদা দিয়েছে।

তার একটি হলো শহীদ মিনার। সিডনির এশফিল্ড পার্কে বেশ কয়েক বছর আগেই জনাকয়েক প্রবাসী বাঙালি তরুণের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ হাই কমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শহীদ মিনার মহান একুশে ফেব্রুয়ারির স্মারক। আজও শহীদ মিনারটি অম্লান। প্রতি বছর সেখানে একুশ উদযাপিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। কোন কোন বছর ক্ষুদ্রাকারে হলেও ঐ দিন সেখানে দিনব্যাপী বইমেলাও উদযাপিত হয় কেনা বেচা হয় বেশ কিছু বই যা প্রধানত: বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। বাংলাদেশের প্রকাশকেরা আগ্রহী হলে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় উদ্যোগী হলে এখানে অনেক বেশী বাংলা বই এর স্টল খোলা যেতে পারে প্রবাসী বাঙালি তরুণ-তরুণীরা তাতে বাংলা সাহিত্য, বাংলা গল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস, নাটক প্রভৃতি বই এর প্রতি আকৃষ্টও হতে পারে। আসতে পারেন বাংলাদেশের শিল্পীরাও সংগীত নৃত্য প্রভৃতি পরিবেশন করার লক্ষ্যে। বাংলা একাডেমী এগিয়ে এলে খুবই অনুপ্রাণিত হবেন সিডনির প্রবাসী বাঙালি সমাজ।

সিডনির অপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যাকুয়ারী ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ সেখানকার বাঙালী শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহে সাড়া দিয়ে স্থাপন করেছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের একটি প্রতিকৃতি রবীন্দ্রনাথের জন্মের সার্ধ শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে। ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবাসী বাঙালি শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী এবং কর্তৃপক্ষ সম্মিলিতভাবেই বিশ্বকবির প্রতি ঐদিন তাঁদের অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা জানালেন গৌরবান্বিত করলেন নতুন করে বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতির এই শ্রেষ্ঠ রূপকারকে। তাঁরা সমগ্র বাঙালি জাতির কাছে এ কারণে বিশেষ মর্যাদার প্রকৃত দাবীদার। ঘটনাটি কয়েক বছর আগের হলেও তেমন একটা প্রচার প্রচারণা পায়নি।

বস্তুত: এভাবে বাংলাদেশ, বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতি, বাঙালির নানাবিধ গৌরবোজ্জ্বল কীর্তিগাথা ধীরে ধীরে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ছে-সাথে সাথে বাড়ছে জাতির গৌরবও। এগুলি সম্ভব হচ্ছে মূলত: বাঙালি সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত শক্তির কারণেই যে সংস্কৃতি লালন করে সকলের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও মর্যাদাবোধ।

শহীদ মিনার বিশ্বের বহুদেশে প্রতিষ্ঠিত হলেও বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ মূর্তি আর কোন দেশে এ যাবত স্থাপিত হয়ে নি তবে দিনে দিনে তা যে ভবিষ্যতে হবে এমন একটি নিশ্চয়তা বোধ আমার মনে গভীরভাবে ঠাঁই করে নিয়েছে। তবে পৃথিবীর সর্বত্রই রবীন্দ্রনাথ, বঙ্গবন্ধু ও শহীদ মিনার স্থাপনের ভাস্কর্য নির্মাণের ব্যাপারে প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে উদ্যোগী ও তৎপর হতে হবে। সে প্রত্যাশা বৃথা যাবে না আশা করি।

এই যে দেশের গৌরবের স্মৃতি, জাতীয় বিজয়ের নানাবিধ অর্জন ও ইতিহাস ও তার স্মারক আমরা বাংলাদেশ কতটা রাখতে সচেষ্ট , কতটা উদ্যোগী কতটা তৎপর সে প্রসঙ্গটিও স্বভাবত:ই প্রাসঙ্গিকভাবে এখন উঠে আসতে পারে। যখন বিদেশের মাটিতে বসে বাঙালির এই বিজয় কীর্তিগুলির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে প্রবাসী বাঙালি ও বিদেশীদেরকেও যখন উৎসাহিত হয়ে তার প্রতি তাঁদেরও মস্তক অবনত করতে দেখি স্বভাবত:ই এই গৌরব অর্জনের অজস্র সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক হিসেবে মনটা গর্বে ভরে ওঠে। আবার সাথে সাথেই মনে প্রশ্ন ওঠে সেদিনের সেই গৌরবগুলির জন্য আমাদের নতুন প্রজন্মকে কি আমরা প্রকৃতই গর্বিত বোধ করতে শিখিয়েছি? তারাও কি অধিকতর না হোক, সমভাবে গর্বিত বোধ করে সেগুলির জন্যে। অথবা সেগুলি অর্জনের পেছনে যে দীর্ঘ সংগ্রাম তাদের পূর্বসূরিদেরকে করতে হয়েছে যে কঠিন ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে তার বৃত্তান্ত কি যথাযথভাবে আমরা কি জানতে পেরেছি বা জানতে প্রকৃতই চেষ্টা করেছি?

উত্তরগুলি ভাবতে গিয়ে অনেক সময় আত্মগ্লানিতে ভুগি। এক ধরণের অপরাধ বোধে যেন নিরস্তর তাড়িত হই। কারণ সে দায়িত্ব পালনে আমরা প্রকৃতই উদ্যোগী নই-বহুলাংশেই তাতে ব্যর্থ হয়েছি। আর তার করুণ পরিণতি আমাদেরই নতুন প্রজন্মগুলি তাদের পূর্ব পুরুষদের গৌরব গাথা সবিস্তারে জানবার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে চলেছে। এগুলি নেহায়েতই আমাদের অবহেলা প্রসূত যা অবিলম্বে দূর করা প্রয়োজন। আজকের অভিভাবক ও শিক্ষকমণ্ডলী এ ব্যাপারে এখন থেকেই প্রয়োজনমত তৎপর হবেন আশা করি।

একদিকে যেমন আমাদের এই অতি প্রয়োজনীয় ব্যাপার গুলিতে অবহেলা অপরদিকে রয়েছে একাধিক নামে দেশের উগ্র প্রতিক্রিয়াশীল ধর্মান্ধ ব্যক্তি, সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির (বিশেষ ধরণের এবং ধর্ম শিক্ষার নামে স্থাপিত) পক্ষ থেকে তেমনই আবার সচেতন ও সংগঠিতভাবে আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি, বাঙালীর ঐতিহ্য, গৌরব ও বিজয়গুলিকে বিকৃতভাবে প্রচার করা, তার বিরোধিতা করা এবং সেগুলিকে ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী বলে মিথ্যা প্রচার বারংবার করে সত্যকে মিথ্যা বানানোর নিরন্তর অপচেষ্টা বিদ্যমান। মাঠে যেন তারাই। তারা তাদের বক্তব্য প্রচারের জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন রিয়াল বা ডলার ও পেট্রো ডলার প্রকাশ্য ও চোরাপথে প্রতিনিয়ত আমদানি করতে পারছে। এগুলি বন্ধ করার জন্যে জনগণের পক্ষ থেকে অসংখ্যবার দাবী উঠানো সত্ত্বেও রাষ্ট্র সীমাহীন নিঃস্পৃহতা দেখানোর ফলে প্রতিক্রিয়াশীল মহলগুলি দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এর সর্বোচ্চ এবং অতি সাম্প্রতিক প্রমাণ হলো, গত শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জুম্মার নামাযের পর কয়েক হাজার মুসুল্লিকে জাতীয় মসজিদ (যা সরকারের অর্থাৎ হিন্দু-মুসলমান বৌদ্ধ-খৃষ্টান- সকল নাগরিকের দেওয়া ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত বায়তুল মোকাররম থেকে ) থেকে বিশাল এক মিছিল বের করে গগনবিদারী শ্লোগান সহকারে ঢাকার রাজপথে দাবী তুলল সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রীক “দেবীর” মূর্তি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করতে হবে। তারা ধৃষ্টতার সাথে এ কথাও বলতে দ্বিধা করে নি যে, “অন্যথায় তারা এক কোটি লোক এনে ঢাকা শহর অবরোধ করে তাকে অচল করে দেবে।

বিস্ময়কর হলো, পুলিশ এই মিছিলের ব্যক্তিদেরকে সামান্যতম বাধাও দিল না-একটি নরম ধরণের হুমকিও দিল না-কাউকে গ্রেফতার করা তো দূরের কথা।

এমন কি, সুপ্রিম কোর্টকে হুমকি দেওয়াকেও কি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলি, কি মন্ত্রী-সাংসদবৃন্দ-কি আইনজীবীরা কেউই বিন্দুমাত্র নিন্দাবাদ জানিয়ে সংবাদপত্রে একটিও প্রতিবাদ লিপি পাঠালেন না। তাহলে ঐ প্রতিক্রিয়াশীল চক্র কেন ভয় পাবে? ঐ মূর্খ ধর্মব্যবসায়ীরা ওই মূর্তিটাকে “দেবী” বানালো কিভাবে? গ্রীকরা কি দেবীর আরাধনা করেন? তাঁরা কি হিন্দু বা সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী? ওটা যে ন্যায় বিচারের একটি বিশ্বখ্যাত প্রতীক ঐ মূর্খের দল কি কদাপি তা জানতে চেষ্টা করেছে? গ্রীক সভ্যতা যে বিশ্বের আদি সভ্যতা তা কি তারা জানে?

না! জানে না তা নয়। ওরা জেনেশুনেই ঐ মূর্তিটার অপসারণ দাবী করেছে। ওরা কোন এক মুহূর্তে ওটা ভেঙ্গেও ফেলতে পারে-খোন্তা শাবল হাতে মিছিল করে এসে। কণ্ঠে “নারায়ে তকবির” শ্লোগানটা থাকলেই তো বাংলাদেশে সাতখুন নয়-হাজার খুনও মাফ। তার নজির নাসিরনগরে, গোবিন্দগঞ্জে, সাতক্ষীরা, যশোরে, পাবনায়, ঠাকুরগাঁও এ, দিনাজপুরে, ভোলায়। নজির ২০০১ সালের হাজার হাজার সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায়।

হেফাজতের হুমকির পরও একে প্রতিরোধ করতে ছাত্র সমাজও এগিয়ে আসছে না। যুব সমাজ? না, তারাও না। রাজনৈতিক দলগুলি? না - তাঁরা দিব্যি আরামে আছেন। ক্ষমতায় থাকা আর ক্ষমতায় পুনরায় যাওয়ার চিন্তায় মশগুল। রাজপথের দিকে তাকাবার তাঁদের অবসর কোথায়?

নিন্দা ও প্রতিবাদ করে একটি বিবৃতিও এঁরা কেউ দেন নি। দিতেন যদি মিছিলটি ঐ দাবী নিয়ে বি.এন.পি. বা আওয়ামীলীগ করতো। বি.এন.পি. করলে আওয়ামী লীগ তার প্রতিবাদ করতো-আওয়ামী লীগ করলে বি.এন.পি। কারণ একে অপরের ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী।

কিন্তু এই মিছিল তো করেছে হেফাজতে ইসলাম। অপ্রকাশিত ভাবে সঙ্গে ছিল জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র শিবির প্রভৃতি। উভয় দলই দিব্যি হজম করে গেলেন। যাবেনও।

কিন্তু এর পরে কি আওয়ামী লীগ পারবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বাংলাদেশের কোথাও স্থাপন করতে? সাংস্কৃতিক কর্মীরা কি পারবেন রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের কোন প্রতিকৃতি বাংলাদেশের কোথাও স্থাপন করতে? ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে?

উপলব্ধিতেই নেই যে আজ বাংলাদেশে অপমৃত্যু ঘটতে চলেছে সুমহান ঐতিহ্যের ধারক ইতিহাস খ্যাত এবং বিশ্বস্বীকৃতি প্রাপ্ত বাঙালি সংস্কৃতি ও সভ্যতা।

আর বাংলাদেশ সরকার বুঝেই হোক বা না বুঝেই হোক (না বুঝবার মত শিশু তাঁরা কেউই নন) বাঙালী সংস্কৃতির অপমৃত্যু পরোক্ষে তাঁরাও ঘটাতে চলেছে। নতুন ছাপানো পাঠ্যপুস্তক গুলিতে যে সকল গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা এবং যে কবি-সাহিত্যিকদের লেখা উঠিয়ে দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িকীকরণ শুরু করা হলো-তা আমার ও সুধীজনদের বক্তব্যকে নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করে। হেফাজতের আবেদন সরকারের কাছে শিরোধার্য যেন।

এখনও মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর মতো করে বলি, “খামোশ”। নইলে পালাবার পথ নেই।

রণেশ মৈত্র, লেখক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক; মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। ইমেইল : [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫১ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৫ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১১৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ