আজ বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯ ইং

আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ  

বহু বছরের জাতিগত বৈষম্য, শোষণ, নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতিবাদে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটির অন্তর্গত বাঙালি জনগোষ্ঠী তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। জন্ম নেয় একটি নতুন রাষ্ট্র—বাংলাদেশ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে. রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের জন্য প্রয়োজন— ক. একটি সুনির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী; খ. একটি সুনিরূপিত সীমানা; গ. একটি সরকারব্যবস্থা এবং ঘ. সার্বভৌমত্ব। আন্তর্জাতিক আইনে আবার শুধু এই চারটি বিষয়ের ভিত্তিতে রাষ্ট্রকে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র যতক্ষণ না পর্যন্ত আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করছে ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে রাষ্ট্র বলা হয় না।

জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার একটি প্রাচীনতম অধিকার। যদিও আন্তর্জাতিক আইনে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের স্বীকৃতি এসেছে অনেক পরে; তথাপি আমরা দেখেছি, যুগে যুগে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সফল প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছে। প্রাচীন মেসোপটেমিয়া অথবা পরে গ্রিসের নগর-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রয়োগে রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব লাভের নিদর্শন আমরা দেখতে পাই। যুগে যুগে ঔপনিবেশিকতা ও সাম্রাজ্যবাদের বিস্তারের যে ইতিহাস আমরা দেখি, ঠিক একই রকমভাবে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার দাবি ও প্রয়োগের ইতিহাসও অনেক প্রাচীন। ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের সময়ে ও পরে ‘জাতীয়তাবাদী’ চেতনার যে উত্থান তা বেশির ভাগ সময়ই আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবিতে সোচ্চার ছিল।

আধুনিক বিশ্বে জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সফল প্রয়োগ আমরা দেখি ১৭৭৬ সালে উত্তর আমেরিকার ব্রিটিশ অধ্যুষিত কলোনিগুলোর স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে। একই রকমভাবে ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সফল বাস্তবায়ন পরিলক্ষিত হয়। উনিশ শতকজুড়ে বিশ্বব্যাপী আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সফল দাবি জানিয়েছে আমেরিকার স্পেনীয় অধ্যুষিত রাষ্ট্রগুলো এবং ইউরোপে গ্রিস, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়া। সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অন্যতম ভিত্তি হলো জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি পূর্ণ আস্থা জ্ঞাপন। কার্ল মার্ক্স ও ভ্লাদিমির লেনিনের লেখায় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের বিষয়টি ঘুরেফিরে এসেছে বহুবার। আর তাই ১৯১৭ সালের বলশেভিক যুদ্ধের পর ১৯১৮ সালের সোভিয়েত ইউনিয়নের সংবিধানে আত্মনিয়ন্ত্রণের ভিত্তিতে রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার অধিকারকে সুনির্দিষ্টভাবে সংযোজন করা হয়। বিশ শতকের গোড়ার দিকে শুধু সোভিয়েত ইউনিয়নই নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবিতে জোরালো সংগ্রাম হতে দেখা যায়। ১৯২০ থেকে ১৯৩০ সালের মধ্যে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতা থেকে মুক্তি লাভ করে কানাডা, নিউজিল্যান্ড, নিউ ফাউন্ডল্যান্ড, আইরিশ ফ্রি স্টেট, কমনওয়েলথ অব অস্ট্রেলিয়া ও ইউনিয়ন অব সাউথ আফ্রিকা এবং ফরাসি ঔপনিবেশিকতা থেকে লেবানন।

আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনে সর্বজনীন স্বীকৃতি লাভ করে ১৯৪৫ সালের ইউনাইটেড ন্যাশনস চার্টারে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে।

১৯৪৮ সালের Universal Declaration of Human Rights সনদে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের বিষয়টি পরোক্ষভাবে উল্লিখিত হয়।

তবে জাতিসংঘের ১৯৬০ সালের ঘোষণার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পূর্ণ স্বীকৃতি।

একইভাবে ১৯৬৫ সালের International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR) ও International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights (ICESCR)-এর দুটিতেই আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে সুস্পষ্টভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ১৯৭০ সালের Declaration on Principles of International Law-তেও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব লাভ করেছে। জাতিসংঘের অধীনস্থ অন্যতম বিচারিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস ১৯৭১ সালের ২১ জুন বিখ্যাত ‘নামিবিয়া ওপিনিয়নে’ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে শাসিত-শোষিত জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রয়োগকে আন্তর্জাতিক আইনে একটি ন্যায়সঙ্গত দাবি বলে ঘোষণা করে।

বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক আইনের এ ধরনের সমর্থনে ও জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সর্বজনীন স্বীকৃতির ফলে অতীতের ঔপনিবেশিক কলোনিগুলো এক এক করে স্বাধীনতা লাভ করতে শুরু করে গত শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে। তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের আগে শুধু ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রয়োগের ব্যাপারটি আন্তর্জাতিক মহলে সমর্থিত ছিল। মনে করা হতো, আগে প্রতিষ্ঠিত একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ কোনো জনগোষ্ঠী যদি সেই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রয়োগের দাবি করে, তবে তা অবশ্যই ‘রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার’ পরিপন্থী হবে এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ব কোনোক্রমেই এ রকম দাবি সমর্থন করবে না।

আর তাই আমরা দেখি, ১৯৭১ সালের আগের পরিস্থিতিতে কাতাঙ্গা, বায়াফ্রা, সুদান, চাদ, ইথিওপিয়া, তিব্বত, কুর্দিস্তান অথবা ফরমোসা—এগুলোর কোনো ক্ষেত্রেই জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রয়োগকে আন্তর্জাতিক মহল স্বীকৃতি দেয়নি। যুক্তি মূলত একটাই—আন্তর্জাতিক বিশ্বে রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতাকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতার পরিপন্থী কোনো রকম বিচ্ছিন্নতাবাদী পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক মহল থেকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

১৯৭১ সালের আগে পাকিস্তানের অন্তর্গত পূর্ব পাকিস্তানে যখন বাঙালি জনগোষ্ঠী তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবিতে সোচ্চার হয় তখন আন্তর্জাতিক বিশ্বে প্রাথমিকভাবে তা বিচ্ছিন্নতাবাদী পদক্ষেপ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু খুব অল্প সময়ের ব্যবধানেই আন্তর্জাতিক মহলে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দান করা হয়। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমর্থনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক আইনের ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক উন্মোচিত হয়।

‘রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা’ নীতি পরিহার করে, আন্তর্জাতিক বিশ্ব কেন সেদিন বাংলাদেশিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছিল, তা অবশ্যই বিবেচনার দাবিদার। কাতাঙ্গা অথবা বায়াফ্রাতে যা সম্ভব হয়নি, বাংলাদেশে কেন তা সম্ভব হলো তা আন্তর্জাতিক আইন গবেষক মাত্রই জানতে আগ্রহী হবেন।

আন্তর্জাতিক আইন বিশারদরা বিভিন্ন সময়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছেন কেন ‘রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা নীতি’ পরিহারের মূল্যে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাকে আন্তর্জাতিক আইনে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের আলোচনায় বেশ কয়েকটি কারণ খুঁজে পাওয়া যায়।

ক. পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অস্বাভাবিক ভৌগলিক অবস্থানগত দূরত্ব;

খ. পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে ভাষাগত, সংস্কৃতিগত, ঐতিহ্যগত, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক লক্ষণীয় বৈষম্য;

গ. পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবি গণতান্ত্রিক নেতৃত্বে উত্থাপিত হয়েছিল; কোনো সামরিক বাহিনীর মনস্তাত্ত্বিক উত্তরণের হাতিয়ার হিসেবে নয়;

ঘ. পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবি পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর (প্রায় ৫৫ শতাংশ জনগোষ্ঠীর) পক্ষ থেকে উত্থাপিত হয়;

ঙ. পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না; বরং ১৯৪৭ সালের পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই প্রায় ২৪ বছর ধরে নানা রকম শোষণ, বৈষম্য ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে তা দৃঢ়তা লাভ করেছে; পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠী নানা রকম শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতায় ব্যর্থ হয়ে তবেই স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে;

চ. পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতা ঘোষণার ফলে পাকিস্তান রাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপর কোনো রকম বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রতিফলিত হওয়ার আশঙ্কা ছিল না;

ছ. পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর ওপর পাকিস্তান রাষ্ট্র তার জন্মের পর থেকেই নির্বিচারে শোষণ ও অত্যাচার করেছে; এমনকি ২৫ মার্চ থেকে যে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও সশস্ত্র আক্রমণ পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত করা হয়েছিল, তার সবই ছিল আন্তর্জাতিক আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ এবং

জ. পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবির প্রতি আন্তর্জাতিক মহলের শক্তিশালী অংশের সহমর্মী মনোভাব ও সহযোগী আশ্বাস ছিল।

এসব কারণে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা আন্তর্জাতিক আইনে বৈধতা লাভ করে। সৃষ্টি হয় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক নতুন যুগ, যেখানে আন্তর্জাতিক আইন ‘রাষ্ট্রের অখণ্ডতা’ রক্ষার আন্তর্জাতিক নীতিকে বিসর্জন দিয়ে মানব মুক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণা, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধান—এর সব কিছুই প্রতিফলিত করে পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের দাবি আদায় ও সংগ্রামের ইতিহাসকে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সৃষ্টি ও পূর্ব পাকিস্তানের জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার তাই অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালের মার্চে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠী চেয়েছিল—ক. বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র; খ. বাঙালি জাতীয়তাবাদের স্বীকৃতি; গ. গণতান্ত্রিক অধিকারের পূর্ণতা; ঘ. শোষণবিহীন সমাজব্যবস্থা এবং ঙ. ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় কাঠামো।

বাংলাদেশের আত্মনিয়ন্ত্রণ একটি ঐতিহাসিক সত্য। এই সত্যটি একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃতি অর্জন করেছে, তেমন অন্যদিকে সাংবিধানিক প্রতিকৃতি লাভ করেছে। যে জাতি ‘রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা’র প্রাচীর ভেদ করে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আদায়ে সফল হয়েছে সে জাতি যদি নিজে তার আত্মপ্রতিকৃতি ভুলে বসে, তবে ১৯৭১ সাল মিথ্যা হয়ে যাবে। গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘটিয়ে, পুঁজিবাদী শোষণের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ও রাষ্ট্রকে ইসলামী নেকাবে আবৃত করে যে রাষ্ট্রকে আজ আমরা ‘বাংলাদেশ’ নামে বিশ্বমাঝে পরিচিত করে তুলতে চাইছি, তা কোনো অবস্থায়ই ১৯৭১ সালের বাঙালি জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারপ্রতিষ্ঠ বাংলাদেশ নয়।

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, প্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১০ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৭ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১২৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ